কেন মুসলমান নির্যাতিত হচ্ছেন? কি এর প্রতিকার?

কেন মুসলমান নির্যাতিত হচ্ছেন? কি এর প্রতিকার?
আজকে সারা বিশ্বে মুসলমান সারা বিশ্বে কাফির-মুশরিক কতৃক নির্যাতিত।  সম্প্রতি মায়ানমারে জালিম বৌদ্ধ সন্ত্রাসীরা মুসলমানদের কঠিন নির্যাতন করছে।কিন্তু কেন এমন আযাব ? তার কারন আমরা খুজে দেখিনা ।মুলত যত আযাব-গযব তা মানুষের পাপের কারনেই হয় ।  মহান আল্লাহ  পাক ইরশাদ মুবারক করেন-
১. “‘জমিনে -পানিতে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের কৃতকর্মের দরুন। এর দ্বারা আল্লাহ তাদের কিছু কিছু কর্মের শাস্তি আস্বাদন করাতে চান, যাতে তারা (সরল পথে) ফিরে আসে’ (রূম ৩০/৪১)। । 
২.  “আমি কত জনপদ ধ্বংস করেছি এমতাবস্থায় যে, তারা ছিল গোনাহগার। এই সব জনপদ এখন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে এবং কত কূপ পরিত্যক্ত হয়েছে ও কত সুদৃঢ় প্রাসাদ ধ্বংস হয়েছে”। পবিত্র সুরা হজ্ব শরিফ- আয়াত শরিফ  ৪৫ 
৩. “তোমাদেরকে যেসব বিপদাপদ স্পর্শ করে, সেগুলি তোমাদের কৃতকর্মের ফল। তবে অনেক পাপ আল্লাহ ক্ষমা করে থাকেন’ (শূরা ৪২/৩০)।
বিস্তারিত

পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালনের কারণেই বাংলাদেশ উন্নতির চরম শিখরে!

পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালনের কারণেই বাংলাদেশ উন্নতির চরম শিখরে!
বাংলাদেশ কেন খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ন?
বাংলাদেশ কেন রপ্তানিতে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে?
বাংলাদেশে কেন জিডিপি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে?
বাংলাদেশে কেন একের পর এক খনিজ সম্পদ পাওয়া যাচ্ছে?
বাংলাদেশ কেন সব সুচকে এগিয়ে যাচ্ছে?
বাংলাদেশ কেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অভাবনীয় উন্নতি করছে?
বাংলাদেশে কেন শাক সবজি উৎপাদনে স্বয়ংসম্পুর্ন হচ্ছে হচ্ছে?
বাংলাদেশ কেন যেখানে যা কিছুই রোপণ করা হয়না কেন তাই উৎপাদিত হচ্ছে?
বাংলাদেশ কেন বিশ্বের সকল দেশের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে? 

কেন লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা চুরি, দুর্নিতি, পাচার করার পরেও দেশ উন্নতির চরম শিখরে অবস্থান করছে?
বিস্তারিত

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করা বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য ফরয হওয়ার প্রমাণ

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করা বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য ফরয হওয়ার প্রমাণ

উছুলে ফিক্বাহর সমস্ত কিতাবেই উল্লেখ আছে যে-

الامر للوجوب


অর্থাৎ আদেশসূচক বাক্য দ্বারা সাধারণত ফরয-ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়ে থাকে। (উছূলুল বাযদুবী, উছূলুশ শাশী, আল মানার, নূরুল আনওয়ার) যেমন- পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- اقيموا الصلوة অর্থাৎ “তোমরা নামায আদায় কর।” পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এ নির্দেশসূচক বাক্য দ্বারাই নামায ফরয সাব্যস্ত হয়েছে। অনুরূপ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- واعفوا اللحى  অর্থাৎ “তোমরা (পুরুষরা) দাড়ি লম্বা কর।” পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার এ নির্দেশসূচক বাক্য দ্বারাই কমপক্ষে এক মুষ্টি পরিমাণ দাড়ি রাখা ফরয-ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়েছে। ঠিক একইভাবে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা অর্থাৎ ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ সোমবার শরীফ-এ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ করা তথা খুশি প্রকাশ করা বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। কেননা এ ব্যাপারেও পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বহু স্থানে আদেশ-নির্দেশ রয়েছে। যেমন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
বিস্তারিত

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরুদ্ধে যারা ফতওয়া দেয়ার চেষ্টা করে তারা শুধু পথভ্রষ্টই নয়, বরং বদচরিত্রও

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরুদ্ধে যারা ফতওয়া দেয়ার চেষ্টা করে তারা শুধু পথভ্রষ্টই নয়, বরং বদচরিত্রও

অনেক বাতিল ফিরক্বার দল বিশেষ করে কওমী-ওহাবীরা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ বা পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের বিপক্ষে বলতে গিয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ-পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দলিল না দিয়ে বরং পথভ্রষ্ট কওমীদের ‘জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া’ নামক প্রতিষ্ঠানের ফতওয়া বিভাগের একটি দলিল পেশ করে। অথচ উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ছিলো বাংলার যমীনে এক কুখ্যাত ধর্মব্যবসায়ী তথা উলামায়ে সূ এবং বদচরিত্র। সে ব্যক্তিটি হচ্ছে মালানা আজিজুল হক শায়খুল হদছ। তার কথা ও আমলে মিল নেই, এই কথিত শায়খুল হাদীছ (হদছ) আজিজুল হক ১৯৯৯ সালে পর্দার পক্ষে তার এক বইতে সে নিজেই লিখেছে, “রং বেরংয়ের পোশাক, লিপস্টিক লাগানো, পুরুষের সাথে অবৈধ মেলামেশা, থিয়েটার নাটক করা, সভা-সমিতি করা, রাজনৈতিক আসরে নামা, প্রকাশ্যে সভা-সমিতিতে বক্তৃতা দেয়া আর বেশ্যাবৃত্তি করা সমান কথা। শুধু পেশাদারী বেশ্যা নয় অপেশাদার বেশ্যাবৃত্তি করা।” (আল কোরআনের দৃষ্টিতে মহিলাদের পর্দা, ১৩৪ পৃষ্ঠা)
বিস্তারিত

পৃথিবীর ইতিহাসে নজীরবিহীন অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিশেষ শান মুবারক ৬৩ দিনব্যাপী বিশেষ মাহফিল

পৃথিবীর ইতিহাসে নজীরবিহীন অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিশেষ শান মুবারক ৬৩ দিনব্যাপী বিশেষ মাহফিল
খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার কর্তৃক পৃথিবীর ইতিহাসে নজীরবিহীন অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিশেষ শান মুবারক ৬৩ দিনব্যাপী আয়োজিত বিশেষ মাহফিলের ১ম ৩০ দিন প্রতিযোগীতা মাহফিল শেষে ২য় ৩০ দিন বিষয়ভিত্তিক ওয়াজ মাহফিল এবং সবশেষে ৩ দিন পবিত্র সামা শরীফ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। রাজারবাগ শরীফ পবিত্র সুন্নতী জামে মসজিদে এসব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য শাহরুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাসে রাজারবাগ শরীফ সুন্নতি জামে মসজিদে আরো অনেক বিশেষ মাহফিল মুবারক অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রতিদিনই বিশেষ তবারুক বিতরণ করা হয়।
বিস্তারিত

অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত আযিমুশশান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহ্ফিল উনার কেন্দ্রস্থল পবিত্র রাজারবাগ শরীফ কতবেশী মকবুল তার কিঞ্চিত প্রমাণ

অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত আযিমুশশান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহ্ফিল উনার কেন্দ্রস্থল পবিত্র রাজারবাগ শরীফ কতবেশী মকবুল তার কিঞ্চিত প্রমাণ

যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

يَا اَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءتْكُم مَّوْعِظَةٌ مِّن رَّبّكُمْ وَشِفَاء لّمَا فِى الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لّلْمُؤْمِنِينَ قُلْ بِفَضْلِ الله وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْيَفْرَحُواْ هُوَ خَيْرٌ مّمَّا يَجْمَعُوْنَ

অর্থ: “হে মানুষেরা! তোমাদের রব তায়ালা উনার তরফ থেকে তোমাদের নিকট এসেছেন মহাসম্মানিত নছীহতকারী, অন্তরের আরোগ্য দানকারী, হিদায়েত দানকারী এবং মু’মিনদের জন্য রহমত দানকারী। (অতএব হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি (উম্মতদেরকে) বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফদ্বল ও রহমত স্বরূপ আপনাকে যে তারা পেয়েছে, সেজন্য তাদের উচিত খুশি প্রকাশ করা। এই খুশি প্রকাশের আমলটি হবে তাদের সমস্ত নেক আমল অপেক্ষা সর্বোত্তম বা সর্বশ্রেষ্ঠ। (পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

বিস্তারিত

যাদের অন্তরে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত আছে তাদের পক্ষেই শুধুমাত্র পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালন করা সম্ভব

যাদের অন্তরে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত আছে তাদের পক্ষেই শুধুমাত্র পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালন করা সম্ভব

যাদের অন্তরে হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত আছে তাদের পক্ষেই শুধুমাত্র পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ বা নবীজীর আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা সম্ভব। আল্লাহ পাক বলেন, 
النَّبِيُّأَوْلَىٰبِالْمُؤْمِنِينَمِنْأَنفُسِهِمْ
অর্থ: হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের জীবন অপেক্ষা অধিক নিকটবর্তী (সূরা আহযাব ৬)
আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন,
“মদীনাবাসী ও পাশ্ববর্তী পল্লীবাসীদের উচিত নয় রসূলুল্লাহর সঙ্গ ত্যাগ করে পেছনে থেকে যাওয়া এবং রসূলের প্রাণ থেকে নিজেদের প্রাণকে অধিক প্রিয় মনে করা।” (সূরা তওবা ১২০)
হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে-
বিস্তারিত

পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করা খাস সুন্নত এর অন্তর্ভুক্ত

পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করা খাস সুন্নত এর অন্তর্ভুক্ত

মীলাদ শরীফ পাঠ করা অথবা ঈদে মীলাদুননবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা এটা খাস সুন্নত এর অন্তর্ভুক্ত।
হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عن العرباض بن سارية رضي الله عنه قال قال رسول صلي الله عليه و سلم عليكم بسنتي و سنة الخلفاء الراشدين المهدين تمسكوا بها و عضوا عليها بالنواجذ

অর্থ : হযরত ইরবায ইবনে সারিয়া রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের জন্য আমার সুন্নত এবং আমার খুলাফায়ে রাশেদীন রদ্বিয়াল্লাহু আনহুন উনাদের সুন্নত অবশ্যই পালনীয়। তোমরা তা মাড়ির দাঁত দিয়ে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো।”
বিস্তারিত

সর্বশ্রেষ্ঠ তাজদীদ কে জারী করলেন?কি উনার পরিচয় ?

সর্বশ্রেষ্ঠ তাজদীদ কে জারী করলেন?কি উনার পরিচয় ?
কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ট ইবাদত মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ হচ্ছেন ‘নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদত শরীফ উনার দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা এবং তাসবীহ-তাহলীল মুবারক পাঠ করা, উনার পূত-পবিত্র সম্মানিত জীবনী মুবারক উনার সামগ্রিক বিষয়ে আলোচনা করা।’ সুবহানাল্লাহ! আর সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ যেহেতু সমস্ত উম্মত, সমস্ত জিন-ইনসান, সমস্ত মাখলূকাত, সমস্ত কায়িনাতবাসীর জন্য ‘সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ’ তাই যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, ক্বাইয়্যুমুয্‌ যামান, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ্‌, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এই মহাসম্মানিত সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নামকরণ মুবারক করেছেন, ‘সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ’ হিসেবে। সুবহানাল্লাহ!
পরিচয় মুবারক
পঞ্চদশ শতকের যিনি মুজাদ্দিদ এবং যিনি মুজাদ্দিদে আ’যম ওনার মোবারক পরিচয়, আগমনের প্রেক্ষাপট, কারণ ও তাজদীদের ব্যাপ্তির সংক্ষিপ্ত বিবরণ
বিস্তারিত