হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লামের সঠিক জন্ম তারিখ সমন্ধে ওলামায়ে কেরামগণের মন্তব্য কী ?

১. রসুলে আকরাম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত মোবারক ১২ ই রবিউল আউওয়াল তারিখে হয়েছিল । ইমাম আবু বকর বিন আবি সাঈবা রহমতুল্লাহি আলাইহি বনর্না করেছেন যা আম্মান রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে বণির্ত তিনি সাঈদ বিন মিনা রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে বনর্ণা করেছেন যা হযরত জাবের এ বং হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বণির্ত "হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিলাদত হস্তির বছর ১২ ই রবিউল আউওয়াল তারিখে সোম বারের দিন হয়েছিল " । 
  • সিরাতুন নবুবিয়াহ ইবনে কাসির ১ম খন্ড ১৯৯ পৃঃ,
  • আল বেদায়া ওয়ান নেহায়া ২য় খন্ড ২৬০ পৃঃ

বিস্তারিত

মিলাদ শরীফ সম্পর্কে হাদিসে কিভাবে এসেছে ?

মিলাদ শরীফ সম্পর্কে হাদিসে কিভাবে এসেছে ?

প্রসিদ্ধ হাদিসে বর্নিত

হাযরাত উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা আলাইহাস সালাম বর্ননা করেছেন যে রসুল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আবু বকর সিদ্দিক আলাইহিস সালাম আমার নিকট নিজ নিজ মিলাদ শরীফের বর্ননা করেছেন (ইমাম বায়হাকী এই বর্ননাটিকেকে হাসান বলেছেন)

— আল যামুল কাবীর লিত তাবরানি ১ম খন্ড ৫৮ পৃ, মযমাঊল যাওয়াঈদ ৯ম খন্ড ৬৩ পৃঃ
বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুননবী সম্পর্কে ওহাবী-তাবলীগী-দেওবন্দী গুরুদের মতাদর্শ


 আজকের তথাকথিত মালানা, মুফতী, মুহাদ্দিস, শাইখুল হাদীছরা ফতওয়া দেয় যে, “ঈদে মীলানদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বিদায়াত এবং শরীয়তে দুই ঈদের বাইরে তৃতীয় কোনো ঈদ নেই। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।”

যারা এই সব কফুরী ফতওয়া দেয় তারা দেওবন্দী, তাবলীগী, জামাতী, মওদুদী, সালাফী, আহলে হাদীস, লা-মাযহাবী ইত্যাদি দলের অনুসারী। এই সমস্ত দল ওহাবী মতবাদ থেকে সৃষ্টি হয়ে সর্বত্র বিস্তার লাভ করেছে। 

বিস্তারিত

আজকের ঘোর বিরোধীদের পূর্বপুরুষেরাই এ দিবস পালনের ফযীলত বর্ণনা করেছেন

আজ থেকে ১০০ বছর আগেও পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের সম্মানিত ইমাম-খতীবগণ উনারা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত জওক শওকের সাথে পালন করতেন এবং কেউ তার বিরুদ্ধে বললে তাকে মুনাফিক, কাফির বলে ফতওয়া দিতেন।

বিস্তারিত

পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করা খাস সুন্নত এর অন্তর্ভুক্ত

মীলাদ শরীফ পাঠ করা অথবা ঈদে মীলাদুননবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা এটা খাস সুন্নত এর অন্তর্ভুক্ত।
হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عن العرباض بن سارية رضي الله عنه قال قال رسول صلي الله عليه و سلم عليكم بسنتي و سنة الخلفاء الراشدين المهدين تمسكوا بها و عضوا عليها بالنواجذ

অর্থ : হযরত ইরবায ইবনে সারিয়া রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের জন্য আমার সুন্নত এবং আমার খুলাফায়ে রাশেদীন রদ্বিয়াল্লাহু আনহুন উনাদের সুন্নত অবশ্যই পালনীয়। তোমরা তা মাড়ির দাঁত দিয়ে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো।”
বিস্তারিত

যারা সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করে তাদের চরিত্র কেমন?


আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শান উনার বিরোধিতাকারীদের জঘন্য চরিত্র সম্পর্কে স্বয়ং আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: “সে (ওলীদ বিন মুগীরা) মিথ্যে শপথকারী, অপমানিত, নিন্দাকারী, পরের দোষ বর্ণনাকারী, চোগলখোর, সৎকাজে নিষেধকারী, সীমা লঙ্ঘনকারী, পাপিষ্ঠ, বদ-চরিত্র এবং অধিকন্তু সে অবৈধ সন্তান।” (পবিত্র সূরা ক্বলম শরীফ : আয়াত শরীফ ১০-১৩)

বিস্তারিত

পবিত্র মাহে রবীউল আউওয়াল শরীফ ও উনার প্রাসঙ্গিক আলোচনা


কুল-মাখলূক্বাতের নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যমীনে আগমন তথা বিলাদত শরীফ উনার মহিমান্বিত দিনটিই হচ্ছে শ্রেষ্ঠতম ঈদের দিন; যে দিনটি সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদুল ঈদিল আ’যম ও সাইয়্যিদুল ঈদিল আকবার হিসেবে পরিচিত।

বিস্তারিত

ঈদ - ই- মিলাদুন্নবী : যে ঈদ পালন করলে কাফিরেরও কুফরী মিটে যেয়ে নাযাত পায় ।


আমরা সবাই কাট্টা কাফির চির জাহান্নামী আবু লাহাব এর নাম সবাই জানি । দীর্ঘ এক যুগ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দেওয়ার কোশেশ করেছিল । যার সম্পর্কে স্বয়ং আল্লাহ পাক সুরা লাহাব শরীফ নাযিল করেছিলেন । অথচ সেই আবু লাহাব জাহান্নামে থেকেও প্রতি সোমবার শরিফে বিশেষ ব্যবস্থায় আযাব লাঘব হয় ।কিভাবে সম্ভব হল ?

বিস্তারিত

যারা সউদি আরবের দোহাই দিয়ে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী কে বিদায়াত বলে তাদের বিবেক কি মরে গেছে ?


মানুষ কথায় কথায় সাউদি আরবের দোহাই দেয় যে কই ওখানে তো উহা হয়না তাইলে আমরা কেন করব ? ওদের কত বড় বড় আলেম আছে!!!! মাণূষ ইহা চিন্তা করেনা যে তারা আমাদের দলিল না ।
বিস্তারিত

যারা ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালন বিদায়াত বলে তারা নিজের,পরিবারের ও অন্যদের জন্মদিন পালন কিভাবে করে ?



এক শ্রেনীর লোক কম আকল , কম সমঝ ,কম জ্ঞান , জাহিল , ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ এবং নবিজীর গুরুত্ত না বুঝার কারনে ঈই-ই-মিলাদুন্নবীকে বিদায়াত বলে । কিন্তু এরা ঠিকই নিজের , নিজের পরিবারের ও অন্নান্য মানুষের জন্ম দিন ঠিকই পালন করে ।শেখ মুজিব , শেখ হাছিনা,জিয়াউর রাহমান, খালেদা জিয়া, তারেক জিয়ার জন্মদিন তো জাকজমকের সাথে করা হয় । তখন এরা বিদায়াত ফতোয়া দেয়না কেন ? আবার ওলামায়ে,ছু গুলোও এই সকল জন্মদিন এ যেয়ে খুদকুড়ো খায় ।
বিস্তারিত

ইসলাম এর শুরু হতে শত শত বছর ধরে অনুষ্ঠিত ঈদ-ই-মিলাদুন্নবি হঠাৎ করে বিদায়াত হল কিভাবে ?


ইদানিং দেখা যায় ওহাবী, ইহুদী-নাছারা, বাতিল ফিরকাদের প্রদানকৃত টাকা খেয়ে কিছু কিছু ওলামায়ে’ ছু তারা ফতোয়া জারি করে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী বিদায়াত । তাইলে শত শত বছর ধরে যে পালিত হচ্ছে তা কি ছিল ?
তখন কোন আলেম ছিলনা এর বিরুদ্ধে বলার ? বলেন নাই কেন ? মুলত আমরা যদি ইসলাম এর ইতিহাস দেখি তাহলে দেখতে পাই পুর্বের যামানার যারা মুসলমান ছিলেন উনারা অনেক দ্বীনদার আল্লাওয়ালা ছিলেন ।
বিস্তারিত

যারা বলে দুই ঈদ ব্যতীত কোন ঈদ নেই তারা হাদীছ শরীফ অস্বীকারকারী


হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে,

তিনি একদা ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণ করলাম’ এ আয়াত শরীফটি শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। তখন উনার নিকট এক ইহুদী ছিলো সে বলে উঠলো, ‘যদি এই আয়াত শরীফ আমাদের ইহুদী সম্প্রদায়ের প্রতি নাযিল হতো আমরা আয়াত শরীফ নাযিলের দিনটিকে ‘ঈদের দিন বলে ঘোষণা করতাম।’
বিস্তারিত