হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি জন্মঅনুষ্ঠান বা মীলাদ শরীফ পালন করার হাদীছ বর্ণনা করেছেন


পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী অস্বীকারকারীরা বলে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি কি এই অনুষ্ঠান পালন করার কথা কোন হাদীছ শরীফে এনেছেন? আর জন্মদিন পালন করা খৃষ্টানদের কালচার। আপনারা কেন তা পালন করেন?
মজার কথা হলো আমীরুল মু’মিনিন ফিল হাদীছ হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মীলাদ শরীফ পালন করা পক্ষে উনার কিতাবে দুইটি বাব রচনা করে দুইখানা হাদীছ শরীফ এনেছেন। উক্ত হাদীছ শরীফে স্পষ্ট ভাবেই আমরা দেখতে পাই জন্মগ্রহন উপলক্ষে দাওয়াত দেয়া, অনুষ্ঠান করা, খাদ্য খাওয়ানো সবই সুন্নতের অর্ন্তভূক্ত। হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাবের নাম হচ্ছে “আল-আদাবুল মুফরাদ”।



ইমাম হযরত বুখারী রহতুল্লাহি আলাইহি রচিত আদাবুল মুফাররাদ কিতাব

বিশ্ব বিখ্যাত এই কিতাবের ৬০২ নং বাব যার নাম হচ্ছে 
بَابُ الدَّعْوَةِ فِي الْوِلَادَةِ – (শিশুর জন্মগ্রহণ উপলক্ষ্যে দাওয়াত) এই অধ্যায়ের অধীনে একটা হাদীছ শরীফ এনেছেন। উক্ত হাদীছ শরীফ থেকে জানা যায় একজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার রোযা ভঙ্গ করে শিশুর জন্মগ্রহণ উপলক্ষ্যে দাওয়াতের খানা খেয়েছেন। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে,

আদাবুল মুফাররাদ কিতাবে ৬০২ নং বাবের শিরোনাম ও হাদীছ শরীফ


عَنْ حَضْرَتْ بِلَالِ بْنِ كَعْبٍ الْعَكِّيِّ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ زُرْنَا حَضْرَتْ يَـحْيَى بْنَ حَسَّانَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فِـي قَرْيَتِهِ اَنَا وَ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيمُ بْنُ اَدْهَمَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَ حَضْرَتْ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ قَرِيرٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَ حَضْرَتْ مُوسَى بْنُ يَسَارٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَجَاءَنَا بِطَعَامٍ، فَاَمْسَكَ حَضْرَتْ مُوسٰى رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَكَانَ صَائِمًا فَقَالَ حَضْرَتْ يَـحْيَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَمَّنَا فِـي هٰذَا الْمَسْجِدِ رَجُلٌ مِنْ بَنِي كِنَانَةَ مِنْ اَصْحَابِ النَّبِيّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُكَنَّى حَضْرَتْ اَبَا قِرْصَافَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَرْبَعِيْنَ سَنَةً، يَصُوْمُ يَوْمًا وَيُفْطِرُ يَوْمًا، فَوُلِدَ لِاَبِـيْ غُلَامٌ، فَدَعَاهُ فِـي الْيَوْمِ الَّذِيْ يَصُوْمُ فِيْهِ فَاَفْطَرَ، فَقَامَ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيمُ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَكَنَسَهُ بِكِسَائِهِ، وَاَفْطَرَ حَضْرَتْ مُوْسٰى رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ حَضْرَتْ اَبُو عَبْدِ اللهِ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَبُو قِرْصَافَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اسْـمُهُ جَنْدَرَةُ بْنُ خَيْشَنَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ.

অর্থ : “হযরত বিলাল ইবনে কা’বিল ‘আক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি, হযরত ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত আব্দুল আযীয ইবনে কুদাইদ রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত মূসা ইবনে ইয়াসার ইয়াহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইবনে হাসান বাকরী ফালাসতিনী রহমতুল্লাহি আলাইহির সাথে উনার গ্রামে গিয়ে সাক্ষাত করলেন। হযরত ইবনে হাসান বাকরী ফালাস্তিনী রহমতুল্লাহি আলাইহি আমাদের জন্য খাবার আনলেন। হযরত মূসা রহমতুল্লাহি আলাইহি রোযাদার হওয়ায় খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। হযরত ইয়াহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কিনানা গোত্রীয় একজন ছাহাবী, যাঁর উপনাম হযরত আবূ কিরসাফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু চল্লিশ বছর যাবত এই মসজিদে ইমামতি করেন। তিনি এক দিন রোযা রাখেন এবং এক দিন বিরতি দেন। আমার একজন ভাই জন্মগ্রহণ করলে আমার পিতা উনাকে দাওয়াত দেন। সেটি ছিল উনার রোযা রাখার দিন। তিনি রোযা ভাঙ্গলেন। হযরত ইবরাহীম রহমতুল্লাহি আলাইহি উঠে দাঁড়িয়ে উনাকে উনার চাদরখানা হাদিয়া দেন এবং হযরত মূসা রহমতুল্লাহি আলাইহিও রোযা ভাঙ্গেন। হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ছাহাবী হযরত আবূ কিরসাফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম মুবারক হযরত জানদারা ইবনে খায়শানা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।” (আদাবুল মুফরাদ ৪৬০ পৃষ্ঠা: বাবুদ্ দা’ওয়াতি ফীল বিলাদাত : হাদীছ শরীফ নং ১২৫৩)
এই হাদীছ শরীফ থেকে আমরা দেখতে পেলাম একজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু নফল রোজা ভঙ্গ করেও জন্মদিন অনুষ্ঠানের হাজির হয়েছেন খাবারও খেয়েছেন। বিরোধীতাকারীরা কি এখন উক্ত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বিদয়াতি বলবে? নাউযুবিল্লাহ।
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উক্ত কিতাবের ৬০৪ নং বাব যার নাম হচ্ছে 
بَابُ الدُّعَاءِ فِي الْوِلَادَةِ - সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্য দোয়া করা) এখানে আরো একটি সহীহ হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। 


আর এই হাদীছ শরীফ হতে জানা যায় যে, এক দুইজন নয় বরং একদল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত দাওয়াতে এসে খাওয়া দাওয়া  করেছেন এবং শিশুর জন্য দোয়া করেছেন,

عَنْ حَضْرَتْ مُعَاوِيَةَ بْنَ قُرَّةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ يَقُوْلُ لَمَّا وُلِدَ لِـي اِيَاسٌ دَعَوْتُ نَفَرًا مِنْ اَصْحَابِ النَّبِيّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاَطْعَمْتُهُمْ فَدَعَوْا فَقُلْتُ‏‏ اِنَّكُمْ قَدْ دَعَوْتُـمْ فَبَارَكَ اللهُ لَكُمْ فِيْمَا دَعَوْتُـمْ وَاِنّـيْ اِنْ اَدْعُوْ بِدُعَاءٍ فَاَمّنُوْا قَالَ‏ فَدَعَوْتُ لَهُ بِدُعَاءٍ كَثِيْرٍ فِـيْ دِينِهِ وَعَقْلِهِ وَكَذَا قَالَ‏‏ فَاِنّـيْ لَاَتَعَرَّفُ فِيْهِ دُعَاءَ يَوْمِئِذٍ‏.‏

অর্থ : “হযরত মুআবিয়া ইবনে কুররা রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, উনার আওলাদ ইয়াস জন্মগ্রহণ করলে তিনি হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একদল ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমকে দাওয়াত করে খাবার পরিবেশন করেন। উনারা দোয়া মুবারক করলেন। হযরত মুআবিয়া ইবনে কুররা রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন, আপনারা দোয়া মুবারক করেছেন। মহান আল্লাহ পাক আপনাদের দোয়া মুবারকের উসীলায় আপনাদের বরকত দান করুন। হযরত মুআবিয়া ইবনে কুররা রহমতুল্লাহি আলাইহি তখন বললেন, তিনিও কতগুলো দোয়া করবেন এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম যেন আমীন বলেন। হযরত মুআবিয়া ইবনে কুররা রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, তিনি উনার আওলাদের দ্বীনদারি, জ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ের জন্য অনেক দোয়া করলেন। হযরত মুআবিয়া ইবনে কুররা রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, তিনি সেদিনের দোয়ার প্রভাব লক্ষ্য করেছেন।” (আদাবুল মুফরাদ ৪৬১ পৃষ্ঠা  : বাবুদ্ দু‘য়ায়ি ফীল বিলাদাত : হাদীছ শরীফ নং ১২৫৫) 

উক্ত হাদীছ শরীফ থেকেও আমরা দেখতে পেলাম হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগন জামায়াত বদ্ধ ভাবে জন্ম অনুষ্ঠানে যেতেন এবং দোয়া পাঠ করতেন, পরিশেষে খাবার খেতেন। আর এটাই খাছ সুন্নতী ত্বরীকা। যারা আজ বিরোধীতা করতে করতে বিদয়াত শিরিক ফতোয়া দিচ্ছে, খৃষ্টানদের কালচার বলছে তারা কি জানে এটা কতবড় বেয়াদবি? তারা পক্ষান্তরে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের বিরোধীয় লিপ্ত হয়ে বেঈমান হয়ে পড়ছে। সেইসাথে সাধারন মানুষকেও বিভ্রান্ত করছে। সূতরাং আমরা যদি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে অনুষ্ঠান করি, খুশি প্রকাশ করি, খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করি সেটা অবশ্যই সুন্নতের অর্ন্তভূক্ত। যা উপরোক্ত হাদীছ শরীফ থেকে প্রমাণ হয়। আল্লাহ পাক সবাইকে সহীহ বুঝ দান করুন। আমীন।
বিস্তারিত

এক নজরে সৃষ্টির শুরু থেকে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের ইতিহাস

এক নজরে সৃষ্টির শুরু থেকে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের ইতিহাস
১.  সৃষ্টির শুরুই হয়েছে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের জন্য। https://goo.gl/YXxtkf
২. মহান আল্লাহ পাক স্বয়ং নিজেই সর্বপ্রথম মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করেন https://goo.gl/QhKGhP
০৩. সমস্ত নবী রাসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন https://goo.gl/oguRBS
৪. হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন।https://goo.gl/nTem2r
৫. হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন  https://goo.gl/YK3hPm
৬. হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন https://goo.gl/POavDX
বিস্তারিত

কওমী- ওহাবী -হেফাযতি-তাবলীগি- দেওবন্দি গুরুদের কাছে মিলাদ ক্বিয়ামের প্রমান !!!

কওমী- ওহাবী -হেফাযতি-তাবলীগি- দেওবন্দি গুরুদের কাছে মিলাদ ক্বিয়ামের প্রমান !!!


১.মালানা আশ্রাফ আলী দৃষ্টিতে মিলাদঃ
মালানা আশ্রাফ আলী থানভি  হল দেওবন্দি কওমি ও তাব্লিগিদের মুরুব্বী। তার রচিত একটি বই “তাবলীগ”দেওবন্দি কাওমি মাদ্রাসাতে পরানো হয়। উক্ত বইয়ের ৩৫ পৃষ্ঠায় আছে-
“এভাবে কিয়াম করাকে আমরা অবৈধ বলিনা বরং কথাও রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর জন্ম বৃত্তান্ত আলোচনা কালে দাঁড়িয়ে যায়, আবার কখনো তার দুগ্ধ পানের ঘটনা বলার সময়, আবার কখনও মিরাজুন্নাবির আলোকপাত কালে, এমনিভাবে কোন কোন খাস মাহফিলে ৩-৪ বারও কিয়াম করে থাকেন। তবে এরূপ মিলাদে কিয়াম করাকে কে নিষেধ করবে (অর্থাৎ নিষেধ করার নয়)?”
বিস্তারিত

চরম স্তরের মূর্খ ছাড়া কেউ বলতে পারে না দুই ঈদের বাইরে ঈদ নাই

চরম স্তরের মূর্খ ছাড়া কেউ বলতে পারে না দুই ঈদের বাইরে ঈদ নাই

হাদীস শরীফে উল্লেখ আছে, 
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وُهَيْبٍ الْغَزِّيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي السَّرِيِّ الْعَسْقَلانِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ رَاشِدٍ الْيَمَامِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو كَثِيرٍ يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ وَسَلَّمَ: " زَيِّنُوا أَعْيَادَكُمْ بِالتَّكْبِيرِ
অর্থ: তোমরা তোমাদের ঈদগুলোকে তাকবীর ধ্বণী দ্বারা সৌন্দর্য্যন্ডিত কর (দলীল: মুজামুল আওছাত তাবরানী ৪৫০৯)
বিস্তারিত

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. 
অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী! অবশ্যই তোমাদের মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সর্বপ্রকার ব্যাধিসমূহের সর্বশ্রেষ্ঠ আরোগ্যদানকারী, সর্বশ্রেষ্ঠ হিদায়াত দানকারী এবং সমস্ত কায়িনাতবাসীর জন্য, খাছ করে ঈমানদারদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ রহমতস্বরূপ আমার যিনি হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাশরীফ মুবারক এনেছেন। (সুবহানাল্লাহ) হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসীকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি যে, ফযল, করম ও রহমত মুবারক হিসেবে উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন, সেজন্য তারা যেন খুশি প্রকাশ করে, ঈদ পালন করে তথা মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে। এই খুশি প্রকাশ করাটা, ঈদ পালন করাটা, মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করাটা সবকিছু থেকে উত্তম; যা তারা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য সঞ্চয় করে।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা ইউনূস শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ ৫৮)
বিস্তারিত

হারাম কর্মে ডুবন্ত থেকে সেজেছে মুফতি কিন্তু এরাই আবার ঈদে মিলাদে হাবীবির বিরোধিতা করে!

হারাম কর্মে ডুবন্ত থেকে সেজেছে মুফতি কিন্তু এরাই আবার ঈদে মিলাদে হাবীবির বিরোধিতা করে!
বাজারে অনেক নামধারী আল্লামা, মুফতে, মুহাদ্দিস, মাওলানা, মুফাসসির ঈদে মিলাদে হাবীবিকে বিদয়াত বিদয়াত বলে অপপ্রচার করে। 
কিন্তু এরা নিজেরাই শত শত হারাম কাজে মগ্ন থাকে।
এ সকল নামধারী টাইটেলধারীরা শরীয়তে নিষিদ্ধ –
খেলাধুলা করে ,দেখে,
বেপর্দা হয়ে শয়তানের বাক্স টিভিতে ইসলাম প্রচার এর কথা বলে,
বেপর্দা হয়ে নারী পুরুষ একাকার হয়,
অবরোধ করে,

ভোট, নির্বাচন, গণতন্ত্র করে, 
বিস্তারিত

যারা ঈদে মিলাদে হাবীবির বিরোধীতা করছেন তারা কি কোনদিন জন্মদিন পালন করেন নাই?

যারা ঈদে মিলাদে হাবীবির বিরোধীতা করছেন তারা কি কোনদিন জন্মদিন পালন করেন নাই?
================================================ 

ঈদে মিলাদে হাবীবি বিরোধীতাকারীরা গৎবাঁধা বুলি আওড়িয়ে বলে থাকে ইসলামে জন্মদিন পালন বলে কিছু নাই। জন্মদিন পালন বিদয়াত! তারা জন্মদিন পালন বিদয়াত বলে থাকে কিন্তু বাস্তবে তারা কি করছে ? তারা কি কেউ কোনদিন কারো জন্মদিন পালন করে নাই? যারা বিরোধীতা করে তাদের মধ্যে বিভিন্ন দল উপদল আছে। তারা কি করছে?
১.আওয়ামী লীগঃ প্রতিবছর বঙ্গবন্ধু শেখ সাহেব, শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করছে।তারা জানেনা যে বাংলাদেশে সরকারীভাবে একমাত্র শেখ সাহেবই সর্বপ্রথম ঈদে মিলাদে হাবীবি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রচলন করেন। 
২. বিএনপিঃ প্রতিবছর জিয়াউর রহমান, খালেদা যিয়া, তারেক জিয়ার জন্মদিন পালন করছে।
বিস্তারিত

সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা সকলের জন্যেই ফরযে আইন তো অবশ্যই ফরযে আকবারেরও অন্তর্ভুক্ত

সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা সকলের জন্যেই ফরযে আইন তো অবশ্যই ফরযে আকবারেরও অন্তর্ভুক্ত
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর মহিমান্বিত দিনটিই সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান ও সবচেয়ে বড় ঈদের দিন। এ ঈদ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা সকলের জন্যেই ফরযে আইন তো অবশ্যই ফরযে আকবারেরও অন্তর্ভুক্ত
الحمد لله رب العلمين والصلاة والسلام على سيد الانبياء والـمرسلين وعلى ازواجه الـمطهرات واهل بيته الـمطهرين واصحابه الـمرضيين واله الـمكرمين و اولاده الشيخ الامام الـمجدد الاعظم واهل بيته الـمعظمين.

ঈদ মুবারক! ঈদ মুবারক!! ঈদ মুবারক!!!
আল্লাহ পাক তিনি মাসসমূহের মধ্যে রবীউল আউয়াল শরীফকে, তারিখসমূহের মধ্যে ১২ই শরীফকে এবং দিনসমূহের মধ্যে সোমবার শরীফকে উনার প্রিয়তম হাবীব, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ ও বিছাল শরীফ-এর জন্য পছন্দ করেছেন। তাই উক্ত মুবারক মাস, মুবারক তারিখ, ও মুবারক দিনটি আল্লাহ পাক উনার নিকট যেরূপ সবচেয়ে প্রিয়, পবিত্র, শ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত তদ্রূপ বান্দা ও উম্মতের জন্যও তা সবচেয়ে প্রিয়, পবিত্র, শ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত। আর একারণে ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ মুবারক দিনটি বান্দা ও উম্মতের জন্য সবচেয়ে খুশির, সবচেয়ে আনন্দের, সবচেয়ে মহান ও সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন হিসেবে সাব্যস্ত ও গণ্য হয়েছে। কারণ এ মুবারক দিনটি যদি উনার বিলাদত শরীফ তথা শুভাগমনের অন্তর্ভুক্ত না হতো তাহলে শবে ক্বদর, শবে বরাত, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, জুমুয়াহ,আরাফাহ ইত্যাদি ফযীলতপূর্ণ কোন দিন-রাতেরই আগমন ঘটতো না। শুধু তাই নয়, কুরআন শরীফ নাযিল হতো না, দ্বীন ইসলাম আসতো না, কোনো মু’মিন মুসলমান এবং কোনো বান্দা উম্মতেরও অস্তিত্ব থাকতো না। ফলে, শরীয়ত এ মুবারক দিনটিকে নির্ধারণ করেছে সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান ও সবচেয়ে বড় ঈদের দিন হিসেবে যাকে আরবীতে ‘সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদুল ঈদিল আ’যম ও সাইয়্যিদুল ঈদিল আকবার বলা হয় এবং এ ঈদ পালন করাকে ফরযে আইন সাব্যস্ত করেছে।
বিস্তারিত

নবীজি সৃষ্টি না হলে কিছুই সৃষ্টি হতনা

নবীজি সৃষ্টি না হলে কিছুই সৃষ্টি হতনা

وما ارسلنك الا رحمة للعالمين
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! নিশ্চয়ই আমি আপনাকে তামাম আলমের জন্য রহমত স্বরূপ পাঠিয়েছি।” (সূরা আম্বিয়া : আয়াত শরীফ ১০৭)

১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ সোমবার দিন। এ দিনে শান্তি ও মুক্তির সওগাত নিয়ে সর্বকালের মানুষের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ নিয়ে এ ধরাধামে তাশরীফ আনেন ‘রহমতুল্লিল আলামীন’ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

পৃথিবীর ইতিহাসে বহুদিন ও তারিখ বিভিন্নভাবে মানবজাতির নিকট স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে আছে। কিন্তু ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ সোমবার সবার উপরে শ্রেষ্ঠত্ব ও স্বাতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত এক দিন। এ দিনটি মহিমান্বিত ও গৌরবান্বিত। এ দিনটি কেবল মানবজাতির জন্য নয়, কেবল সৃষ্টির জন্য নয়, স্বয়ং স্রষ্টার জন্যও কাঙ্খিত ও প্রিয় দিন।
বিস্তারিত

১২ই রবীউল আউয়াল শরীফকে মীলাদুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-ই বলতে হবে; ‘সীরাতুন্‌ নবী’ নয়।

১২ই রবীউল আউয়াল শরীফকে মীলাদুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-ই বলতে হবে; ‘সীরাতুন্‌ নবী’ নয়।

“১২ই রবীউল আউয়াল শরীফকে মীলাদুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-ই বলতে হবে; ‘সীরাতুন্‌ নবী’ নয়। যারা ঈদে মীলাদুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সীরাতুন্‌ নবী নামকরণ করতে চায় তারা শুধু জাহিলই নয় বরং আশাদ্দুদ্‌ দরজার জাহিলও বটে।” 

সীরাতুন্‌ নবী যদি বলা হয় ‘সীরাত’ হচ্ছে চরিত্র মুবারক। যেটা আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নূরে মুজাচ্ছাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার একটা ছিফত বুঝানো হয়েছে সীরাতুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যখন কেউ চরিত্র মুবারক সম্পর্কে আলোচনা করবে তখন সেটা সীরাতুন্‌ নবী হবে। যদি সীরাতুন্‌ নবী বলা হয় তাহলে আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নূরে মুজাচ্ছাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ছূরতন্‌ নবী অর্থাৎ ছূরত মুবারক কেমন ছিলো? আরো প্রশ্ন আসবে, নূরুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার যে নূর মুবারক ছিলো ‘নূরে হাবীবী’ তাহলে সেটার মাহফিল করতে হবে আলাদাভাবে। ‘হিজরাতুন্‌ নবী’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে তথা আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নূরে মুজাচ্ছাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার হিজরত সম্পর্কে আলোচনা করতে হবে। মিরাজুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে তথা মিরাজ শরীফ সম্পর্কে আলাদা আলোচনা করতে হবে। আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নূরে মুজাচ্ছাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার জিহাদুন্‌ নবী অর্থাৎ জিহাদের আলোচনা আলাদাভাবে করতে হবে। অর্থাৎ ছিফতগুলো ভাগ করে দিলে আলাদা আলাদা হয়ে যাবে।
বিস্তারিত

ঈদে মীলাদুন নবী’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো, তবে এখানে ছলাত থাকতো, খুতবা থাকতো।

ঈদে মীলাদুন নবী’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো, তবে এখানে ছলাত থাকতো, খুতবা থাকতো।
ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার জাহিল উলামায়ে সূ’রা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, ‘ঈদে মীলাদুন নবী’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো, তবে এখানে ছলাত থাকতো, খুতবা থাকতো। ছলাত ডবল হতো, খুতবা ডবল হতো। কিন্তু এখানে ছলাত, খুতবা নেই।’ নাঊযুবিল্লাহ!

এর জাওয়াব হলো:- পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ অর্থাৎ সকল ঈদের সেরা ঈদ সেহেতু এ ঈদে এমন ছলাত রয়েছে যেই ছলাত শুধু ডবলই নয় বরং দায়িমী ছলাত। এ ছলাত শুরু হয়েছে সৃষ্টির শুরু থেকে এবং এটা জারী থাকবে অনন্তকাল ধরে। কারণ এ ছলাত স্বয়ং আল্লাহ পাক পড়েন। সুবহানাল্লাহ!
বিস্তারিত

নবীপ্রেমই ঈমানের মুল ----

নবীপ্রেমই ঈমানের মুল ----

হযরত আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু)হতে বর্ণিত , এক ব্যাক্তি আবেদন করলেন , ইয়া রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কেয়ামত কখন হবে ? উত্তরে আল্লাহর রাসুল জিজ্ঞেস করলেন । ক্বিয়ামতের জন্য তুমি কি প্রস্তুতি নিয়েছ ? লোকটি আরয করলো , তজ্জন্য আমি তেমন কোন প্রস্তুতি নিতে পারিনি ; তবে আমি আল্লাহ এবং তাঁর প্রিয় রাসুল কে ভালবাসি। এবার হুজুর এরশাদ করলেন , তুমি যাকে ভালবাস কিয়ামত দিবসে তুমি তার সাথেই থাকবে ।(এ হাদিসের বর্ণনাকারী ) হযরত আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) বলেন , “ইসলামের আবির্ভাবের পরে আমি মুসলমানদেরকে এরূপ আর খুশি হতে দেখিনি, যে রুপ এ কথাটুকু শুনে খুশি হয়েছেন ।” ( সুত্র বুখারী ২য় খন্ড ৯১১ পৃষ্ঠা , মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড ৩৩১ পৃষ্ঠা , মিশকাত শরীফ ৪২৬ পৃষ্ঠা ।) 
বিস্তারিত

মিলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ সম্পর্কে মক্কা শরীফ-মদিনা শরীফ-এর মুফতীগণের প্রাচিন ফতোয়ার কালেকশন

মিলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ সম্পর্কে মক্কা শরীফ-মদিনা শরীফ-এর মুফতীগণের প্রাচিন ফতোয়ার কালেকশন

بسم الله الرحمن الرحيم

আল্লামা আব্দুর রহীম তুর্কমানী রহমতুল্লাহি আলাইহি ১২৮৮ হিজরী সনে মক্কা ও মদিনা এবং জেদ্দাহ ও হাদিদার উলামায়ে কেরামের দ্বারা মিলাদ ও কিয়াম সম্পর্কে একটি ফতোয়া লিখিয়ে হিন্দুস্তানে নিয়ে আসেন এবং নিজ গ্রন্থ ” রাওয়াতুন নাঈম ” -এর শেষাংশে ছেপে প্রকাশ করেন ।

প্রশ্নঃ আল্লাহ তায়ালা অসীম রহমত আপনার উপর বর্ষিত হোক । নিম্নে বর্নিত বিষয়ে আপনার অভিমত ও ফতোয়া কি ?
বিস্তারিত

ইন্তিকাল দিবসে আনন্দ প্রকাশ করা কি অন্যায় ? শরিয়ত কি বলে ?

ইন্তিকাল দিবসে আনন্দ প্রকাশ করা কি অন্যায় ? শরিয়ত কি বলে ?
ইন্তিকাল দিবসে আনন্দ প্রকাশ করা কি অন্যায় ? শরিয়ত কি বলে ?
উক্ত বক্তব্য কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর সম্পূর্ণ খিলাফ, যা কাট্টা কুফরী। কেননা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণের বিলাদত শরীফ, বিছাল শরীফ, পুনরুত্থান প্রত্যেকটিই রহমত, বরকত ও সাকীনার কারণ এবং ঈদ বা খুশি প্রকাশের কারণ।
যেমন, হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার ব্যাপারে কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে- ‘উনার প্রতি সালাম (শান্তি), যে দিন তিনি বিলাদত শরীফ লাভ করেছেন এবং যেদিন তিনি বিছাল শরীফ লাভ করবেন এবং যেদিন তিনি পুনরুত্থিত হবেন।’ (সূরা মারইয়াম-১৫)
বিস্তারিত

ইসলামের সোনালী যুগ তথা খইরুল কুরুনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালিত হতো

ইসলামের সোনালী যুগ তথা খইরুল কুরুনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালিত হতো
খইরুল কুরুন হচ্ছে পর্যায়ক্রমে ছাহাবী, তাবিয়ী ও তাবি’ তাবিয়ীনগণের যুগ। আর উক্ত তিন যুগের প্রথম যুগই হচ্ছে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ- উনাদের যুগ এবং সে যুগেই ‘ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উদযাপিত হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!

যেমন-
১. এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-
বিস্তারিত

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্মকালীন সময়ের ঘটনাসমুহ

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্মকালীন সময়ের ঘটনাসমুহ
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্মকালীন সময়ের ঘটনাসমুহ
রহমতুল্লিল আলামীন, মুখতাছারুস্ সীরাত, ইবনে হিশাম, বায়হাক্বী, তিবরানী, খাসায়েসুল কুবরা, ইবনে ইসহাক, আন নিয়ামাতুল কুবরা প্রভৃতি গ্রন্থ থেকে বর্ণনা পাওয়া যায় যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যমীনে আগমণ মূহুর্তে স্বয়ং আল্লাহ্ পাক স্বীয় খুশীর নিদর্শন স্বরূপ অভূতপূর্ব কুদরতী ঘটনার সমাহার ঘটিয়েছেন।
বিস্তারিত

বুখারী শারীফের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাখ্যাকার আল্লামা ইবন হাজর আসকলানি রহমতুল্লাহি আলাইহি এর নামে বানোয়াট উক্তি প্রচার করল দেওবন্দী/কাওমী/হিফাজতিরা।

বুখারী শারীফের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাখ্যাকার আল্লামা ইবন হাজর আসকলানি রহমতুল্লাহি আলাইহি এর নামে বানোয়াট উক্তি প্রচার করল দেওবন্দী/কাওমী/হিফাজতিরা।

দেওবন্দী/কাওমী/হেফাজতিদের গুরু জুনায়েদ বাবু নগরী তার মিলাদ বিরোধী লিখায় সহীহ বুখারী শারীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘ফাতহুল বারী’ এর লেখক আল্লামা ইবন হাজর আসকলানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি কে একজন মিলাদ বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করতে গিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে লিখে - 
আল্লামা হাফেজ ইব্নে হাজার আসক্বালানী শাফী (রাহ্.)কে প্রশ্ন করা হয়, মীলাদ অনুষ্ঠান কি বিদ্আত? না শরীয়তে এর কোন ভিত্তি আছে? জবাবে তিনি বলেন, “মীলাদ অনুষ্ঠান মলতঃ বিদ্আত। তিন পবিত্র যুগের সালফে সালিহীনের আমলে এর অস্তিত্ব ছিল না।” (হিওয়ার মাআল মালিকী-১৭৭ পৃষ্ঠা)।
বিস্তারিত

কওমী দেওবন্দিদের গুরুদের গুরু মুহাজিরে মক্কী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ

কওমী দেওবন্দিদের গুরুদের গুরু মুহাজিরে মক্কী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ
কওমী দেওবন্দিদের গুরুদের গুরু মুহাজিরে মক্কী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ
বর্তমান দেওবন্দীরা বাদশাহ আবু সাঈদ মুজাফফার রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং আবু খাত্তাব উমর ইবনে দিহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে মিথ্যাচার করলে কি হবে? তাদের অতীতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য আলেম মাওলানা হাফিজ মুহাম্মদ আব্দুল হক এলাহাবাদী মুহাজিরে মক্কী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন,
“রাজ রাজাদের মধ্যে আরবলের(বর্তমান ইরাকের একটি অঞ্চল) আবু সাঈদ কাওকারী ইবন যয়নুদ্দিন সর্বপ্রথম মিলাদ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। তিনি মহান ও প্রসিদ্ধ দানশীল রাজা ছিলেন। হাফিজ ইমাম ইবন কাসির রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর ‘তারিখ’ গ্রন্থে লিখেছেন, আরবলের মহান রাজা রবিউল আউওয়াল মাসে মিলাদুন্নবী
বিস্তারিত

ওহাবী/সালাফীরা যাকে মেনে থাকে সেই ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ

ওহাবী/সালাফীরা যাকে মেনে থাকে সেই ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ

ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি, যাকে সালাফী / ওহাবীরা তাফসীর ও ইতিহাস শাস্ত্রে সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা করে থাকে, তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ইসলামের মুজাহিদ সুলতান গাযী সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর ভগ্নিপতি শাহ মালিক আল-মুযাফফর রহমতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। অথচ সালাফীরাই ইবনে কাসীরের কথাকে বিকৃত করে এই মর্মে মিথ্যে ছড়িয়েছে যে মুযাফফর শাহ একজন ফাসেক, নিষ্ঠুর ও বেদআতী শাসক ছিলেন (নাউজুবিল্লাহ)।
প্রকৃতপক্ষে ইবনে কাসীর লিখেন:

অর্থ: “বাদশা হযরত মুজাফফরুদ্দীন ইবনে যাইনুদ্দীন আবু সাঈদ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি দানশীল ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের অন্যতম ছিলেন। সাথে সাথে তিনি সম্মানিত বাদশাও ছিলেন। উনার বহু পূন্যময় কাজের আলামত এখনও বিদ্যমান রয়েছে।”
বিস্তারিত

বাদশাহ আবু সাঈদ মুজাফফার রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং আবু খাত্তাব উমর ইবনে দিহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে বানোয়াট উক্তি প্রচার করল দেওবন্দী/হিফাজতিরা।

বাদশাহ আবু সাঈদ মুজাফফার রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং আবু খাত্তাব উমর ইবনে দিহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে বানোয়াট উক্তি প্রচার করল দেওবন্দী/হিফাজতিরা।

দেওবন্দী/কওমী/হেফাজতিদের গুরু জুনায়েদ বাবু নগরী তার মিলাদ বিরোধী লিখায় বাদশাহ আবু সাঈদ মুজাফফার রহমতুল্লাহি আলাইহি  এবং আবু খাত্তাব উমর ইবনে দিহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি কে অপব্যয়ী ও দ্বীনের প্রতি উদাসীন হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যস্ত হয়ে লিখে
১.“তিনি ছিলেন এক অপব্যয়ী বাদশা। তিনি নিজস্ব ইজতিহাদ ও অভিরুচি মতে আমল করার জন্য সমকালীন আলেমদের আদেশ দিতেন এবং অন্য ইমামের অনুসরণ না করার জন্য উৎসাহ যোগাতেন। ফলে (স্বার্থপর) আলেমদের একটি দলকে তিনি বাগিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি প্রতি রবীউল আউওয়াল মাসে মীলাদ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। সেই প্রথম বাদশা যিনি এই নবতর প্রথার ভিত্তি স্থাপন করেন।”নাউযুবিল্লাহ  (আল কাউলুল মু’তামাদ ফী আমালিল মাওলীদ, মিন্হাযুল ওয়াযিহ্-২৪৯)।
বিস্তারিত