সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে ওহাবীদের মতাদর্শ

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে ওহাবীদের মতাদর্শ
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করা জিন-ইনসানসহ গোটা কুল-কায়িনাতের জন্য ফরয-ওয়াজিব তো বটেই নাযাতেরও কারণ। কিন্তু আজকের তথাকথিত মালানা, মুফতে, মুহাদ্দিস,শাইখুল হদসরা ফতোয়া দেয় যে, ঈদে মীলানদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বিদায়াত এবং শরীয়তে দুই ঈদের বাইরে তৃতীয় কোন ঈদ নেই। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)। 
বিস্তারিত

ইন্তিকাল দিবসে আনন্দ প্রকাশ করা কি অন্যায় ? শরিয়ত কি বলে ?

ইন্তিকাল দিবসে আনন্দ প্রকাশ করা কি অন্যায় ? শরিয়ত কি বলে ?
উক্ত বক্তব্য কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর সম্পূর্ণ খিলাফ, যা কাট্টা কুফরী। কেননা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণের বিলাদত শরীফ, বিছাল শরীফ, পুনরুত্থান প্রত্যেকটিই রহমত, বরকত ও সাকীনার কারণ এবং ঈদ বা খুশি প্রকাশের কারণ।
যেমন, হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার ব্যাপারে কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে- ‘উনার প্রতি সালাম (শান্তি), যে দিন তিনি বিলাদত শরীফ লাভ করেছেন এবং যেদিন তিনি বিছাল শরীফ লাভ করবেন এবং যেদিন তিনি পুনরুত্থিত হবেন।’ (সূরা মারইয়াম-১৫)
অনুরূপ হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম সম্পর্কে উনার নিজের বক্তব্য কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে- ‘আমার প্রতি সালাম যেদিন আমি বিলাদত শরীফ লাভ করি, যে দিন আমি বিছাল শরীফ লাভ করি এবং যেদিন পুনরুত্থিত হবো।’ (সূরা মারইয়াম -৩৩)
আর হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে- আল্লাহ পাক- উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- ‘আমার হায়াত-মউত সব অবস্থাই তোমাদের জন্য কল্যাণ বা খায়ের-বরকতের কারণ।’ (কানযুল উম্মাল)
বিস্তারিত

ইসলামের সোনালী যুগ তথা খইরুল কুরুনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালিত হতো

ইসলামের সোনালী যুগ তথা খইরুল কুরুনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালিত হতো
খইরুল কুরুন হচ্ছে পর্যায়ক্রমে ছাহাবী, তাবিয়ী ও তাবি’ তাবিয়ীনগণের যুগ। আর উক্ত তিন যুগের প্রথম যুগই হচ্ছে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ- উনাদের যুগ এবং সে যুগেই ‘ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উদযাপিত হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!

যেমন-
১. এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-
“হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার সাথে হযরত আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু- উনার গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি উনার সন্তান-সন্ততি এবং আত্মীয়-স্বজন, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে নিয়ে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছেন এবং বলছেন, এই দিবস, অর্র্থাৎ এই দিবসে রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যমীনে তাশরীফ এনেছেন। এমন সময় হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেখানে উপস্থিত হলেন। (তিনি যখন উপস্থিত হলেন সমবেত সবাই দাঁড়িয়ে উনাকে সালাম পেশ করতঃ অভ্যর্থনা বা স্বাগত জানিয়ে আসনে বসালেন।) তিনি মীলাদ শরীফ-এর অনুষ্ঠান এবং বিলাদত শরীফ-এর কারণে খুশি প্রকাশ করতে দেখে উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তোমাদের জন্য রহমতের দরজা উন্মুক্ত করেছেন এবং সমস্ত ফেরেশতা তোমাদের জন্য মাগফিরাত তথা ক্ষমা প্রার্থনা করছেন এবং যে কেউ তোমাদের মতো এরূপ কাজ করবে, তোমাদের মতো তারাও রহমত ও মাগফিরাত এবং নাজাত লাভ করবে।” সুবহানাল্লাহ! 
বিস্তারিত

বছরের প্রায় অর্ধেক দিনই মু’মিন-মুসলমানের জন্য ঈদ বা খুশির দিন।

বছরের প্রায় অর্ধেক দিনই মু’মিন-মুসলমানের জন্য ঈদ বা খুশির দিন।
 ‘ইবনে মাযাহ ও মুয়াত্তা শরীফ’-এ , হযরত উবাইদ ইবনে সাব্বাক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত। রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদিন জুমুয়ার দিনে ইরশাদ করেন, হে মুসলমানগণ! এই যে জুমুয়ার দিন, এ দিনকে মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের জন্য ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
 ‘তিরমিযী শরীফ’-এর উদ্ধৃতি , “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি একদা ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণ করলাম’ এ আয়াত শরীফটি শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। তখন উনার নিকট এক ইহুদী ছিলো সে বলে উঠলো, ‘যদি এই আয়াত শরীফ আমাদের ইহুদী সম্প্রদায়ের প্রতি নাযিল হতো আমরা আয়াত শরীফ নাযিলের দিনটিকে ‘ঈদের দিন বলে ঘোষণা করতাম।’ এটা শুনে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু তিনি বললেন, এ আয়াত শরীফ সেই দিন নাযিল হয়েছে যেদিন এক সাথে দু’ঈদ ছিল- (১) জুমুয়ার দিন এবং (২) আরাফার দিন।” অর্থাৎ পুনরায় ঈদ ঘোষণা করতে হবে না। কেননা ঈদের দিনেই এ আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে।
বিস্তারিত

দেওবন্দিদের লিখিত " আল মুহান্নাদ আলাল মুফান্নাদ’ বইয়ে ঈদে মিলাদুন্নবীর স্বীকৃতি

দেওবন্দিদের লিখিত " আল মুহান্নাদ আলাল মুফান্নাদ’ বইয়ে ঈদে মিলাদুন্নবীর স্বীকৃতি

আজ থেকে ১১০ বছর আগে ১৩২৫ হিজরী সালে তৎকালীন দেওবন্দীদের কিছু লেখা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন পবিত্র মক্কা-মদীনা শরীফের ইমাম খতিবরা। কারণ ঐ সময় দেওবন্দীদের কিছু লেখায় ঈদে মীলাদুন্নবী (নবীজির বিলাদত দিবস) ও মীলাদ শরীফকে কৌশলে কটাক্ষ করা হয়েছিল। সে সময় দেওবন্দীদের উক্ত কাজের তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন তৎকালীন পবিত্র মক্কা-মদীনা শরীফের ইমাম-খতিবরা এবং দেওবন্দীদের কাছে সেই কাজের জন্য লিখিত জবাবও চেয়েছিলেন তারা।
বিস্তারিত

যে সকল দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সরকারি ছুটি পালিত হয়…

যে সকল দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সরকারি ছুটি পালিত হয়…
পাকিশ্তান
আফগানিস্থান
উজবেকিস্থান
জর্ডান
দুবাই
বাহরাইন
বাংলাদেশ
আলজেরিয়া
আল জাজাইর
বিস্তারিত

ইবনে তাইমিয়া ও আবদুল ওহাব নজিদীর ঈদে মিলাদুননবীর পক্ষে মত

ইবনে তাইমিয়া ও আবদুল ওহাব নজিদীর ঈদে মিলাদুননবীর পক্ষে মত
বর্তমানে যারা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্ননবীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদের জিজ্ঞাসা করলে তারাই স্বীকার করবে তাদের একমাত্র পছন্দনীয় ইমাম হচ্ছে ইবনে তাইমিয়া ও আব্দুল ওহাব নজদী। এরা ইমামে আযম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে সকল ইমাম মুস্তাহিদ আওলিয়ায়ে কিরামের বিরোধীতা করলেও ইবনে তাইমিয়া ও আব্দুল ওহাব নজদীর কোন বিরোধীতা করে না। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে তাদের কোন ফতোয়া যদি নিজেদের মন মত না হয় তবে সেটা সযত্নে গোপন করে রাখে। কিন্তু সত্য কি গোপন রাখা যায়?
ওহাবীদের গুরু ইবনে তাইমিয়া (১২৬৩খৃঃ - ১৩২৮খৃঃ) তার কিতাব “ইক্তিদায়ে সিরাতে মুস্তাকীম” এ লিখেছে,
”যদি মিলাদ মাহফিল নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি ভালবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের জন্য করা হয়ে থাকে তবে আল্লাহ এ মুহাব্বত ও সম্মান প্রদর্শনের কারণে সওয়াব বা প্রতিদান দেবেন।” 
বিস্তারিত

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দায়িমীভাবেই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দায়িমীভাবেই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে- 
عن حضرت عفان رحمة الله عليه عن حضرت سعيد بن مينا رحمة الله عليه عن حضرت جابر و حضرت ابن عباس رضى الله تعالى عنه قال ولد رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفيل يوم الاثنين الثانى عشر من شهر ربيع الاول .
অর্থ: “হযরত আফফান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি হযরত সাঈদ ইবনে মীনা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণনা করেছেন যে, হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ ‘হস্তি বাহিনী বর্ষের পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ হয়েছিল।” (বুলুগুল আমানী শরহিল ফাতহির রব্বানী, আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া)
উপরোক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
বিস্তারিত

আতশ বাজি-পটকা, জশনে-জুলুস, রং বেরংয়ের আলোকসজ্জা, আনন্দ মিছিল প্রভৃতির মাধ্যমে ঈদ পালন করেন কিরূপে?

আতশ বাজি-পটকা, জশনে-জুলুস, রং বেরংয়ের আলোকসজ্জা, আনন্দ মিছিল প্রভৃতির মাধ্যমে ঈদ পালন করেন কিরূপে?

খারিজী, ওয়াবী, জামাতী, ইলিয়াসী তাবলীগ জামাত, দেওবন্দী গংদের যা চিরন্তন খাছলত। মাথায় ব্যাথার উপসর্গ দেখা দিলে তাতে ঔষধ প্রয়োগ না করে পুরো মাথাটিই কেটে ফেলা ওদের খাছলতগত প্রবৃত্তি। সব ফরয নামাযের পর মুনাজাত করলে মানুষ একে ফরয মনে করতে পারে এই অমূলক অশঙ্কায় পরিশেষে তারা ফরয নামাযের পর মুনাজাতই বন্ধ করে দিল, মুনাজাত করাকে বিদয়াত বলে প্রচার শুরু করল। (নাউযুবিল্লাহ্ মিন যালিক)

অথচ ঘাড় মসেহ্ করার মত মুস্তাহাব আমলকে অদ্যাবধি মানুষ মুস্তাহাব জেনেই করে আসছে। কেউ তাকে ফরয বলে গণ্য করছেনা, সে দৃষ্টান্তেও ওদের চেতনা নেই।
সূক্ষ্ম চিন্তানুভূতি আর ছহীহ্ সমঝের পরিবর্তে ওরা মোটা বুদ্ধি আর বক্র চিন্তায়ই অভ্যস্ত। 
বিস্তারিত

দু’ঈদ ব্যতীত আর কোন ঈদ নেই এ কথা যারা বলে তারা জাহিল

দু’ঈদ ব্যতীত আর কোন ঈদ নেই এ কথা যারা বলে তারা জাহিল

অজপাড়া গায়ের বৃদ্ধ হাবীবুজ্জামান ক্ষেপে উঠেছে। সারাজীবন নিজ গ্রামের গন্ডীর বাইরে তার যাওয়া হয়নি। ছেলের পুনঃপুনঃ আমন্ত্রণে অবশেষে তাকে শহরে যেতে হয়েছিল। সেখানে জনৈক আলিমের ওয়াজে শোনা ‘ক্ষমা করা মহান আল্লাহ্ পাক-এর সুন্নত, মহান আল্লাহ্ পাক-এর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত, হযরত ছাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের সুন্নত, হযরত আউলিয়া-ই-কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণের সুন্নত’ এই বক্তব্য বৃদ্ধ হাবীবুজ্জামানকে রীতিমত ক্ষুদ্ধ করে তুলেছে। শহরে এটে উঠতে না পেরে স্বগ্রামে গিয়ে সে রীতিমত হট্টগোল পাকিয়ে তুলেছে। “হেই মিঞারা বুঝলেননি, শহরের আলিমরা আলিম না। হেরা গোমরাহ্, হেরা বেদাতী, কুফুরী আরম্ভ করিচ্ছে। সারাজীবন আমরা হুনলাম সুন্নত, সুন্নত আল্লাহ্ পাক-এর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত। আর হেরা এখন নতুন বেদাতী শুরু করিচ্ছে। বলিচ্ছে, আল্লাহ্ পাক-এর সুন্নত, ছাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের সুন্নত, আউলিয়া-ই-কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণের সুন্নত।
বিস্তারিত

যারা ঈদ-ই-মীলাদুন্ নবী উদযাপনকে লাহাবী উৎসব বলে তারা লাহাবী সন্তান।

যারা ঈদ-ই-মীলাদুন্ নবী  উদযাপনকে লাহাবী উৎসব বলে তারা লাহাবী সন্তান।
 ঈদ-ই-মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের মত খোদায়ী ঈদ, মুত্তালিবী ঈদ, রসূল প্রেমিকদের ঈদ, সকল ঈদের ঈদ সে বিষয়টিকে মূল্যায়ণ না দিয়ে বাতিল ফিরকারা উল্লেখ করছে যে, " জন্মদিন পালন করা খৃষ্টানদের রীতি। অথচ এর পিছনে যে কোন ভিত্তি নেই যা তারাও জানে তাদের গুরু শয়তানও জানে।" 

“Encyclopedia Americana”- তে উল্লেখ আছে, BIRTHDAYS, anniversaries of the day of birth. The practice of markaing an individual’s exact reckoning of time by a fix Calendar.
The custom of observing birthday’s, althangh an ancient one and at present very popular in many countries is, far from being universal.
অর্থাৎ- “কারো জন্মের সঠিক তারিখটি সুনির্দিষ্ট করার রীতি চালু হয়েছে একটি নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সময় গণনা করার ধারা প্রবর্তিত হওয়ার প্রেক্ষিতে। জন্মবার্ষিকী পালনের প্রথাটি খুবই প্রাচীন এবং বর্তমানে অনেক দেশেই অত্যন্ত জনপ্রিয়। তারপরেও তা সার্বজনীনতা লাভ করেনি।”
বিস্তারিত

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্মকালীন সময়ের ঘটনাসমুহ

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্মকালীন সময়ের ঘটনাসমুহ
রহমতুল্লিল আলামীন, মুখতাছারুস্ সীরাত, ইবনে হিশাম, বায়হাক্বী, তিবরানী, খাসায়েসুল কুবরা, ইবনে ইসহাক, আন নিয়ামাতুল কুবরা প্রভৃতি গ্রন্থ থেকে বর্ণনা পাওয়া যায় যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যমীনে আগমণ মূহুর্তে স্বয়ং আল্লাহ্ পাক স্বীয় খুশীর নিদর্শন স্বরূপ অভূতপূর্ব কুদরতী ঘটনার সমাহার ঘটিয়েছেন।

হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম বলেন, “আর আমি দেখতে লাগলাম, দীর্ঘ বাহুবিশিষ্ট জনেরা আমার নিকট দলে দলে আসছেন। আমি আমার গৃহের দিকে তাকালাম, এখানে নানান ভাষায় বৈচিত্রপূর্ণ দূর্বোধ্য কথা আমি শুনতে পেলাম। এসব কথা বর্তায় সুরিয়ানী ভাষার কথাগুলো বেশী মনে হচ্ছিল। হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম বলেন, আমি সেসময় লক্ষ্য করলাম, দলে দলে ফেরেশতাগণ আমার ডানে-বামে উড়ছেন। তখন মহান আল্লাহ্ পাক হযরত জিব্রাঈল আলাইহিস সালামকে আদেশ করলেন, হে জিব্রাঈল আলাইহিস সালাম! রুহ সমূহকে পবিত্র শরাবের পাত্রের নিকট শ্রেণীবদ্ধ কর। হে রিদওয়ান! জান্নাতের নবোদভিন্না যুবতীগণকে নতুন সাজে সজ্জিত কর, আর পবিত্র মেশকের সুগন্ধি ছড়িয়ে দাও। সারা মাখলুকাতের যিনি মহান ব্যক্তিত্ব সেই মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আবির্ভাব উপলক্ষ্যে।

বিস্তারিত