আরবলের বাদশাহ সর্বপ্রথম ঈদে মিলাদুন্নবি পালন করেননি, পুর্ব থেকেই ছিল

আরবলের বাদশাহ সর্বপ্রথম ঈদে মিলাদুন্নবি পালন করেননি, পুর্ব থেকেই ছিল
আল্লামা ইসমাইল হাক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন,
বাদশাহগণের মধ্যে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেন আরবলের বাদশাহ মুজাফফার উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি । তাঁর উদ্দেশ্যে মিলাদুন্নবীর কিতাব রচণা করেন ইবন দিহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি কিতাবখানার নামকরণ করেন ‘আত-তানভির ফি মাওলিদিল বাশিরিন নাজির’। বাদশাহ তাকে এই উদ্দেশ্যে ১০০০ হাজার স্বর্ণমুদ্রা উপহার দেন। বুখারী শারীফের নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যাকারী ইবন হাজস আসকলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি মিলাদুন্নবীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভিত্তি সুন্নাহ হিসেবে প্রমাণ করেছেন এবং অনুরূপ প্রমাণ পেশ করেছেন ৯ম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতি রহমতুল্লাহি আলাইহি । তাঁরা উভয়ই তাজুদ্দিন ফাকেহানী মালেকীর মতবাদ খন্ডন করেছেন যার মত হল” মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমলটি নিকৃষ্ট বিদাত। “আল্লামা নূরুদ্দীন আলী হলবী তাঁর ‘ইনসানুল ফি সীরাতিল আমিনীন মামুন’ গ্রন্থে এরূপ লিখেছেন। [তাফসীর রুহুল বয়ান ১খন্ড, পৃঃ ৫৭]

বিস্তারিত

বাদশাহ আবু সাঈদ মুজাফফার রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং আবু খাত্তাব উমর ইবনে দিহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে বানোয়াট উক্তি প্রচার করল জুনায়েদ বাবু নগরী

বাদশাহ আবু সাঈদ মুজাফফার রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং আবু খাত্তাব উমর ইবনে দিহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে  বানোয়াট উক্তি প্রচার করল জুনায়েদ বাবু নগরী

দেওবন্দী/কওমী/হেফাজতিদের গুরু জুনায়েদ বাবু নগরী তার মিলাদ বিরোধী লিখায় বাদশাহ আবু সাঈদ মুজাফফার রহমতুল্লাহি আলাইহি  এবং আবু খাত্তাব উমর ইবনে দিহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি কে অপব্যয়ী ও দ্বীনের প্রতি উদাসীন হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যস্ত হয়ে লিখে
১.“তিনি ছিলেন এক অপব্যয়ী বাদশা। তিনি নিজস্ব ইজতিহাদ ও অভিরুচি মতে আমল করার জন্য সমকালীন আলেমদের আদেশ দিতেন এবং অন্য ইমামের অনুসরণ না করার জন্য উৎসাহ যোগাতেন। ফলে (স্বার্থপর) আলেমদের একটি দলকে তিনি বাগিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি প্রতি রবীউল আউওয়াল মাসে মীলাদ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। সেই প্রথম বাদশা যিনি এই নবতর প্রথার ভিত্তি স্থাপন করেন।”নাউযুবিল্লাহ  (আল কাউলুল মু’তামাদ ফী আমালিল মাওলীদ, মিন্হাযুল ওয়াযিহ্-২৪৯)।
বিস্তারিত

দেওবন্দী , হেফাজতিদের গরু , হেফাজত নেতা জুনায়েদ বাবু নগরীর ঈদে মিলাদুননবী নিয়ে মিথ্যাচারের জবাব!!!

 দেওবন্দী , হেফাজতিদের গরু ,  হেফাজত নেতা জুনায়েদ বাবু নগরীর ঈদে মিলাদুননবী নিয়ে মিথ্যাচারের জবাব!!!


দেওবন্দী/কাওমী/হেফাজতিদের গুরু জুনায়েদ বাবু নগরী তার মিলাদ বিরোধী লিখায় শায়েখ আব্দুল আযীয দেহলবী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি কে একজন মিলাদ বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করতে গিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে লিখে –
১. “ হযরত শাহ্ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিসে দেহলবী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি কে জিজ্ঞাসা করা হয়, রবীউল আউয়াল মাসে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করে এর সাওয়াব রাসলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রূহে পৌঁছানো, তেমনি মুহাররম মাসে হযরত হুসাইন আলাইহিস সালাম ও অন্যান্য আহলে বাইতের ঈসালে সাওয়াব উদ্দেশ্যে খানাপিনার আয়োজন করা কি জায়েয? উত্তরে তিনি বলেন, “নিজের আমলের সাওয়াব কোন বুযুর্গ ব্যক্তিকে বখশিশ করার ইখতিয়ার মানুষের আছে। তবে এর জন্য কোন মাস বা দিন-কাল নির্দিষ্ট করা বিদ্আত।“ (ফাতওয়ায়ে আযীযী-১৭৬)।
২. তিনি ‘তুহ্ফায়ে ইসনা আশারিয়া’ নামক গ্রন্থে মীলাদ উদযাপনকে শিয়াদের মুহাররম উদযাপনের সাথে তুলনা করে বলেন, “শিয়াদের সাদৃশ্য অবলম্বন থেকে দরে থাকা আবশ্যক।” (মাহনামায়ে দারুল উলূম, জানুয়ারী সংখ্যা, ১৯৮৯ইং)


বিস্তারিত

মোলভী আশরাফ থানভীর দৃষ্টিতে মীলাদের কিয়াম মুস্তাহাব

মোলভী আশরাফ থানভীর দৃষ্টিতে মীলাদের কিয়াম মুস্তাহাব

তার লিখিত “তাবলীগ” নামক পুস্তিকাটিতে মীলাদের সময় কিয়াম করাকে বিদয়াত বা নিন্দনীয় কাজ নয় বরং তা মুস্তাহাব বলে ফতোয়া দিয়েছে । মৌলভী আশরাফ থানভীর ভক্ত, মুরীদ ও অনুগত শিষ্যরা ভারত উপমহাদেশে অনেক দ্বীনি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছে । যেগুলো কওমী বা ওহাবী মাদরাসা নামে সর্বজন পরিচিত । 
  • আর এ সব মাদরাসায় উক্ত “তাবলীগ” নামক পুস্তিকাটি সিলেবাস ভুক্ত করে পাঠ দান করা হয় । উক্ত বইয়ের ৩৮ পৃষ্ঠায় মৌলভী আশরাফ থানভী বলে- অর্থাৎ- “ এভাবে কিয়াম করাকে আমরা অবৈধ বলি না বরং কোথাও রাসুলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্ম বৃত্তান্ত আলোচনা কালে দাঁড়িয়ে যায়, আবার কখনো তার দুগ্ধ পানের ঘটনা বলার সময়, আবার কখনো মি’রাজুন্নবীর আলোকপাত কালে, এমনিভাবে কোন কোন খাস মাহফিলে ৩/৪ বারও কিয়াম করে থাকেন । তবে এরুপ মীলাদে কিয়াম করাকে কে নিষেধ করবে ?”
বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুন্নবির বিরোধীতাকারীদের অতীতের গুরুদের মিলাদ -ক্বিয়াম পালন ( মৌলভী হুসাইন আহমদ ) -৪

ঈদে মিলাদুন্নবির বিরোধীতাকারীদের অতীতের গুরুদের মিলাদ -ক্বিয়াম পালন ( মৌলভী হুসাইন আহমদ ) -৪
মৌলভী হুসাইন আহমদ দেওবন্দীর দৃষ্টিতে মীলাদের কিয়াম মুস্তাহাব : 

মৌলভী হোসাইন আহমদ দেওবন্দী যে  দারুল উলুম দেওবন্দ (ভারত) মাদরাসার শাইখুল হাদীস ছিল । সে  জীবনে রাসুলে আকরাম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মীলাদ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে কিনা তা নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া না গেলেও যারা মীলাদ কিয়াম করে তাদের পক্ষে মজবুত ফতোয়া দিয়েছে। 
তার লিখিত- “মাকতুবাতে শাইখুল ইসলাম” কিতাবে  বলে- 
" হযরত সাইয়্যিদুনা আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- " রাসুলে আকরাম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা এই জমিনে কিছু ভ্রমণকারী ফেরেশতা নিয়োগ করেছেন । তারা আমার উম্মতের প্রেরিত সালামগুলো আমার নিকট পৌছান” । (উক্ত হাদীসটি ইমাম নাসাঈ রহমাতুল্লাহে আলাইহি এবং ইমাম দারমী রহমাতুল্লাহে আলাইহি স্ব-স্ব কিতাবে বর্ণনা করেছেন) । 
বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুন্নবির বিরোধীতাকারীদের অতীতের গুরুদের মিলাদ -ক্বিয়াম পালন ( দেওবন্দ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ) -৩

ঈদে মিলাদুন্নবির বিরোধীতাকারীদের অতীতের গুরুদের মিলাদ -ক্বিয়াম পালন ( দেওবন্দ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ) -৩

দেওবন্দ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতার দৃষ্টিতে মীলাদের কিয়াম মুস্তাহসান : 

দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা হাজী সৈয়দ আবেদ হুসাইন ৪০১.৫০ (চারশত এক টাকা আট আনা) চাদা সংগ্রহ করে “দেওবন্দ মসজিদ” ছাত্তা নামক জায়গায় মাদরাসাটির লেখা-পড়ার কার্যক্রম শুরু করে । প্রথমে  মাদরাসার পৃষ্ঠ-পোষক কাম মুহতামিম পদে অবৈতনিক ভাবে খেদমত আঞ্জাম দেয় । কিছুদিন পর  মোলভী রফিউদ্দিনকে মাদরাসার মুহতামিম পদে নিযুক্ত করে হজ্জ্বব্রত পালন উদ্দেশ্যে মক্কা অভিমুখ রওয়ানা হয় । হজ্জ্ব সমাপনের পর দেশে ফিরলে মাদরাসার পরামর্শ কমিটির অনুরোধে আবার মুহতামিমের দায়িত্ব গ্রহণ করে । এরপর শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির মধ্যে কোন্দল দেখা দিলে, মুহতামিম পদ হতে ইস্তফা দিয়ে হযরত মাখদুম রহমাতুল্লাহে আলাইহি-এর দরবার “কালিয়ার” অভিমুখে গমন করে । মাদরাসার পরামর্শ কমিটির সদস্যগণ তার পিছনে ছুটল , আর অনুরোধে করতে লাগল যে, পৃষ্ঠপোষকতা ও মুহতামিমের দায়িত্ব হতে পৃথক না হওয়ার জন্য, প্রয়োজনে পরিচালনার ভার অন্য কাউকে সোপর্দ কর । 
বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুন্নবির বিরোধীতাকারী কওমী-দেওবন্দী গুরুদের মিলাদ -ক্বিয়াম পালন ( মৌলভী শামছুল হক ফরিদপুরী ) - ২

ঈদে মিলাদুন্নবির বিরোধীতাকারী কওমী-দেওবন্দী  গুরুদের মিলাদ -ক্বিয়াম পালন ( মৌলভী শামছুল হক ফরিদপুরী ) - ২
মৌলভী আব্দুল হাই লকনভীর দৃষ্টিতে মীলাদের কিয়াম মুস্তাহাব--- পাক-ভারত উপ-মহাদেশের প্রখ্যাত আলেম মৌলভী আব্দুল হাই লকনভী তদীয় “মজমুয়ায়ে ফতোয়া” কিতাবে মীলাদের কিয়াম মুস্তাহাব বলে ফতোয়া দিয়েছেন । নিম্নে তা প্রশ্ন উত্তর আকারে প্রদত্ত হলো- 

প্রশ্নঃ হযরত রাসুলে মকবুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা-এর জন্ম বৃত্তান্তের আলোচনা কালে কিয়াম করার হুকুম কি ? 
বিস্তারিত

মুফতে আমীনি ও শায়খুল হদস এর গুরু মৌলভী শামছুল হক ফরিদপুরীর ঈদে মিলাদুন্নবি পালন

মুফতে আমীনি ও শায়খুল হদস এর গুরু মৌলভী শামছুল হক ফরিদপুরীর ঈদে মিলাদুন্নবি পালন

মৌলভী শামছুল হক ফরিদপুরী যাকে মুজাহিদে আযম, বাহরুল উলুম হিসেবে কিয়াম বিরোধীরা এক বাক্যে স্বীকার করে । সে একদিকে মৌলভী আশরাফ আলী থানবীর অন্যতম খলিফা, অন্যদিকে একাধারে ১৮ বছর পর্যন্ত জামাতে ইসলামীকে নৈতিকভাবে সমর্থন করে আসছিল । পরবর্তীতে সে জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আলা মওদুদীর লিখিত ‘খেলাফত ও মুলুকিয়ত’ বইখানা পড়ে অবাক হয়ে যায় । সাথে সাথে  বলে- অত্র বই খ্রীস্টান পাদ্রীদের ইসলাম বিরোধীদের মূল গ্রন্থ সমূহেরই বহিঃপ্রকাশ “। মওদুদীর উক্ত বইয়ে হযরত ওসমান যুন নূরাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সহ নবীর সাহাবীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা দোষারোপ, অপবাদ ও সমালোচনার সমাহার ।
‘খেলাফত ও মুলুকিয়াত’ বইটির প্রণেতা মওদুদীর ভ্রান্ত আকীদার প্রতিবাদে সে “ভুল সংশোধন” নামক একটি পুস্তক প্রকাশ করে । তাছাড়া সেঅনেক বই পুস্তিকা রচনা করেছে, তন্মধ্যে “তাছাউফ তত্ত্ব” পুস্তকটি সর্বসাধারণের নিকট সমাদৃত । উক্ত পুস্তকটির প্রথম অধ্যায়ে প্রশ্নোত্তর আকারে সর্বমোট ৭টি প্রশ্নের মধ্যে ৬ষ্ঠ তম প্রশ্নটি “মৌলুদ শরীফ ও কিয়াম” সম্পর্কিত । যেখানে সে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছে- “অধিকহারে যিকরে রাসুলের মাহফিল আয়োজন করা এবং তথায় কিয়াম করা উত্তম আদব; আর এর বিপরীতে বেআদবী বলে ফতোয়া দিয়েছে”
বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুন্নবির বিরোধীতাকারীদের অতীতের গুরুদের মিলাদ -ক্বিয়াম পালন ( মৌলভী শামছুল হক ফরিদপুরী ) -১


১. মৌলভী শামছুল হক ফরিদপুরীর দৃষ্টিতে মীলাদ ও কিয়াম মুস্তাহাবঃ

মৌলভী শামছুল হক ফরিদপুরী যাকে মুজাহিদে আযম, বাহরুল উলুম হিসেবে কিয়াম বিরোধীরা এক বাক্যে স্বীকার করে । সে একদিকে মৌলভী আশরাফ আলী থানবীর অন্যতম খলিফা, অন্যদিকে একাধারে ১৮ বছর পর্যন্ত জামাতে ইসলামীকে নৈতিকভাবে সমর্থন করে আসছিল । পরবর্তীতে সে জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আলা মওদুদীর লিখিত ‘খেলাফত ও মুলুকিয়ত’ বইখানা পড়ে অবাক হয়ে যায় । সাথে সাথে  বলে- অত্র বই খ্রীস্টান পাদ্রীদের ইসলাম বিরোধীদের মূল গ্রন্থ সমূহেরই বহিঃপ্রকাশ “। মওদুদীর উক্ত বইয়ে হযরত ওসমান যুন নূরাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সহ নবীর সাহাবীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা দোষারোপ, অপবাদ ও সমালোচনার সমাহার ।
‘খেলাফত ও মুলুকিয়াত’ বইটির প্রণেতা মওদুদীর ভ্রান্ত আকীদার প্রতিবাদে সে “ভুল সংশোধন” নামক একটি পুস্তক প্রকাশ করে । তাছাড়া সেঅনেক বই পুস্তিকা রচনা করেছে, তন্মধ্যে “তাছাউফ তত্ত্ব” পুস্তকটি সর্বসাধারণের নিকট সমাদৃত । উক্ত পুস্তকটির প্রথম অধ্যায়ে প্রশ্নোত্তর আকারে সর্বমোট ৭টি প্রশ্নের মধ্যে ৬ষ্ঠ তম প্রশ্নটি “মৌলুদ শরীফ ও কিয়াম” সম্পর্কিত । যেখানে সে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছে- “অধিকহারে যিকরে রাসুলের মাহফিল আয়োজন করা এবং তথায় কিয়াম করা উত্তম আদব; আর এর বিপরীতে বেআদবী বলে ফতোয়া দিয়েছে”
নিম্নে তার ফতোয়া প্রশ্নাকারে প্রদত্ত হলো---

বিস্তারিত

মক্কা-মদীনা শারীফে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

মক্কা-মদীনা শারীফে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বিরোধী সম্প্রদায়ের লোকেরা দাবী করে মক্কা-মদীনার দেশ সৌদি আরবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা হয় না, তাই আমাদেরও পালন করা উচিত নয়। তাদের এই কথাটি সম্পূর্ণ ভূল। ব্রিটিশদের সহযোগীতায় আল-সৌদ ও ওহাবী-খারেজী সম্প্রদায় দ্বারা মক্কা-মদীনা দখলের আগে সেখানেও যে মীলাদুন্নবী ছল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রচলন ছিল যার প্রমাণ পাওয়া বিভিন্ন আলেমগণের লেখনীতে -

১. প্রখ্যাত মুহাদ্দীস ইবন জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি মন্তব্য -
“সর্বদা মক্কা ও মদিনাবাসী, মিসর, ইয়ামেন, সিরিয়াবাসী এবং আরবের পূর্ব-পশ্চিমের সকলেই মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনুষ্ঠান করে থাকেন। রবিউল আউয়াল মাসের নব চন্দ্রের আগমনে আনন্দ উতসব করেন এবং তারা সকলেই এ সমস্ত অনুষ্ঠানাদি দ্বারা মহান পুরষ্কার ও সফলতা লাভ করেন”
• বিয়ান আল মীলাদুন্নাবী, পৃঃ ৫৮
বিস্তারিত

রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে স্বীয় মীলাদ বা জন্ম দিবস পালন করেছেন।

রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে স্বীয় মীলাদ বা জন্ম দিবস পালন করেছেন।
 নিম্নে কিছু নমুনা উপস্থিত করলাম -
১. হাদীস শাস্ত্রের প্রখ্যাত ইমাম আবু ঈসা মুহম্মদ তিরমিযী রহমতুল্লাহে আলাইহি তার সংকলিত সুনানে তিরমিযী শরীফে “মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” শিরোনামে একটি অধ্যায় প্রণয়ন করেছেন এবং এতে হুযুর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্ম তারিখ নিয়ে আলোচনা সম্বলিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাদীসটি হল---


  • অর্থাৎ- হযরত মোত্তালিব বিন আবদুল্লাহ আপন দাদা হযরত কায়েছ বিন মোখরামা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন- আমি ও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘আমুল ফীল’ অর্থাৎ- বাদশাহ আবরাহার হস্তি বাহিনীর উপর আল্লাহর গজব নাযিল হওয়ার বছর জন্মগ্রহণ করেছি। হযরত ওসমান বিন আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বনি ইয়ামার ইবেন লাইস-এর ভাই কুবাছ ইবনে আশইয়ামকে বলেন, আপনি বড় না রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম? তখন তিনি বলেন, রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে আমার চেয়ে অনেক বড়। আর আমি জন্ম সুত্রে রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আগে মাত্র।  (তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা নং-২০৩ )  
বিস্তারিত

আল-হাদীসের আলোকে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-

আল-হাদীসের আলোকে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ধারাবাহিক পোষ্ট সমূহে এ পর্বে হাদীসের আলোকে আলোচনা করা হবে। মিলাদের ব্যবহারিক-অভিধানিক অর্থ জানা প্রয়োজন। অভিধানে মিলাদ শব্দের অর্থ জন্মের সময় কাল এবং ব্যবহারিক অর্থ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের খুশিতে উনার মুযেজা, বৈশিষ্ট্য, জীবনী প্রভৃতি বয়াণ করা। অগণিত হাদীস শরীফের মাধ্যমে জানা যায়, রাসুলে করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-গণ রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মীলাদ বা জন্ম বৃত্তান্তের আলোচনা করেছেন। রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে স্বীয় মীলাদ বা জন্ম দিবস পালন করেছেন। নিম্নে কিছু নমুনা উপস্থিত করলাম।

১. عَنْ اَبِى قَتَدَةَ الاَنْصاَرِى رَضِى الله عَنهُ اَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سءل عَنْ صَوْمِ يَوْم الاِ ثْنَيْنِ قَلَ ذَاكَ يَوْمٌ وُلِدْتُ فِيْهِ بُعِثْتُ اَوْاُنْزِلَ عَلَىَّ فِيْهِ-
অর্থাৎ হযরত আবু কাতাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্নিত  রাসুলে পাক ছল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লামার দরবারে আরজ করা হলো তিনি প্রতি সোমবার রোজা রাখেন কেন? উত্তরে নবীজি  ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, এই দিনে আমি জন্ম গ্রহন করেছি, এই দিনেই আমি প্রেরিত হয়েছি এবং এই দিনেই আমার উপর পবিত্র কুরআন নাযিল হয়।
·        সহীহ মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড, ৮১৯ পৃষ্ঠা,
·        বায়হাকী: আহসানুল কুবরা, ৪র্থ খন্ড ২৮৬ পৃঃ,
বিস্তারিত