স্বয়ং হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন

স্বয়ং হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন

ঈদে আযম,ঈদে আকবর,সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন এক ঈদ,যে ঈদ পালন করেছেন হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই ।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের বিলাদত শরীফ উনার মুবারক এবং বিশেষ ঘটনা সমূহ বর্ননা দিয়েছেন । এবং নিজের বিলাদত শরীফের দিন শুকরিয়া আদায় করেছেন ।
বিস্তারিত

অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন

অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন


অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন

নবীজির বিদায় গ্রহণের দিন ছিলো:
হিজরী সন: ১১ হিজরীর ১২ই রবিউল আউয়াল
ঈসায়ী সন: ৬৩২ সাল, ৮ই জুন
বার: সোমবার
**(১ নং দ্রষ্টব্য দেখুন)

Back Calculation করে দেখা যায়, ৫৭০ ঈসায়ী সনে রবীউল আউায়াল মাস শুরু হয়েছিলো:
হয়,
২৩ শে এপ্রিল ৫৩ হিজরী পূর্ব সনে। (যদি সফর মাস ২৯শে দিনে হয়)
অথবা,
২৪ শে এপ্রিল ৫৩ হিজরী পূর্ব সনে। (যদি সফর মাস ৩০ শে দিনে হয়)

কিন্তু, এটা নিশ্চিত ৫৩ হিজরী পূর্ব সনে সফর মাস ৩০ দিনের হয়েছিলো। **(সূত্র: ২ নং দ্রষ্টব্য দেখুন)
বিস্তারিত

*হযরত আবু বকর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার আঙ্গুল চুম্বন আমল এবং সনদ তাত্ত্বিক বিশ্লেষন

*হযরত আবু বকর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু  উনার আঙ্গুল চুম্বন আমল এবং সনদ তাত্ত্বিক বিশ্লেষন

হযরত আবু বকর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু  হতে বর্ণিত, তিনি মুয়ায্যিনকে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার’ রাসূলূল্লাহ বলতে শোনলেন, তখন তিনিও তা বললেন এবং বৃদ্ধাঙ্গুলীদ্বয়ে চুমু খেয়ে তা চোখে বুলিয়ে নিলেন। তা দেখে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন : যে ব্যক্তি আমার বন্ধুর ন্যায় আমল করবে, তার জন্য আমার সুপারিশ বৈধ হয়ে গেল।’’

খ. ইমাম আবদুর রহমান সাখাভী : মাকাসিদুল হাসানা : ৩৮৩ : হাদিস : ১০২১
গ. আল্লামা ইমাম আযলূনী : কাশফুল খাফা : ২/২৫৯ : হাদিস : ২২৯৬
ঘ. আল্লামা মোল্লা আলী ক্বারী : আসরারুল মারফূ : ৩১২ পৃষ্ঠা : হাদিস : ৪৫৩
ঙ. আল্লামা ইমাম তাহতাভী : মারাকিল ফালাহ : ১৬৫ পৃ. : কিতাবুল আযান
চ. আল্লামা শাওকানী : ফাওয়াহিদুল মওদ্বুআত : ১/৩৯ পৃ.
ছ. আল্লামা ইসমাঈল হাক্কী : তাফসীরে রুহুল বায়ান : ৭/২২৯ পৃ
জ. আল্লামা তাহের পাটনী : তাযকিরাতুল মওদ্বুআত : ৩৪ পৃ
ঝ. আল্লামা জালালুদ্দীন সূয়তী : লাআলীল মাসনূ আ : ১৬৮-১৭০ পৃ


বিস্তারিত

হযরত খিযির আলাইহিস সালাম কর্তৃক হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম শুনে চুমু খাওয়ার আমল বর্ণিত

 হযরত খিযির আলাইহিস সালাম কর্তৃক হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম শুনে চুমু খাওয়ার আমল বর্ণিত


ইমাম আবু আব্বাস আহমদ বিন আবি বকর ইয়ামানী  তাঁর লিখিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ موجبات الرحمة و عزائم المغفرة এর মধ্যে হযরত খিযির আলাইহিস সালাম থেকে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মদার রাসূলূল্লাহ’ শোনে বলবে مرحبا بحبيبى و قرة عينى محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم )মারহাবা বি হাবিবি ওয়া কুররাতো আইনী মুহম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।   অতঃপর স্বীয় বৃদ্ধাঙ্গুলীদ্বয় চুম্বন করে চোখে লাগাবে, তাহলে তার চোখে কখনও ব্যথা হবে না এবং সে কোন দিন অন্ধ হবে না।’’
ক. আল্লামা ইমাম সাখাভী : মাকাসিদুল হাসানা : ১/৩৮৩ : হাদিস : ১০২১
খ. আল্লামা আযলূনী : কাশফুল খাফা : ২/২৭০ : হাদিস : ২২৯৬
গ. আল্লামা মোল্লা আলী ক্বারী : মওদ্বুআতুল কবীর : ১০৮ পৃ
ঘ. আল্লামা মুফতী আহমদ ইয়ার খাঁন নঈমী : জাআল হক : ২/২৪৬ পৃ


বিস্তারিত

আদম আলাইহি সালাম উনার হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারকে চুম্বন ও আযানের নাম শুনে চুম্বনের ফযিলত

আদম আলাইহি সালাম উনার হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারকে চুম্বন ও আযানের নাম শুনে চুম্বনের ফযিলত

বিখ্যাত মুফাস্সির আল্লামা ইসমাঈল হাক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর উল্লেখযোগ্য তাফসীর তাফসীরে ‘রুহুল বায়ানে’ লিখেন,
-‘‘কাসাসুল আম্বিয়া কিতাবে বর্ণিত আছে যে, হযরত আদম আলাইহিস সালাম জান্নাতে অবস্থানকালে  হযরত মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার  সাথে সাক্ষাতের জন্যে আগ্রহ প্রকাশ করেন। অত:পর আল্লাহ তা‘য়ালা তাঁর নিকট ওহী প্রেরণ করেন যে, হে আদম আলাইহিস সালাম! তিনি আপনার পৃষ্ঠ হতে শেষ যামানায় প্রকাশ হবেন। তা শুনার পর তিনি জান্নাতে অবস্থানকালে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানালেন। বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালা ওহী প্রেরণ করলেন, যে নূরে মুহাম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনার ডান হাতের শাহাদাত আঙ্গুলীর মধ্যে স্থানান্তরিত করেছি, তখন সে অঙ্গ হতে তাসবীহ পাঠ আরম্ভ হলো। 
বিস্তারিত

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাম মুবারক চুম্বনে ২০০ বছরের গুনাহ খাতা মাপ

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাম মুবারক চুম্বনে ২০০ বছরের গুনাহ খাতা মাপ
‘‘হযরত ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু  বলেন, বনী ইসরাঈলের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল অত্যন্ত পাপী, যে ২০০ বছর পর্যন্ত আল্লাহর নাফরমানী করেছে। যখন সে মৃত্যুবরণ করে মানুষেরা তাকে এমন স্থানে নিক্ষেপ করল, যেখানে আবর্জনা ফেলা হতো। তখন হযরত মুসা আলাইহিস সালাম উনার  প্রতি ওহী এলো যে, লোকটিকে ওখান থেকে তুলে যেন তার ভালভাবে জানাযার নামায পড়ে তাঁকে দাফন করা হয়। হযরত মুসা আলাইহিস সালাম  আরজ করলেন, হে আল্লাহ! বনী ইসরাঈল সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, লোকটি ২০০ বছর পর্যন্ত আপনার নাফরমানী করেছিল। ইরশাদ হলো, হ্যাঁ, তবে তার একটি ভাল অভ্যাস ছিল। যখন সে তাওরাত শরীফ তেলাওয়াত করতো, যতবার আমার হাবীব হযরত মুহাম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার  নাম মোবারক দেখত তখন সেটা ততবার চুম্বন করে চোখের উপর রাখত এবং তার প্রতি দুরূদ পাঠ করত। এজন্য আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি এবং সত্তর জন হুর স্ত্রী স্বরূপ তাকে দান করেছি।’’ সুবহানাল্লাহ 
*উক্ত হাদীসের ব্যাপারে কোনো মুহাদ্দিস মন্তব্য করেননি। তাদের নীরবতা পালন দ্বারা বুঝা গেল হাদিসটি সহিহ বা বিশুদ্ধ কারণ তার ব্যাপারে কোন মুহাদ্দিসের বিরোধীতা পাওয়া যায়নি।
ক. ইমাম আবু নঈম রহমতুল্লাহি আলাইহি : হুলিয়াতুল আউলিয়া : ৩/১৪২ পৃ.
খ. আল্লামা বুরহানুদ্দীন হালভী রহমতুল্লাহি আলাইহি : সিরাতে হালবিয়্যাহ ১ম খন্ড পৃষ্ঠা-৮৩ 
গ. আল্লামা শফী উকাড়ভী  রহমতুল্লাহি আলাইহি: জিকরে জামীল : ৩৫৪ পৃষ্ঠা
ঘ. জালালুদ্দীন সুয়ূতি রহমতুল্লাহি আলাইহি   : খাসায়েসুল কোবরা :১/৩০,হাদিস : ৬৮, মাকতুত-তাওফিকহিয়্যাহ, বয়রুত।
ঙ. আল্লামা আবদুর রহমান ছাফূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি : নুযহাতুল মাযালিস : ২/১৪২ পৃ.
চ. আল্লামা দিয়ার বকরী  রহমতুল্লাহি আলাইহি: আল খামীস ফি আহওয়ালে আনফাসে নাফীস : ১/২৮২ পৃ.


বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুননবী সম্পর্কে ওহাবী-তাবলীগী-দেওবন্দী গুরুদের মতাদর্শ

 আজকের তথাকথিত মালানা, মুফতী, মুহাদ্দিস, শাইখুল হাদীছরা ফতওয়া দেয় যে, “ঈদে মীলানদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বিদায়াত এবং শরীয়তে দুই ঈদের বাইরে তৃতীয় কোনো ঈদ নেই। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।”

যারা এই সব কফুরী ফতওয়া দেয় তারা দেওবন্দী, তাবলীগী, জামাতী, মওদুদী, সালাফী, আহলে হাদীস, লা-মাযহাবী ইত্যাদি দলের অনুসারী। এই সমস্ত দল ওহাবী মতবাদ থেকে সৃষ্টি হয়ে সর্বত্র বিস্তার লাভ করেছে। 
১.  নিকৃষ্ট ওহাবী মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল ওহাব নজদী তার রচিত ‘মুক্তাছার সীরাতুর রসূল’ বইতে লিখেছে, “হযরত আব্বাস আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আবু লাহাবের মৃত্যুর এক বছর পর তাকে স্বপ্নে দেখি যে, সে অত্যন্ত (কঠিন) দুরবস্থায় রয়েছে। সে বললো, (হে ভাই হযরত আব্বাস আলাইহিস সালাম!) আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার পর আমি কোনো শান্তির মুখ দেখিনি। তবে হ্যাঁ, প্রতি ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম বা সোমবার শরীফ যখন আগমন করে তখন আমার থেকে সমস্ত আযাব লাঘব করা হয়,
বিস্তারিত

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ও আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণের দৃষ্টিতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


মুসলমান মাত্রই ‘শাহরুল আ’যম, মাহে রবীউল আউয়াল শরীফ এবং সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ বা সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর’ সম্পর্কে ইলম হাছিল করা প্রধান ফরয। এবং তা পালন করাও বিশেষ ফরয। মূলকথা হলো- পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-ই হচ্ছে কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ; যা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ বা সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর। আর এটা পালন করা মুসলমানদের জন্য তো অবশ্যই বরং সমস্ত কায়িনাতের জন্যই ফরয-ওয়াজিব।

নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের দৃষ্টিতে সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর গুরুত্ব ও ফযীলত:
(১) খলীফাতু রসুলিল্লাহ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন -
“যে ব্যক্তি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মীলাদ শরীফ পাঠ (মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপলক্ষ্যে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকবে।” (সুবহানাল্লাহ্) (আন্ নি’মাতুল কুবরা)
বিস্তারিত

মীলাদ শরীফ-কিয়াম শরীফ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের যামানাতেই ছিল


মীলাদ শব্দের অর্থ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছানা-ছিফত করা ও তাঁর প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা। অতএব, তা আল্লাহ পাক ও তাঁর রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামসহ সবারই সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। আমরা যেভাবে মজলিস করে মীলাদ মাহফিল করে থাকি তা খোদ আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুগণের যামানাতেই ছিল।

বিস্তারিত

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর মহিমান্বিত সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর মহিমান্বিত দিনটিই সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান ও সবচেয়ে বড় ঈদের দিন। এ ঈদ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা সকলের জন্যেই ফরযে আইন তো অবশ্যই ফরযে আকবারেরও অন্তর্ভুক্ত
الحمد لله رب العلمين والصلاة والسلام على سيد الانبياء والـمرسلين وعلى ازواجه الـمطهرات واهل بيته الـمطهرين واصحابه الـمرضيين واله الـمكرمين و اولاده الشيخ الامام الـمجدد الاعظم واهل بيته الـمعظمين.

আল্লাহ পাক তিনি মাসসমূহের মধ্যে রবীউল আউয়াল শরীফকে, তারিখসমূহের মধ্যে ১২ই শরীফকে এবং দিনসমূহের মধ্যে সোমবার শরীফকে উনার প্রিয়তম হাবীব, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ ও বিছাল শরীফ-এর জন্য পছন্দ করেছেন। তাই উক্ত মুবারক মাস, মুবারক তারিখ, ও মুবারক দিনটি আল্লাহ পাক উনার নিকট যেরূপ সবচেয়ে প্রিয়, পবিত্র, শ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত তদ্রূপ বান্দা ও উম্মতের জন্যও তা সবচেয়ে প্রিয়, পবিত্র, শ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত। আর একারণে ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ মুবারক দিনটি বান্দা ও উম্মতের জন্য সবচেয়ে খুশির, সবচেয়ে আনন্দের, সবচেয়ে মহান ও সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন হিসেবে সাব্যস্ত ও গণ্য হয়েছে। কারণ এ মুবারক দিনটি যদি উনার বিলাদত শরীফ তথা শুভাগমনের অন্তর্ভুক্ত না হতো তাহলে শবে ক্বদর, শবে বরাত, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, জুমুয়াহ,আরাফাহ ইত্যাদি ফযীলতপূর্ণ কোন দিন-রাতেরই আগমন ঘটতো না। শুধু তাই নয়, কুরআন শরীফ নাযিল হতো না, দ্বীন ইসলাম আসতো না, কোনো মু’মিন মুসলমান এবং কোনো বান্দা উম্মতেরও অস্তিত্ব থাকতো না। ফলে, শরীয়ত এ মুবারক দিনটিকে নির্ধারণ করেছে সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান ও সবচেয়ে বড় ঈদের দিন হিসেবে যাকে আরবীতে ‘সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদুল ঈদিল আ’যম ও সাইয়্যিদুল ঈদিল আকবার বলা হয় এবং এ ঈদ পালন করাকে ফরযে আইন সাব্যস্ত করেছে।


বিস্তারিত

সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম পবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ মাসের ফযীলত




وما ارسلنك الا رحمة للعالمين
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! নিশ্চয়ই আমি আপনাকে তামাম আলমের জন্য রহমত স্বরূপ পাঠিয়েছি।” (সূরা আম্বিয়া : আয়াত শরীফ ১০৭)

১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ সোমবার দিন। এ দিনে শান্তি ও মুক্তির সওগাত নিয়ে সর্বকালের মানুষের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ নিয়ে এ ধরাধামে তাশরীফ আনেন ‘রহমতুল্লিল আলামীন’ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।


পৃথিবীর ইতিহাসে বহুদিন ও তারিখ বিভিন্নভাবে মানবজাতির নিকট স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে আছে। কিন্তু ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ সোমবার সবার উপরে শ্রেষ্ঠত্ব ও স্বাতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত এক দিন। এ দিনটি মহিমান্বিত ও গৌরবান্বিত। এ দিনটি কেবল মানবজাতির জন্য নয়, কেবল সৃষ্টির জন্য নয়, স্বয়ং স্রষ্টার জন্যও কাঙ্খিত ও প্রিয় দিন।

বিস্তারিত

১২ই রবীউল আউয়াল শরীফকে মীলাদুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-ই বলতে হবে; ‘সীরাতুন্‌ নবী’ নয়।


“১২ই রবীউল আউয়াল শরীফকে মীলাদুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-ই বলতে হবে; ‘সীরাতুন্‌ নবী’ নয়। যারা ঈদে মীলাদুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সীরাতুন্‌ নবী নামকরণ করতে চায় তারা শুধু জাহিলই নয় বরং আশাদ্দুদ্‌ দরজার জাহিলও বটে।” 

এখন কিছু লোক রয়েছে বদ মাযহাব, বদ আক্বীদা যাদের ইলম-কালাম নেই বললেই চলে। এদেরকে এক কথায় আশাদ্দুদ্‌ দরজার জাহিলও বলা যেতে পারে। তাদের আক্বীদায় অনেক ত্রুটি রয়েছে, কুফরী রয়েছে। এরা প্রকৃতপক্ষে মুসলমানের ছূরতে মুনাফিকের অন্তর্ভুক্ত। এদের মধ্যে অনেকে বলে থাকে যে, ‘মীলাদুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ এটা শুদ্ধ নয়, ‘সীরাতুন্‌ নবী’ বলতে হবে। (নাঊযুবিল্লাহ) প্রকৃতপক্ষে এরা হচ্ছে আশাদ্দুদ্‌ দরজার জাহিল যেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বিস্তারিত

১২ রবিউল আউয়াল শরীফই হলো হুজুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের সঠিক তারিখ

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর তারিখ নিয়ে অনেক বদ মাযহাব, বদ আক্বীদা ও কাফির মুশরিকরা মতানৈক্য করে থাকে। অথচ কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস দ্বারাই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর তারিখ রয়েছে।
আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন-
يا ايها الذين امنوا اطيعوا الله واطيعوا الرسول واولى الامر منكم فان تنازعتم فى شىء فردوه الى الله والرسول .
অর্থ: “হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহ পাক- উনার ইতায়াত করো এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার ইতায়াত করো এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল আমরউনাদের ইতায়াত করো। 
অতঃপর যখন কোন বিষয়ে উলিল আমরগণ উনাদের মাঝে ইখতিলাফ দেখতে পাবে, তখন (সে বিষয়টি ফায়সালার জন্য) তোমরা আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের দিকে প্রত্যাবর্তন করো, অর্র্থাৎ যে উলিল-আমরের কুরআন-সুন্নাহর দলীল বেশি হবে- উনারটিই গ্রহণ করো।” সুবহানাল্লাহ!(সূরা নিসা : আয়াত শরীফ- ৫৯)
বিস্তারিত

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খরচ করা বা খিদমতের আঞ্জাম দেয়ার ফযীলত

সাধারণভাবে দান করার ফযীলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “যে একটি নেকী করবে তাকে এর বিনিময়ে কমপক্ষে দশটি ছওয়াব দেয়া হবে।”(সূরা আনয়াম :আয়াত শরীফ ১৬০) অর্থাৎ আমভাবে এক টাকা দান করলে দশ টাকা দান করার ফযীলত পাওয়া যায়।

“মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় খরচ করার মেছাল হচ্ছে- যেমন, একটি বীজ থেকে সাতটি শীষযুক্ত গাছ উৎপন্ন হলো। প্রতিটি শীষে একশটি করে বীজ বা দানা উৎপন্ন হলো অর্থাৎ সাতটি শীষে ৭০০টি বীজ বা দানা উৎপন্ন হলো, আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা এর চেয়ে বহুগুণ বেশী দিয়ে থাকেন। আল্লাহ পাক তিনি প্রশস্তকারী ও অধিক জ্ঞানী।” (সূরা বাক্বারাহ-২৬১) এ আয়াত শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় খরচ করার ফযীলত হচ্ছে, একে সাতশত গুন। তবে নিয়ত বা খুলূছিয়তের কারণে কম বেশী হতে পারে।
বিস্তারিত

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং নিজেই সর্বপ্রথম পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেন।


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত, ছানা-ছিফত, প্রশংসা তথা মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে সর্বপ্রথম ঈদ পালন করেছেন মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন তিনি স্বয়ং নিজে। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন- “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি স্মরণ করুন সেই সময়ের কথা) যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি আলমে আরওয়াহতে সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের কাছ থেকে ওয়াদা নিয়েছিলেন যে, আপনাদেরকে আমি কিতাব ও হিকমত দান করবো। অতঃপর আপনাদেরকে সত্য প্রতিপাদনের জন্য (নুবুওওয়াত ও রিসালতের হাক্বীক্বী ফায়িজ দেয়ার জন্য) আখিরী রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রেরণ করবো। আপনারা উনাকে নবী ও রসূল হিসেবে মেনে নিবেন এবং সর্ববিষয়ে উনার খিদমত করবেন (উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ঈদ পালন করবেন)। আপনারা কি এই ওয়াদার কথা মেনে নিলেন? উত্তরে উনারা সকলে বললেন, হ্যাঁ- আমরা এই ওয়াদা স্বীকার করে নিলাম (অর্থাৎ আমরা যমীনে গিয়ে আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ঈদ পালন করবো)। তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন: আপনারা সাক্ষী থাকুন, আমিও আপনাদের সাথে সাক্ষী হয়ে গেলাম। তবে জেনে রাখুন, যারা এই ওয়াদাকৃত বিষয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে (যারা মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ঈদ পালন করবে না বা এর বিরোধিতা করবে) তারা চরম পর্যায়ের ফাসিক (ও কাফির) হয়ে যাবে।” (সূরা আলে ইমরান : আয়াত শরীফ ৮১-৮২)
বিস্তারিত

ঈদে মীলাদুন নবী’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো

ছলাত-খুতবা না থাকলেও ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ পবিত্র ঈদের দিন, উপরন্তু সাইয়্যিদুল আ'ইয়াদ
ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার জাহিল উলামায়ে সূ’রা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, ‘ঈদে মীলাদুন নবী’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো, তবে এখানে ছলাত থাকতো, খুতবা থাকতো। ছলাত ডবল হতো, খুতবা ডবল হতো। কিন্তু এখানে ছলাত, খুতবা নেই।’ নাঊযুবিল্লাহ!

এর জাওয়াব হলো:- পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ অর্থাৎ সকল ঈদের সেরা ঈদ সেহেতু এ ঈদে এমন ছলাত রয়েছে যেই ছলাত শুধু ডবলই নয় বরং দায়িমী ছলাত। এ ছলাত শুরু হয়েছে সৃষ্টির শুরু থেকে এবং এটা জারী থাকবে অনন্তকাল ধরে। কারণ এ ছলাত স্বয়ং আল্লাহ পাক পড়েন। সুবহানাল্লাহ!
বিস্তারিত

হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উনার প্রকৃত তারিখ হচ্ছে ১২ ই রবীউল আউওয়াল শরীফ (১)



ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার জাহিল উলামায়ে সূ’রা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, ‘নবীজীর জন্ম তারিখ নিয়ে মতভেদ আছে।’

এর জাওয়াব হলো- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার বিলাদত শরীফ-এর সঠিক তারিখ ১২ই রবীউল শরীফ সম্পর্কে যারা চু-চেরা করে থাকে তারা দু’ দিক থেকে কাফির।

প্রথমত তারা হাদীছ শরীফ-এর বর্ণনাকে অস্বীকার করার কারণে কাফির। যেমন হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-
روى ابو بكر ابن ابى الشيبة بسند الصحيح عن عفان عن سعيد بن مينا عن جابر وابن عباس رضى الله تعالى عنهما قالا ولد رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفيل يوم الاثنين الثانى عشر من شهر ربيع الاول.
অর্থ: হযরত হাফিয আবূ বকর ইবনে আবী শায়বাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি ছহীহ সনদ সহকারে বর্ণনা করেছেন, হযরত আফফান রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিত।
বিস্তারিত

হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উনার প্রকৃত তারিখ হচ্ছে ১২ ই রবীউল আউওয়াল শরীফ (২)



ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার জাহিল উলামায়ে সূ’রা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, “নবীজীর জন্ম তারিখ নিয়ে মতভেদ আছে। তাই মতভেদ সম্পর্কিত বিষয় পালন করা ঠিক নয়।”

এর জাওয়াব হলোঃ উলামায়ে সূ’দের উক্ত কথা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর খিলাফ হওয়ার কারণে কুফরী হয়েছে। কারণ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর নির্দেশ হলো যে, মতভেদ সম্পর্কিত বিষয় পালন বা আমল করা অবশ্যই ঠিক।

এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ পাক ইরশাদ করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ أَطِيعُواْ اللّهَ وَأَطِيعُواْ الرَّسُولَ وَأُوْلِي الأَمْرِ مِنكُمْ فَإِن تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللّهِ وَالرَّسُولِ.
অর্থ: “হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহ পাক- উনার ইতায়াত করো এবং হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার ইতায়াত করো এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল আমর উনাদের ইতায়াত করো। অতঃপর যখন কোন বিষয়ে উলিল আমরগণের মাঝে ইখতিলাফ দেখতে পাবে তখন (সে বিষয়টি ফায়সালার জন্য) তোমরা আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করো অর্থাৎ যে উলিল-আমরের কুরআন-সুন্নাহ্র দলীল বেশি হবে উনারটিই গ্রহণ করো।” (সূরা নিসা, আয়াত শরীফ ৫৯)
বিস্তারিত

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনোই জন্মাষ্টমী, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা ক্রিস্টমাস ডে থেকে আসে নি


ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার জাহিল উলামায়ে সূ’রা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, জন্মাষ্টমী, বৌদ্ধপূর্ণিমা, যিশুর জন্ম দিনের মত ঈদে মীলাদুন নবী নামে বিধর্মীয় সংস্কৃতি পালন করা হচ্ছে । নাঊযুবিল্লাহ!

এর জাওয়াব হলো- উলামায়ে সূ’দের উক্ত বক্তব্য হাদীছ শরীফ-এর সরাসরি মুখালিফ বা বিরোধী হওয়ার কারণে কাট্টা কুফরী হয়েছে। কারণ হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-
عن ابى الدرداء رضى الله تعالى عنه انه مر مع النبى صلى الله عليه وسلم الى بيت عامر الانصارى وكان يعلم وقائع ولادته صلى الله عليه وسلم لا بنائه وعشيرته ويقول هذا اليوم هذا اليوم فقال عليه الصلوة والسلام ان الله فتح لك ابواب الرحمة والملائكة كلهم يستغفرون لك من فعل فعلك نجى نجتك.
অর্থ: হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি উনার সন্তান-সন্তানাদি এবং আত্মীয়-স্বজন, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে নিয়ে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছেন
বিস্তারিত

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শরীয়তে ফযীলতপূর্ণ‌ বিশেষ দিবস ও বার্ষিকী পালনের প্রথা বন্ধ করা হয় নি


ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার উলামায়ে সূ’ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, ‘নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছাড়াও ইসলামে কম-বেশি সোয়া লাখের মত নবী-রসূল, সোয়া লাখের বেশি ছাহাবী, লক্ষ লক্ষ গাওছ, কুতুব আওলিয়ার জামাত ছিলেন। তাহলে এতজনের বার্ষিকী কিভাবে পালন সম্ভব। তাই ইসলাম বার্ষিকী পালনের প্রথা বন্ধ করে দিয়েছে।’ নাঊযুবিল্লাহ!

এর জাওয়াব হলো:- জাহিল, গুমরাহ, ভ- উলামায়ে সূ’দের উক্ত বক্তব্য ডাহা মিথ্যা, মনগড়া, দলীলবিহীন এবং তা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর মুখালিফ হওয়ার কারণে কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

কেননা হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, যখন নূরে নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরত করে মদীনা শরীফ-এ তাশরীফ নিলেন, সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পেলেন ইহুদী সম্প্রদায় আশূরার দিন রোযা রাখছে। তাদেরকে রোযা রাখতে দেখে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে ইহুদী সম্প্রদায়! তোমরা এ দিনে কেন রোযা রাখছো?’ তারা বলল, এই দিনে আমাদের যিনি নবী ও রসূল হযরত মূসা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি আল্লাহ পাক তাওরাত শরীফ নাযিল করেছিলেন
বিস্তারিত