অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন প্রসঙ্গে

অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন প্রসঙ্গে
সর্বকালের, সর্বযুগের, সর্বশ্রেষ্ঠ, অভূতপূর্ব, বেমেছাল, সুমহান তাজদীদ মুবারক ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ২৪ ঘণ্টা তথা দায়িমীভাবে সারা জীবন সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন এবং পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা বছর তথা আজীবনব্যাপী সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানিত মাহফিল মুবারক উনার ইন্তিযাম।

عِيْدُ مِيْلَادِ النَّبِىّ ِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (ঈদু মীলাদিন নাবিইয়্যি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনার আভিধানিক অর্থ মুবারক হচ্ছে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বিলাদত শরীফ উনার দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা। আর পারিভাষিক অর্থে- عِيْدُ مِيْلَادِ النَّبِىّ ِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (‘ঈদু মীলাদিন নাবিইয়্যি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’) হচ্ছেন, ‘সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদত শরীফ উনার দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা, ঈদ পালন করা, উনার সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করা, উনার সম্মানিত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক আলোচনা করা, উনার প্রতি সম্মানিত ছলাত শরীফ ও সালাম মুবারক পেশ করা এবং তাসবীহ-তাহলীল মুবারক পাঠ করা, উনার পূত-পবিত্র সম্মানিত জীবনী মুবারক উনার সামগ্রিক বিষয়ে আলোচনা করা।’ সুবহানাল্লাহ!
বিস্তারিত

সমগ্র পৃথিবীতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতীয় ভাবে পালন হতো তার প্রমাণ

সমগ্র পৃথিবীতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতীয় ভাবে পালন হতো তার প্রমাণ

 সমগ্র বিশ্বে এক নামে স্বীকৃত একজন মুহাদ্দিস হচ্ছেন হযরত মোল্লা আলী ক্বারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি। আজ থেকে পাঁচশত বছর পূর্বে উনার জন্ম। তিনি ইলমে হাদীসের জ্ঞান অর্জন করতে মক্কা শরীফ শরীফ মদীনা শরীফ সব স্থানে ভ্রমন করেন। সকল মাদ্রাসায় পঠিত এবং সকল উছুলে হাদীস শরীফের কিতাবে উনার নাম স্ব মহিমায় উজ্জ্বল দীপ্তি ছড়াচ্ছে। তাঁর রচিত মেশকাত শরীফ এর ব্যাখ্যা গ্রন্থ “মেরক্বাত শরীফ” সারা পৃথিবীতে একটি আলোড়ন সৃষ্টি কারী কিতাব। তিনি সারাটা জীবন অসংখ্য কিতাব রচনা করে মুসলিম জাহানের জন্য এক বিশাল নিয়ামত রেখে গিয়েছেন। 
বিস্তারিত

সাহাবায়ে কিরাম রাদ্বিয়াল্লাহু তায়লা আনহুমগণ ২৪ ঘন্টাই ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতেন।

সাহাবায়ে কিরাম রাদ্বিয়াল্লাহু তায়লা আনহুমগণ ২৪ ঘন্টাই ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতেন।


নিচের হাদীছ শরীফ দ্বারা তা প্রমানিত -
عَنْ حَضْرَتْ أُبَىّ ِ بْنِ كَعْبٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُوْلَ اللهِ
صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنّـِىْ أُكْثِرُ الصَّلَاةَ عَلَيْكَ فَكَمْ أَجْعَلُ لَكَ مِنْ صَلَاتِىْ؟ فَقَالَ: «مَا شِئْتَ» قُلْتُ: الرُّبُعَ؟ قَالَ: «مَا شِئْتَ فَاِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَّكَ» . قُلْتُ: النّـِصْفَ؟ قَالَ: «مَا شِئْتَ فَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَّكَ » قُلْتُ: فَالثُّلُثَيْنِ؟ قَالَ: «مَا شِئْتَ فَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَّكَ » قُلْتُ: اَجْعَلُ لَكَ صَلَاتِىْ كُلَّهَا؟ قَالَ: « قَالَ « إِذًا تُكْفٰى هَمُّكَ وَيُغْفَرُ لَكَ ذَنْبُكَ.
বিস্তারিত

এক নজরে সৃষ্টির শুরু থেকে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের ইতিহাস

এক নজরে সৃষ্টির শুরু থেকে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের ইতিহাস
১.  সৃষ্টির শুরুই হয়েছে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের জন্য। https://goo.gl/YXxtkf
২. মহান আল্লাহ পাক স্বয়ং নিজেই সর্বপ্রথম মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করেন https://goo.gl/QhKGhP
০৩. সমস্ত নবী রাসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন https://goo.gl/oguRBS
৪. হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন।https://goo.gl/nTem2r
৫. হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন  https://goo.gl/YK3hPm
৬. হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন https://goo.gl/POavDX
বিস্তারিত

পবিত্র কোরান শরীফ হতে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ায় আগমনের ঈদ বা আনন্দ উৎসব করার দলীল

পবিত্র কোরান শরীফ হতে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ায় আগমনের ঈদ বা আনন্দ উৎসব করার দলীল
পবিত্র কুর’আনের এই আয়াতটি قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَ بِرَحْمَتِهِ فَبِذَالِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَا خَىْرٌ مِمَّا ىَجْمَعُوْنَ আর্থাৎ- "হে রাসুল আপনি বলুন আল্লাহর “অনুগ্রহ” ও “রহমত” প্রাপ্তিতে তাঁদের মুমিনদের খুশি উদযাপন করা উচিত এবং এটা হবে তাদের অর্জিত সকল কর্মফলের চেয়েও শ্রেষ্ট"। [সুরা ঈউনূছ,আয়াত ৫৮]
এই আয়াতের ব্যাখ্যা ৯ম শতাব্দী মুজাদ্দিদ ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতি রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ ‘আদ্দুররুল মনসূর’ এ উল্লেখ করেন, "হযরত আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, এখানে আল্লাহ এর “অনুগ্রহ” দ্বারা ইলমে দ্বীন এবং “রহমত” দ্বারা নবী এর কথা বুঝানো হয়েছে। যেমন আল্লাহ তা’আলা এরশাদ করেন, হে হাবীব আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্ব জগতের প্রতি রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি"। [আদ্দুররুল মনসূর পৃঃ ৩৩০] এই আয়াতের ব্যাখ্যায় আল্লামা আলুসি রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর স্বীয় তাফসীরগ্রন্থে উল্লেখ করেন, "হযরত আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, নিশ্চয়ই ‘অনুগ্রহ’ হল ইলমে দ্বীন এবং ‘রহমত’ হল নবী কারীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম"। [তাফসীর রুহুল মা’আনী ১১তম খন্ড, পৃঃ ১৮৩]।
বিস্তারিত

হযরত ঈসা রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন

হযরত ঈসা রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন
যখন ঈসা আলাইহিস সালাম বনী ইসরাইলকে বললেন, আমি আল্লাহ এর রাসূল হিসেবে তোমাদের কাছে প্রেরিত হয়েছি। তার সঙ্গে আমার সাথে যে তাওরাত এসেছে তার প্রতি আমার সমর্থন রয়েছে এবং আমার পর যে রাসূল আসবেন তার নাম হবে আহমদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম । ঐ রাসূলের সুসংবা নিয়ে তোমাদের নিকট প্রেরিত হয়েছি। আর যখন সে রাসূল তাদের নিকট দলীলসমূহ সহকারে আসলেন, তখন তারা বলতে লাগল এটা প্রকাশ্য যাদু। [সূরা ছফ ৬]

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম  এর ভাষণ দন্ডায়মান অবস্থায় হত। আর এটাই ভাষণের সাধারণ রীতিও বটে। ইমাম ইবন কাসীর রহমতুল্লাহি আলআইহি  তাঁর বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ 'আল-বিদায়্যা ওয়ান নিহায়্যা' তে উল্লেখ করেন "ঈসা আলাইহিস সালাম দন্ডায়মান অবস্থায় (কিয়াম) অবস্থায় তাঁর উম্মাতহাওয়ারীদেরকে নবীজীর আগমনের সুসংবাদ দিয়ে বক্তৃতা করেছিলেন"। [আল-বিদায়্যা ওয়ান নিহায়্যা, ২য় খন্ড, পৃ ২৬১]
 সুতরাং মিলাদ ও কিয়াম হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম এর সুন্নাত এবং তা নবী যুগের ৫৭০ বছর পূর্ব হতেই।

বিস্তারিত

হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন

হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন
হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম  মহান আল্লাহ তা’আলা এর দরবারে ফারিয়াদ জানান, “ওহে আল্লাহ পাক তাঁদের মধ্যে তাঁদের হতে এমন একজন রাসূল প্রেরণ করুন, যিনি আপনার বাণীসমূহ তাঁদেরকে পাঠ করে শুনাবেন এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দিয়ে পবিত্র করবেন। নিশ্চয়ই আপনিও অতিশয় পরাক্রমশালী ও মহাজ্ঞানী” [সূরা বাকারা ১২৯]
বিস্তারিত

হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন।

হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন।
হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্নিত,

عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لما أذنب آدم صلى الله عليه وسلم الذنب الذي أذنه رفع رأسه إلى العرش فقال أسألك حق محمد ألا غفرت لي فأوحى الله إليه وما محمد ومن محمد فقال تبارك اسمك لما لما خلقتني رفعت رأسي إلى عرشك فإذا هو مكتوب لا إله إلا الله محمد رسول الله فعلمت أنه ليس أحد أعظم عندك قدرا ممن جعلت اسمه مع اسمك فأوحى الله عز وجل إليه يا آدم إنه آخر النبيين من ذريتك وإن أمته آخر الأمم من ذريتك ولولاه يا آدم ما خلقتك


অনুবাদ-
বিস্তারিত

শাহ আবদুল আজিজ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহির ঈদে মিলাদ পালন

শাহ আবদুল আজিজ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহির ঈদে মিলাদ পালন
নির্ভরযোগ্য আলেম মাওলানা হাফিজ মুহাম্মদ আব্দুল হক এলাহাবাদী মুহাজিরে মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর স্বরচিত বিখ্যাত কিতাব “আদ-দুরুল মুনাজ্জাম ফি হুকুমে আমলে মাওলাদিন নাবীয়্যিল আযম” গ্রন্থে শায়েখ আব্দুল আযীয দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি
(১১৫৭-১২৩৯ হিজরি) এর সঠিক মন্তব্যই তুলে ধরেছেন এভাবে 

“শায়েখ আব্দুল আযীয দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি মুহররাম মাসের অনুষ্ঠান মরসিয়াখানি (শোক গাথা পাঠ) সম্পর্কে জনৈক ব্যক্তির জিজ্ঞাসার উত্তরে বললেন, সারা বছরের মধ্যে এ ফকীরের (আমার) বাড়িতে দুটি মজলিস অনুষ্ঠিত হয়। একটি হচ্ছে মিলাদ শরীফের আলোচনা অনুষ্ঠান, আর অপরটি হচ্ছে শাহাদাতে হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এর আলোচনা। প্রথম মজলিসে আশুরার দিন চারশত বা পাঁচশন এবং প্রায় এক হাজার লোকের সমাগম হয়। সে মজলিসে দুরূদ শরীফ পাঠ করা হয়। আমিও সে মজলিসে উপস্থিত হয়ে বসি। আর হযরত হাসনাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে হাদীসে যেসব ফযিলত বর্ণিত হয়েছে মজলিসে তাও বর্ণনা করা হয়। আর হযরত হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং তাঁর সাথীদের শাহাদাত লাভের ফযীলত সম্পর্কেও কিছু কিছু হাদীস বর্ণনা করা হয়।
বিস্তারিত

তাবেয়ী এবং ইমাম-মুজতাহিগন উনাদের ঈদে মিলাদ পালন

তাবেয়ী এবং ইমাম-মুজতাহিগন উনাদের ঈদে মিলাদ পালন
হযরত তাবিয়ী,ইমাম-মুজতাহিদ ও আওলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ,ঈদে আযম, ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের ধারা অব্যাহত বা জারী রেখেছেন, রাখছেন ,রাখবেন।
বদ আক্বিদা , বদ মাযহাবের , বাতিল ফিরকার লোকেরা অপপ্রচার করে থাকে যে ইমাম-মুজতাহিদ ও আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগন পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরিফ পালন করেন নাই ।
নাউযুবিল্লাহ ।
অথচ সুষ্পষ্টভাবে প্রমানিত যে সকল যুগে পবিত্র সাইয়্যিদুলা আইয়াদ শরিফ পালন হয়ে আসছে। নিম্নে দলীল সমূহ পেশ করা হলো--
যেমন এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট তাবিয়ী, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত,যিনি শতাধিক সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সাক্ষাত মুবারক লাভ করেছিলেন, সেই বিখ্যাত ইমাম হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন-
قال الحسن البصرى رحمة الله عليه وَدِدْتُّ لَوْ كَانَ لِىْ مِثْلُ جَبَلِ اُحُدٍ ذَهْبًا فَاَنْفَقْتُهٗ عَلٰى قِرَاءَةِ مَوْلِدِ النَّبِىِّ صَلّٰى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
বিস্তারিত

আন নিয়ামাতুল কুবরা আলাল আলাম বইতে খোলাফায়ে রাশেদীনের ঈদে মিলাদ পালন

" আন নি'মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফি মাওলিদে সাইয়্যেদে উলদি আদম" সারা বিশ্বে সুপরিচিত একটি গ্রন্থ। যে গ্রন্থটি আজ থেকে প্রায় ৪৫০ বছর পুর্বে রচনা করেছেন জগৎবিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা আহমদ ইবনে হাজার হাইসামী মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি। যিনি মিশরে জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি মিশরের সুবিখ্যাত আল আজহারে পড়াশুনা করেন। পরবর্তিতে তিনি পবিত্র মক্কা শরীফে চলে যেন এবং সেখানেই অবস্থান করে দুনিয়া থেকে বিদায় নেন।
https://goo.gl/1JuCzE
বিস্তারিত

মোল্লা আলী ক্বারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি “আল মাওরিদুর রাভী ফি মাওলিদিন নাব্যিয়" বইয়ে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের দলীল

মোল্লা আলী ক্বারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি “আল মাওরিদুর রাভী ফি মাওলিদিন নাব্যিয়" বইয়ে  ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের দলীল
আজ এমন একজন ব্যক্তির বর্ণনা উল্লেখ করছি জিনি সমগ্র বিশ্বে এক নামে স্বীকৃত একজন মুহাদ্দিস হযরত মোল্লা আলী ক্বারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি। 
আজ থেকে পাঁচশত বছর পূর্বে উনার জন্ম। তিনি ইলমে হাদীসের জ্ঞান অর্জন করতে মক্কা শরীফ শরীফ মদীনা শরীফ সব স্থানে ভ্রমন করেন। সকল মাদ্রাসায় পঠিত এবং সকল উছুলে হাদীস শরীফের কিতাবে উনার নাম স্ব মহিমায় উজ্জ্বল দীপ্তি ছড়াচ্ছে। তাঁর রচিত মেশকাত শরীফ এর ব্যাখ্যা গ্রন্থ “মেরক্বাত শরীফ” সারা পৃথিবীতে একটি আলোড়ন সৃষ্টি কারী কিতাব। তিনি সারাজীবন অসংখ্য কিতাব রচনা করে মুসলিম জাহানের জন্য এক বিশাল নিয়ামত রেখে গিয়েছেন।
উনার অসংখ্য কিতাবের মধ্যে একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক গ্রন্থের নাম হচ্ছে “আল মাওরিদুর রাভী ফি মাওলিদিন নাব্যিয়”। এ কিতাবে তিনি হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আগমন তথা মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ থেকে দলীল পেশ করেছেন। এবং সেই সাথে একটা বিষয় উল্লেখ করেছেন সেটা হচ্ছে, “সারা পৃথিবীর সকল দেশে যে যাঁকজমকেরসাথে ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন হতো তার ঐতিহাসিক প্রনান উল্লেখ ।” আমরা উক্ত কিতাব থেকে সে ঐতিহাসিক বর্ননা গুলো উল্লেখ করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ !
বিস্তারিত