হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বর্ননায় ঈদে মিলাদুন্নবীর ফযিলত

আপনারা জানেন পবিত্র মীলাদ শরীফের দলীল বিষয়ে বিখ্যাত মুহাদ্দিছ ইবনে হাজার হায়ছামী রহমতুল্লাহি আলাইহি এর “আন নি’মাতুল কুবরা আলাম” কিতাবে অনেক দলীল রয়েছে। এমনকি সেখানে হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের পবিত্র বক্তব্য রয়েছে। আমরা যখন উক্ত কিতাব পেশ করি তখন একশ্রেনীর উগ্রপন্থী মানুষ উক্ত কিতাবকে অস্বীকার করে অনেক বক্তব্য দেয়। তারা বলে নিয়মাতুল কুবরা কিতাবে এমন কোন বক্তব্য নাই। তুরষ্কের “মাকতাবায়ে হাক্কীকাহ” প্রকাশনা থেকে এই কিতাব জাল করে বের করা হয়। নাউযুবিল্লাহ। তারা বলে খুলাফায়ে রাশেদীন উনাদের পবিত্র মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে এমন কোন বক্তব্য অন্য কোন কিতাবেও পাওয়া যায়নি। অথচ আমরা এই দলীল অসংখ্য নির্ভযোগ্য কিতাবে দেখেছি। 
আপনারা অনেকে বিখ্যাত আলেমে দ্বীন হাদীয়ে বাঙ্গাল হযরত কারামত আলী জৈনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নাম শুনেছেন। উনার জন্ম ১২১৫ হিজরী এবং ওফাত ১২৯০ হিজরী। অর্থাৎ ওফাত থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ১৪৯ বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। উনার এক আওলাদ হাফিজ আব্দুল আউয়াল জৈনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন বিখ্যাত আলেম। উনার জন্ম তারিখটা আমার সঠিক জানা নেই। উনার লিখিত একটা কিতাব হচ্ছে “নাফহাতুল আম্বরিয়া”। তাও সে অনুপাতে হিসাব করলে ১৭০/১৮০ বছর আগের কিতাব। সেখানে পবিত্র মীলাদ শরীফ সর্ম্পকে খুলাফায়ে রাশেদীন উনাদের বর্ণনা গুলোতো আছেই বরং স্বয়ং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে সরাসরি একটি বর্ণনাও আছে। “নাফহাতুল আম্বরিয়া” কিতাবে ৮ পৃষ্ঠায় (স্ক্যান কপি দ্রষ্টব্য) হাদীছ শরীফ গুলো লক্ষ্য করুন,
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, 
قَالَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ من عظم مولدي كنت شفيعا له يوم القيامة من أنفق درهما في مولدي فكأنما أنفق جبلا من ذهب في سبيل الله تعالى
অর্থ: যে পবিত্র মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করলো সে কিয়ামতে দিন আমার শাফায়াত লাভ করবে, এবং যে মীলাদ শরীফ পালন করতে এক দিরহাম খরচ করবে সে আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় উহুদ পাহাড় পরিমান স্বর্ণ দান করার ফযিলত লাভ করবে। (নাফহাতুল আম্বরিয়া পৃষ্ঠা ৮)
এখন কথা হচ্ছে যদি এসব বর্ণনার কোন ভিত্তিই না থাকতো তাহলে কি উলামায়ে কিরামগন উনাদের কিতাবে বর্ণনা করতেন? 


বিস্তারিত

ঈদে মীলাদুন নবীতে ছলাত, খুতবা নেই কেন? অবান্তর প্রশ্নের জবাব-

ঈদে মীলাদুন নবীতে ছলাত, খুতবা নেই কেন? অবান্তর প্রশ্নের জবাব-
ঈদে মীলাদুন নবী’ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো, তবে এখানে ছলাত থাকতো, খুতবা থাকতো। এর জবাব- 

ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার জাহিল উলামায়ে সূ’রা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, ‘ঈদে মীলাদুন নবী’ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো, তবে এখানে ছলাত থাকতো, খুতবা থাকতো। ছলাত ডবল হতো, খুতবা ডবল হতো। কিন্তু এখানে ছলাত, খুতবা নেই।’ নাঊযুবিল্লাহ!

এর জাওয়াব হলো:- পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ অর্থাৎ সকল ঈদের সেরা ঈদ সেহেতু এ ঈদে এমন ছলাত রয়েছে যেই ছলাত শুধু ডবলই নয় বরং দায়িমী ছলাত। এ ছলাত শুরু হয়েছে সৃষ্টির শুরু থেকে এবং এটা জারী থাকবে অনন্তকাল ধরে। কারণ এ ছলাত স্বয়ং আল্লাহ পাক পড়েন। সুবহানাল্লাহ!
বিস্তারিত

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার পরিচয়

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার পরিচয়

সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
বিস্তারিত

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুবারক তাজদীদ

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুবারক তাজদীদ
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক তাজদীদ
আন নাযীরু, আন নাজমুছ ছাক্বিবু, আন নূরুম মুজাসসামু, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উনার দিনই হচ্ছে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদু ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদু ঈদে আকবর এবং তা পালন করা জিন-ইনসান তো অবশ্যই বরং কুল-কায়িনাতের জন্য ফরয আর
এই মুবারক তাজদীদই হচ্ছে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুবারক তাজদীদ

محمد رسول الله
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল।” (পবিত্র সূরা ফাতহ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৯)
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক ফরমান,
বিস্তারিত

বৈশাখী পূজা নয়, ঈদে মিলাদে হাবীবি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই একমাত্র সার্বজননীন উৎসব।

বৈশাখী পূজা নয়, ঈদে মিলাদে হাবীবি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই একমাত্র সার্বজননীন উৎসব।
সবাই বলে পহেলা বৈশাখ একটা সার্বজনীন উৎসব। ধর্ম যার যার আর উৎসব সবার। তাদের যুক্তি কতটূকু ঠিক। এমন উৎসব কি আমরা পালন করতে পারি যা আমাদের ধর্মের বিরুদ্ধে যায়? এমন উৎসব আমরা পালন করতে পারি না যা আমাদের ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে যায়।

আধুনিক নববর্ষ উদযাপনের খবর প্রথম পাওয়া যায় ১৯১৭ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে সে বছর পহেলা বৈশাখে হোম কীর্তন ও পূজার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর ১৯৩৮ সালেও অনুরূপ কর্মকান্ডের উল্লেখ পাওযা যায়।
বিস্তারিত

হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন

হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন
হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম  মহান আল্লাহ তা’আলা এর দরবারে ফারিয়াদ জানান, “ওহে আল্লাহ পাক তাঁদের মধ্যে তাঁদের হতে এমন একজন রাসূল প্রেরণ করুন, যিনি আপনার বাণীসমূহ তাঁদেরকে পাঠ করে শুনাবেন এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দিয়ে পবিত্র করবেন। নিশ্চয়ই আপনিও অতিশয় পরাক্রমশালী ও মহাজ্ঞানী” [সূরা বাকারা ১২৯]
বিস্তারিত