যে কোন দিবস কিংবা দিবস ছাড়া নেক আমল করা কি ইসলামে নিষেধ ?

যে কোন দিবস কিংবা দিবস ছাড়া নেক আমল করা কি ইসলামে নিষেধ ?
অনেক আলেম নামধারী নিজের অজ্ঞতার জন্য বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে কিংবা দিবস ছাড়া আমল করাকে বিদয়াত বলতে বলতে মুখে ফেনা তোলে! নাউযুবিল্লাহ।
এই যেমন শবে মিরাজ উপলক্ষে অনেক তথাকথিত টাইটেলধারী অপপ্রচার করে এ দিবসে নাকি ইবাদত করার কথা নাই। নাউযুবিল্লাহ। অথচ এ দিবস উপলক্ষে আমল করার কথা হাদিস শরীফে উল্লেখ আছে।
প্রশ্ন হল ইসলামের কোথাও কি লিখা আছে দিবস কিংবা দিবস ছাড়া আমল করা যাবেনা? বরং আল্লাহ পাক বেশি বেশি করে আমল করার তাগিদ দিয়েছেন। এবার দিবস উপলক্ষে হোক কিংবা বা হোক। 
১. মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি এক জাররা পরিমাণ নেক কাজ করবে তার বিনিময় (ছওয়াব) সে পাবে। আর যে ব্যক্তি এক জাররা পরিমাণ পাপ বা গুনাহ করবে তার বদলা (শাস্তি) সে ভোগ করবে।’(সূরা যিলযাল ৭-৮) 
২. হযরত আবু যর গিফারী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত:রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আসসালাম বলেছেন;
মহান আল্লাহ বলেন “যে একটি নেককাজ করবে সে এর দশগুন সওয়াব পাবে বা আমি তাকে আরো অধিক পরিমাণ প্রদাণ করবো।আর যে একটি গুনাহ করবে সে কেবল একটি গুনাহের-ই শাস্তি পাবে বা আমি তাকে ক্ষমা করে দেব।শোন হে মানবসকল,যে আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসবে আমি তার দিকে একহাত নিকটবর্তী হবো।যে ব্যক্তি আমার দিকে এক হাত নিকটবর্তী হবে আমি তার দিকে দুইহাত নিকটবর্তী হবো…যে ব্যক্তি পায়ে হেঁটে আমার দিকে অগ্রসর হবে আমি তার দিকে দৌড়ে যাবো। যে ব্যক্তি পৃথিবী সমান গুনাহ করবে তার জন্য আমি অনুরূপ ক্ষমা সহ অপেক্ষা করবো (শর্ত থাকে যে সে আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না)।” [বুখারী ও মুসলিম]।
নেককাজের এ সওয়াবের অঙ্গীকার কোন মানুষের জন্য করা হচ্ছে না। অঙ্গীকার করা হচ্ছে আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে। বিশেষ কোন নেক আমলের জন্যও এ সওয়াব নির্ধারন করেন নি। বরং তিনি বলেছেন যে কোন নেক আমল হোক না কেন, সে ইবাদত ফরয হোক বা নফল। প্রত্যেকটির সওয়াব দশগুন দেওয়া হবে।
৩. হযরত আবু হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত রাসুলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন "আমার বান্দা নফল ইবাদত (সাধনা)র মাধ্যমে আমার এতই নিকটবর্তী হয়ে যায় এক পর্যায়ে আমি নিজেই তাকে ভালবাসি। আর আমি যখন কাউকে ভালবাসি তখন আমি তার কান হয়ে যাই যা দ্বারা সে শুনে, আমি তার চক্ষু হয়ে যাই যা দ্বারা সে দেখে, আমি তার হাত হয়ে যাই যা দ্বারা সে ধরে, তার পা আমার কুদরতী দ্বারা শক্তিশালী হয়ে যাই যা দ্বারা সে চলে। এমতাবস্থায় সে আমার কাছে কিছু চাইলে আমি তা অবশ্যই দান করি। (বুখারি শরীফ ২য় খন্ড, মেশকাত শরীফ-১৯৭ পৃষ্ঠা)
দেখা যাচ্ছে ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত আদায় করার পরেও আল্লাহ পাকের নৈকট্য হাছিল করার অন্যতম মাধ্যম হল নফল ইবাদত। 
এখন কোন দিবস উপলক্ষ করে কিংবা না করে কেউ যদি -
কোরান শরীফ তিলওয়াত,
দরুদ ,
দোয়া -মুনাজাত,
তওবা ইস্তিগফার,
নফল নামাজ,
রোজা রাখা, 
ওয়াজ মাহফিল করে তাহলে সে তো নেক কাজে মশগুল থেকে আল্লাহ পাকের আদেশ পালন করছে। আল্লাহ পাক বলেন- 
“তোমরা নেকী ও পরহেযগারীতে সাহায্য করো, পাপ ও শত্রুতার মাঝে সাহায্য করো না। (এই বিষয়ে) মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা। (সূরা মায়িদা শরীফঃ ২)
যারা বিদয়াত বলে নেক আমলে বাধা দিয়ে তারা কার আদেশ অস্বীকার করছে ?
কাকে ভুল প্রমাণ করছে ? নাউযুবিল্লাহ 
মূলত যারা নেক আমলে বাধা দেয় তারা বাতিল ,গোমরাহ, ইবলিশের অনুচর ।
এদের থেকে দূরে থাকুন 

বিস্তারিত

যারা ঈদ-ই-মীলাদুন্ নবী উদযাপনকে লাহাবী উৎসব বলে তারা লাহাবী সন্তান।

যারা ঈদ-ই-মীলাদুন্ নবী উদযাপনকে লাহাবী উৎসব বলে তারা লাহাবী সন্তান।
 ঈদ-ই-মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের মত খোদায়ী ঈদ, মুত্তালিবী ঈদ, রসূল প্রেমিকদের ঈদ, সকল ঈদের ঈদ সে বিষয়টিকে মূল্যায়ণ না দিয়ে বাতিল ফিরকারা উল্লেখ করছে যে, " জন্মদিন পালন করা খৃষ্টানদের রীতি। অথচ এর পিছনে যে কোন ভিত্তি নেই যা তারাও জানে তাদের গুরু শয়তানও জানে।" 

“Encyclopedia Americana”- তে উল্লেখ আছে, BIRTHDAYS, anniversaries of the day of birth. The practice of markaing an individual’s exact reckoning of time by a fix Calendar.
The custom of observing birthday’s, althangh an ancient one and at present very popular in many countries is, far from being universal.
বিস্তারিত

সউদি আরবের ৮৩ তম জাতীয় দিবসের কেক , ইহা কি বিদয়াত নয় ?

বিস্তারিত

কুরআন শরীফেই মীলাদুন্নবী উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার কথা আছে কি না !

কুরআন শরীফেই মীলাদুন্নবী উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার কথা আছে কি না !
পবিত্র কুরআন শরীফেই রয়েছে-একমাত্র ঈমানদারগণই ঈদে মীলাদুন নবী বা নবীজির আগমণ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করতে পারবেন এবং যারা করবে না তাদের জন্য রয়েছে কঠিন আযাব
পবিত্র কুরআন পাকে সূরা্ ইউনুসের মধ্যে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন-
হে রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আপনি বলে দিন, তারা যে মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে ফযল ও রহমত (স্বরূপ আপনাকে পেয়েছে), সে জন্য তারা যেনো খুশি প্রকাশ করে। নিশ্চয় তাদের এ খুশি প্রকাশ করাটা তাদের সমস্ত সঞ্চয়ের (নেক আমল ও সম্পদ) থেকে উত্তম। (সূরা ইউনুস শরীফ : ৫৮)
আবার সূরা তওবার ৬১ নং আয়াতে বলা হচ্ছে-
“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমানদার তাদের জন্য রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন রহমত বিশেষ আর যারা আল্লাহর রাসূলের প্রতি কুৎসা রটনা করে (রাসূলকে রহমত হিসেবে স্বীকার করে না), তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব" (তওবা:৬১)
বিস্তারিত

ঈদে মীলাদুন্নবী নিয়ে জুনায়েদ বাবুনগরীর মিথ্যাচারের জবাব

ঈদে মীলাদুন্নবী নিয়ে জুনায়েদ বাবুনগরীর মিথ্যাচারের জবাব
দেওবন্দী/কওমী/হেফাজতিদের গুরু জুনায়েদ বাবু নগরী তার মিলাদ বিরোধী লিখায় শায়েখ আব্দুল আযীয দেহলবী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি কে একজন মিলাদ বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করতে গিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে লিখে –
১. “ হযরত শাহ্ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিসে দেহলবী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি কে জিজ্ঞাসা করা হয়, রবীউল আউয়াল মাসে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করে এর সওয়াব রাসলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রূহে পৌঁছানো, তেমনি মুহাররম মাসে হযরত হুসাইন আলাইহিস সালাম ও অন্যান্য আহলে বাইতের ঈসালে সাওয়াব উদ্দেশ্যে খানাপিনার আয়োজন করা কি জায়েয? উত্তরে তিনি বলেন, “নিজের আমলের সাওয়াব কোন বুযুর্গ ব্যক্তিকে বখশিশ করার ইখতিয়ার মানুষের আছে। তবে এর জন্য কোন মাস বা দিন-কাল নির্দিষ্ট করা বিদ্আত।“ (ফাতওয়ায়ে আযীযী-১৭৬)।
বিস্তারিত

কোর্ট টাই বিদয়াত

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ

১. “যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাথে সামঞ্জস্য রাখল সে তাদের অন্তর্ভুক্ত”।
আবু দাউদঃ ৩৫১৪
২. “যে কোন কওমের সাথে সামঞ্জস্য রাখল, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত”।
আবু দাউদঃ ৩৫১৪, আহমদঃ ৫১০৬,
ইকতিদাউস সিরাতুল মুস্তাকিমঃ ১/২৪০,
ফাতহুল বারিঃ ১১/৪৪৩
বিস্তারিত

ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময় শয়তান ও তার সহযোগীরা ছাড়া সবাই দিনটিকে উদযাপন করেন,

ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময় শয়তান ও তার সহযোগীরা ছাড়া সবাই দিনটিকে উদযাপন করেন,

কেননা শয়তান চার বার উচ্চস্বরে কেঁদেছিল -

  • প্রথমবার যখন আল্লাহতা’লা তাকে অভিশপ্ত আখ্যা দেন; 
  • দ্বিতীয়বার যখন তাকে বেহেশ্ত থেকে বের করে দেয়া হয়; 
  • তৃতীয়বার যখন হুযুর পাক  ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বেলাদত তথা ধরাধামে শুভাগমন হয়;

এবং

  • চতুর্থবার যখন সূরা ফাতেহা নাযেল তথা অবতীর্ণ হয় 
[ইবনে কাসীর কৃত আল- বেদায়া ওয়ান্ নেহায়া, ২য় খণ্ড, ১৬৬ পৃষ্ঠা] |

এ পৃথিবীতে যত নেয়ামত রয়েছে বা এসেছে এর চেয়ে সবচেয়ে বড় নেয়ামত হচ্ছে হাবিবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম | আল্লাহর এই নেয়ামত ও অনুগ্রহকে কেন্দ্র করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ও আনন্দ উদযাপন করার
নির্দেশ স্বয়ং রাব্বুল আলামিন দিয়েছেন যার প্রমান উপরোক্ত পবিত্র কোরআনের আয়াত | অতএব নবীজির শুভাগমনের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নেয়ামত আর কি হতে পারে ?
 
বিস্তারিত

ফিরিশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মিলাদ্দুননবি পালন

ফিরিশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মিলাদ্দুননবি পালন
ফেরেস্তাগনের কিয়াম : দিবা -রাত্রি ২৪ ঘন্টা :

আল্লাহর ৭০ হাজার ফেরেস্তা সর্বদা হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রওজা মোবারক দাড়িয়ে দাঁড়িয়ে নুরের পাখা রওজা মোবারকে সামিয়ানার মত বিস্তার করে দুরূদ ও সালাম পেশ করে থাকেন | অথচ আমরা ফেরেস্তাদের অনুকরনে ৫/১০ মিনিট দাড়িয়ে দুরূদ ও সালাম পেশ করলে বেদাত হয়ে যায় বলে এক শ্রেনীর আলেম ও মুসলমান নামধারী দুশমনে রাসুলরা ফতোয়া দিয় বসে ! ফেরেস্তারাও কি তাহলে বেদাতে লিপ্ত ?
বিস্তারিত

দেওবন্দিদের কাছে মিলাদ শরীফের প্রমান


বর্তমানের দেওবন্দীরা যে সত্যিকারের মুর্খ , পাগল আর বাতিলপন্থী ওহাবী তা তাদের আকীদাগত কার্যকলাপ আর
পাইকারী ফতুয়াবাজি থেকে সহজেই অনুধাবন করা যায় | তাদের যদি নুন্যতম কোরআন হাদিসের জ্ঞান আর তাদের
পূর্বসুরী দেওবন্দীদের কিতাব সম্পর্কে সামান্য ধারণা থাকতো তাহলে এরা মিলাদ কিয়ামের বিপক্ষে পাইকারীভাবে শিরক , বেদাত ও কুফরের ফতুয়াবাজি করতো না আর তাদের পূর্বসুরী মুরব্বীদেরকেও কাফের বানিয়ে বাতিলের খাতায় ফেলতো না | মিলাদ কিয়ামের পক্ষে দেওবন্দী আলেমদের কিতাব হতে কিছু দলিল প্রমান অতি সংক্ষেপে আপনাদের খেদমতে পেশ করছি আর বর্তমান দেওবন্দীদের মুখোশ উন্মোচন করছি |

বিস্তারিত

খোলাফায়ে রাশেদিন আলাইহিমুস সালাম উনাদের ঈদে মিলাদুননবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন

সাহাবায়ে কেরাম হলেন সত্যের মাপকাঠি , ঈমানের মানদন্ড |

উম্মতে মুহম্মদি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  মধ্যে সবচেয়ে বেশি মর্যাদার অধিকারী হলেন সাহাবায়ে কেরামগণ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগন।  উনারা আল্লাহকে রাজি করিয়েছেন এবং আল্লাহ পাকও উনাদের প্রতি খুশি হয়েছেন । তাইতো উনাদের পদবী রাদি আল্লাহু তাআলা আনহু |

বিস্তারিত

সমগ্র পৃথিবীতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতীয় ভাবে পালন হতো তার প্রমাণ

সমগ্র পৃথিবীতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতীয় ভাবে পালন হতো তার প্রমাণ


সমগ্র বিশ্বে এক নামে স্বীকৃত একজন মুহাদ্দিস হচ্ছেন হযরত মোল্লা আলী ক্বারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি। আজ থেকে পাঁচশত বছর পূর্বে উনার জন্ম। তিনি ইলমে হাদীসের জ্ঞান অর্জন করতে মক্কা শরীফ শরীফ মদীনা শরীফ সব স্থানে ভ্রমন করেন। সকল মাদ্রাসায় পঠিত এবং সকল উছুলে হাদীস শরীফের কিতাবে উনার নাম স্ব মহিমায় উজ্জ্বল দীপ্তি ছড়াচ্ছে। তাঁর রচিত মেশকাত শরীফ এর ব্যাখ্যা গ্রন্থ “মেরক্বাত শরীফ” সারা পৃথিবীতে একটি আলোড়ন সৃষ্টি কারী কিতাব। তিনি সারাটা জীবন অসংখ্য কিতাব রচনা করে মুসলিম জাহানের জন্য এক বিশাল নিয়ামত রেখে গিয়েছেন। 
উনার অসংখ্য কিতাবের মধ্যে একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক গ্রন্থের নাম হচ্ছে “আল মাওরিদুর রাভী ফি মাওলিদিন নাব্যিয়”। এ কিতাবে তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন তথা মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ থেকে দলীল পেশ করেছেন। এবং সেই সাথে একটা বিষয় উল্লেখ করেছেন সেটা হচ্ছে, “সারা পৃথিবীর সকল দেশে যে যাঁকজমকের সাথে ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন হতো তার ঐতিহাসিক প্রনান উল্লেখ করেছেন।” আমরা উক্ত কিতাব থেকে সে ঐতিহাসিক বর্ননা গুলো উল্লেখ করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ !
বিস্তারিত

হযরত নবী-রসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ঈদে মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন ।


১. হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু করে প্রত্যেক নবী-রসুল আলাইহিমুস সালাম নিজ নিজ যুগে আমাদের প্রিয়নবী ও আল্লাহ পাক প্রিয় হাবিব হুযুর পাক  ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আবির্ভাবের সুসংবাদ দিয়ে গেছেন | হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার প্রিয় পুত্র ও প্রতিনিধি হযরত শীস আলাইহিস সালাম উনাকে নুরে মুহাম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তাজিম করার জন্য নিম্ন অসিয়ত করে গেছেন |

বিস্তারিত

সাহাবা যুগে মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাহফিলের প্রমান


হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম উনার উপস্থিতিতে সাহাবায়ে কেরাম মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠান করেছেন |
নিম্নে কয়েকটি প্রমান :

১. হযরত আল্লামা জালাল উদ্দীন সূয়ুতী রহমতুল্লাহি আলাইহি যার সনদ সহ প্রায় ২ লক্ষ হাদিস শরীফ মুখস্থ ছিল সেই
তাজুল মুফাস্সিরীন মোহাদ্দেস মুসান্নিফ সুয়ুতি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিখ্যাত কিতাব " সুবলুল

হুদা ফি মাওলেদে মুস্তাফা আলাইহি ওয়া সাল্লাম "" এ দুই খানা সহি হাদিস শরীফ বর্ণনা করেছেন |
বিস্তারিত

হাদিস শরিফে ঈদে মিলাদুননবি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের দলীল


মিলাদুন্নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পক্ষে শত শত সহি হাদিস শরীফ থেকে কিছু হাদিস শরীফ আপনাদের খেদমতে উপস্থাপন করছি | রাহমাতুল্লিল আলামিন হুজুর পুর নূর ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই নিজের মিলাদ পালন করেছেন |
১. এই প্রসঙ্গে পবিত্র হাদিস শরীফে এরশাদ হয়েছে ,
 " ﻋَﻦْ ﺍَﺑِﻰ ﻗَﺘَﺪَﺓَ ﺍﻻَﻧْﺼﺎَﺭِﻯ ﺭَﺿِﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋَﻨﻪُ ﺍَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ
ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺱﺀﻝ ﻋَﻦْ ﺻَﻮْﻡِ ﻳَﻮْﻡ ﺍﻻِﺛْﻨَﻴْﻦِ ﻗَﻞَ ﺫَﺍﻙَ ﻳَﻮْﻡٌ ﻭُﻟِﺪْﺕُ ﻓِﻴْﻪِ ﺑُﻌِﺜْﺖُ ﺍَﻭْﺍُﻧْﺰِﻝَ ﻋَﻠَﻰَّ ﻓِﻴْﻪِ -
অর্থাৎ হজরত আবু কাতাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত , একজন সাহাবী হুজুর পাক সল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে আরজ করলেন ইয়া রাসুলাল্লাহ , ইয়া হাবিবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম   আমার মাতা পিতা আপনার নূরের পাক কদমে কুরবান হোক | আপনি প্রতি সোমবার রোজা পালন করেন কেন ?
জবাবে সরকারে দুজাহান নূরে মুজাস্সাম হাবিবুল্লাহ হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন , এই দিনে আমার জন্ম হয়েছে , এই দিনে আমি প্রেরিত হয়েছি এবং পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ এই দিনেই আমার উপর নাজিল হয়েছে |

বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বুঝতে বিবেক লাগে ...

আনন্দানুষ্ঠানকে মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের ভাষায় বলা হয়েছে ঈদ (عيد)। অভিধানে ঈদ বলতে বুঝায় :  ‘কোন মর্যাদাবান ব্যক্তি অথবা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমবেত হওয়ার দিন বা স্মৃতিচারণের দিবসই ঈদ। কেউ কেউ বলেছেন, ঈদকে এজন্যই ঈদ বলা হয় যে, প্রতিবছর নব আনন্দ নিয়ে তা ফিরে আসে।’ (আল-মুন্জিদ, পৃ. ৫৩৯)

আর মিলাদ ميلاد শব্দের অর্থ وقت الولادة জন্ম সময়। (আল-মুনজিদ, পৃ. ৯১৮)। পারিভাষিক অর্থে মিলাদ বলতে জন্ম সময়, জন্ম বৃত্তান্ত তথা কারো জন্ম তারিখে তার জীবন চরিত আলোচনা ও তার জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণের অঙ্গীকার করা। মিলাদ শব্দটি যদিও আরবি, কিন্তু আমাদের দেশে এর প্রচলন ফারসি ভাষা থেকে হয়েছে। অনেকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট না জেনে এ শব্দটি আরবি ভাষার আঙ্গিকে তুলে ধরে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি করেন। ফারসিতে মিলাদ অর্থ زمان تولد জন্ম সময়। (ফারহাঙ্গে জবানে ফারসি, পৃ. ১০৬৭)

বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করাতে কি সমস্যা?



 ইসলাম এর শুরু হতে শত শত বছর ধরে অনুষ্ঠিত ঈদ-ই-মিলাদুন্নবি হঠাৎ করে বিদায়াত হল কিভাবে ? ইদানিং দেখা যায় ওহাবী, ইহুদী-নাছারা, বাতিল ফিরকাদের প্রদানকৃত টাকা খেয়ে কিছু কিছু ওলামায়ে’ ছু তারা ফতোয়া জারি করে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী বিদায়াত । তাইলে শত শত বছর ধরে যে পালিত হচ্ছে তা কি ছিল ?
বিস্তারিত

স্বয়ং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদে মিলাদুননবী পালন করেছেন ।

১. হযরত আবু কাতাদাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বনর্ণা করেন যে, " হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন ইয়া রসুলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  আপনি সোমবারের দিন কেন রোযা রাখেন, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  ইরশাদ করলেন ওই দিন আমার বিলাদত হয় ,এবং ওই দিন-ই আমার উপর ওহী নাযীল হয়"।

বিস্তারিত

একই দিনে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম ওফাত হয়েছিল কিন্ত সে কারনে দুঃখ কেন মানানো হয় না ।

একই দিনে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম ওফাত হয়েছিল কিন্ত সে কারনে দুঃখ কেন মানানো হয় না ।
 উম্মতদের জন্য হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগমন ও প্রস্থান দুই-ই এক।
হযরত আব্দুল্লা বিন মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বনর্ণা করেছেন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  বলেছেন "আমার প্রকাশ্য জিন্দেগী এবং আমার বিছাল দুই-ই তোমাদের জন্য উত্তম ।

  • শেফা শ রীফ ২য় খন্ড ১৯ পৃঃ

অপর স্থানে এর হিকমত প্রসজ্ঞে বণীর্ত হয়েছে যখন আল্লাহ তায়ালা কোন উম্মতের উপর নিজের খাস করম করতে চান তখন সেই উম্মতের মধ্য থেকে নবীকে বিছাল করিয়ে নেন,এবং তিনি ওই উম্মাতের জন্য শাফায়াতের মাধ্যম হয়ে যান।

  • মুসলিম শরীফ 


বিস্তারিত

হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লামের সঠিক জন্ম তারিখ সমন্ধে ওলামায়ে কেরামগণের মন্তব্য কী ?

১. রসুলে আকরাম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত মোবারক ১২ ই রবিউল আউওয়াল তারিখে হয়েছিল । ইমাম আবু বকর বিন আবি সাঈবা রহমতুল্লাহি আলাইহি বনর্না করেছেন যা আম্মান রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে বণির্ত তিনি সাঈদ বিন মিনা রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে বনর্ণা করেছেন যা হযরত জাবের এ বং হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বণির্ত "হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিলাদত হস্তির বছর ১২ ই রবিউল আউওয়াল তারিখে সোম বারের দিন হয়েছিল " । 
  • সিরাতুন নবুবিয়াহ ইবনে কাসির ১ম খন্ড ১৯৯ পৃঃ,
  • আল বেদায়া ওয়ান নেহায়া ২য় খন্ড ২৬০ পৃঃ

বিস্তারিত

মিলাদ শরীফ সম্পর্কে হাদিসে কিভাবে এসেছে ?

মিলাদ শরীফ সম্পর্কে হাদিসে কিভাবে এসেছে ?

প্রসিদ্ধ হাদিসে বর্নিত

হাযরাত উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা আলাইহাস সালাম বর্ননা করেছেন যে রসুল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আবু বকর সিদ্দিক আলাইহিস সালাম আমার নিকট নিজ নিজ মিলাদ শরীফের বর্ননা করেছেন (ইমাম বায়হাকী এই বর্ননাটিকেকে হাসান বলেছেন)

— আল যামুল কাবীর লিত তাবরানি ১ম খন্ড ৫৮ পৃ, মযমাঊল যাওয়াঈদ ৯ম খন্ড ৬৩ পৃঃ
বিস্তারিত