হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ তারিখ ১২ রবিউল আউয়াল। এটাই সহীহ মত।

--------------------------------------------------------------------------
সহীহ হাদীস শরীফে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের তারিখ,বার, মাস সবই বর্ণনা করা আছে। হাফিজে হাদীস হযরত আবু বকর ইবনে আবী শায়বা রহমাতুল্লাহি আলাইহি যেটা বিশুদ্ধ সনদে হাদীস শরীফে বর্ননা করেন-
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَفَّانُ، عَنْ سَلِيمِ بْنِ حَيَّانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مِينَا، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيِّ وَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُمَا قَالَا: " وُلِدَ رَسُولُ اللَّهِ يَوْمَ الْفِيلِ، يَوْمَ الِاثْنَيْنِ، الثَّانِي عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الْأَوَّلِ
অর্থ : হযরত আফফান রহমাতুল্লাহি আলাইহি হতে বর্নিত,তিনি সলিম ইবনে হাইয়্যান রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে, তিনি হযরত সাঈদ ইবনে মীনা রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ননা করেছেন যে, হযরত জাবির ও হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ হস্তি বাহীনি বর্ষের ১২ই রবীউল আউয়াল সোমবার শরীফ হয়েছিল।” (দলীল-কিতাব: আস সিরাতুন নাববিয়া ১ম খন্ড ১৯৯ পৃষ্ঠা।
লেখক: ইমাম আবিল ফিদা ইসমাঈল ইবনে কাছীর।)
হাদীছ শরীফ খানা উল্লেখ করে বলা হয়েছে,
وهذا هو المشهور عند الجمهو
অর্থ: জমহুর উলামায়ে কিরাম উনাদের নিকট এটা মতটাই প্রসিদ্ধ।
সূতরাং হাদীছ শরীফ ও উলামায়ে কিরাম উনাদের মতামত থেকে প্রমাণ হলো হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ তারিখ হচ্ছে ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার। আর এটাই গ্রহনযোগ্য মত। 
এর বিরোধী যত মত রয়েছে তা হাদীছ শরীফ বিরোধী। ৯ তারিখ প্রমাণ করতে কেউ কেউ মিশরের মাহমুদ পাশা জ্যোতিষির মত উল্লেখ করে। কোন জ্যোতিষি গনকের মত হাদীছ শরীফের মোকাবেলায় কতটা ঠুনকো আপনারা বুঝেন আশা করি।

বিস্তারিত

হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের রাতে সংঘটিত ঘটনা।

----------------------------------------------------------------------------
হাদীছ শরীফ-এ এসেছে,
عن حضرت عروة رضى الله تعالى عنه ان نفرا من قريش منهم ورقة بن نوفل، وزيد بن عمرو بن نفيل، وعبيد الله بن جحش، وعثمان بن الحويرث كانوا عند صنم لهم يجتمعون اليه، فدخلوا عليه ليلة فراوه مكبوبا عى وجهه، فانكروا ذلك، فاخذوه فردوه الى حاله، فلم يلبث ان انقلب انقلابا عنيفا، فردواه الى حاله، فانقلب الثالثة، فقال عثمان بن الحويرث: ان هذا لامر قد حدث وذلك فى الليلة التى ولد فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعل عثمان يقول شعرا.
أيا صنم العيد الذى صف حوله + صناديد وفد من بعيد ومن قرب
تنكس مقلوبا فما ذاك قل لنا + أأذاك شىء أم تنكس للعب
فإن كان من ذنب أسأنا فإننا + نبوء باقرار نلوى عن الذنب
وأن كنت مغلوبا تنكست صاغرا + فما أنت فى الأوثان بالسيد الرب
অর্থ: হযরত উরওয়াহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, নিশ্চয়ই কুরাইশদের কয়েকজন সরদার ওরাকাহ ইবনে নওফিল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, যায়িদ ইবনে আমর ইবনে নুফায়িল, উবায়দুল্লাহ ইবনে জাহাশ, উছমান ইবনে আল হাওয়াইরিছ এক রাত্রিতে এক প্রতিমার কাছে সমবেত হন। উনারা দেখলেন যে, একটি প্রতিমা উপুড় হয়ে পড়ে আছে। উনারা একে খারাপ মনে করে সোজা করে দিলেন। কিছুক্ষণ পর সেটি আবার সজোরে মাটিতে উপুড় হয়ে পড়ে গেলো। আবার সোজা করে দিলেন। কিন্তু তৃতীয় বার আবার মাটিতে লুটিয়ে পড়লো। উছমান ইবনে হুয়াইরিছ বললেন, অবশ্যই আজকে কিছু একটা ঘটেছে। আর সেই রাত্রিটি ছিলো নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর রাত্রি মুবারক। অতঃপর উছমান একটি কবিতা আবৃত করলো।
* হে মূর্তি! তোর কাছে দূর-দূরান্ত থেকে আগত আরব সরদারগণ রয়েছেন
* আর তুই উল্টে পড়ে আছিস। ব্যাপার কি বল, তুই কি খেলা করছিস?
* আমাদের দ্বারা কোনো গুনাহ হয়ে থাকলে আমরা তা স্বীকার করি এবং গুনাহ থেকে বেঁচে থাকি।
* আর যদি তুই লাঞ্ছিত ও পরাভূত হয়ে মাথা নত করে থাকিস, তবে তুই প্রতিমাদের সরদার ও প্রভু না।
قال فاخذوا الصنم فردوه إلى حاله، فلما استوى هتف بهم هاتف من الصنم بصوت جهير وهو يقول.
تردى لمولود أنارت بنوره + جميع فجاج الأرض بالشرق والغرب
وخرت له الأوثان طرا وأرعدت + قلوب ملوك الأرض طرا من الرعب
ونار جميع الفرس باخت وأظلمت + وقد بات شاه الفرس فى أعظم الكرب
وصدت عن الكهان بالغيب جنها + فلا مخبر منهم بحق ولا كذب
فيالقصى ارجعوا عن ضلالكم + وهتبوا إلى الاسلام والمنزل الرحب
অতঃপর উনারা প্রতিমাটি পুনরায় খাড়া করে দিলেন। এরপর সেই মূর্তির ভিতর থেকে আওয়াজ আসলো- 
* হে কুরাইশ সরদারগণ! শুনে রাখুন এ প্রতিমা ধ্বংস হয়ে গেছে সে সন্তানের কারণে যাঁর নূর মুবারক-এ সারা বিশ্ব আলোকিত হয়ে গেছে। যমীনের পূর্ব-পশ্চিমের সমস্ত কুফরী তছনছ হয়েছে। 
* উনার আগমনে সকল প্রতিমাই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। সমস্ত রাজা-প্রজাদের অন্তর উনার তাশরিফে এবং রোবে ভয়ে কেঁপে উঠেছে। 
* পারস্যের অগ্নিকুন্ড নিভে গেছে। ফলে পারস্যের সম্রাট খুবই মর্মাহত ব্যথিত হয়েছে। 
* অতিন্দ্রীয়বাদীদের কাছ থেকে তাদের জিনেরা উধাও হয়ে গেছে। এখন তাদের কেউ সত্য-মিথ্যার খবর পৌঁছাবে না।
* হে বনী কুছাই! পথভ্রষ্টতা পরিত্যাগ করো এবং প্রকৃত সত্য ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে সকলেই আশ্রয় নাও।
(ছবি ক্যপশন: খছায়িছুল কুবরা ১ম খন্ড ১২৯, ১৩০ পৃষ্ঠা
লেখক: হাফিজে হাদীছ , মুজাদ্দিদে যামান হযরত জালালুদ্দীন সুয়ুতি রহমতুল্লাহি আলাইহি)

বিস্তারিত

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ায় আগমন এবং বিদায় উভয়ই রহমত।

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ায় আগমন এবং বিদায় উভয়ই রহমত।

অনেকেই বলে থাকে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ১২ রবিউল আউওয়াল শরীফ দুনিয়ায় তাশরীফ এনেছেন, আবার একই দিনে বিদায় নিয়েছেন । তাহলে বিদায় দিনে খুশি প্রকাশ কেন?
তাদের এ ধরনের প্রশ্ন দ্বীন ইসলাম নিয়ে তাদের অজ্ঞতা প্রমান করে। আশ শিফা কিতাবে বলা আছে “ 
  وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ   “আর আপনাকে সারা জহানের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।” (সুরা আম্বিয়া ১০৭)
সুতরাং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পবিত্র হায়াতেও রহমত , ওফাতেও রহমত। যথা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন “ আমার জীবন এবং ওফাত উভয়টিই তোমাদের জন্য রহমত’ ।
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন “ আল্লাহ তায়ালা যখন কোন উম্মতের উপর রহমত নাযিল করার ইচ্ছে করেন তখন তাদের নবী উঠিয়ে নিতেন। তিনি উম্মতের পুর্বে আল্লাহ পাকের দরবারে পুছে উম্মতের মাগফেরাত কামনা করতেন”। এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে আল্লামা ফকীহ আবু লাইস রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন” হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমগ্র মানব ও জ্বীন জাতির জন্য রহমত”।
তথ্যঃ সুপ্রসিদ্ধ এবং বিখ্যাত কিতাব”  আশ শিফা বি তারিফে হুকুকিল মোস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” 
মূল : ইমাম কাযী আয়ায আন্দুলুসী রহমতুল্লাহি আলাইহি (পঞ্চম হিজরি শতক) 
অনুবাদ পৃ নং- ১৫
প্রকাশনীঃ মারকাজ ই আহলে সুন্নত 

বিস্তারিত

সর্বসম্মতক্রমে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত ১২ রবিউল আউওয়াল

 সর্বসম্মতক্রমে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত ১২ রবিউল আউওয়াল

১. ইমাম ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি (৮৫-১৫১ হি): হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ১২ রবিউল আউওয়াল শরীফ দুনিয়ায় আগমন করেন ( ইবনে আল জাওজি আল ওয়াফা , ৮৭ ) 
২. ইমাম ইবনে হিসাম রহমতুল্লাহি আলাইহি ( ২১৩হি):  
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমূল ফীলের ১২ রবিউল আউওয়াল শরীফ দুনিয়ায় আগমন করেন  (সিরাতুননবী, ভলিউম ১ ,পৃ ১৫৮ )
৩. ইমাম ইবনে জারীর আত তাবারী রহমতুল্লাহি আলাইহি ( ২২৪-৩১০হি):  
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমূল ফীলের ১২ রবিউল আউওয়াল শরীফ দুনিয়ায় আগমন করেন  ( তারিখ উল উমাম ওয়াল মুলুক, ভলিউম ২, পৃ ১২৫ )
৪. আল্লামা আবু উল হাসান আলী বিন মুহম্মদ আল মাওয়ার্দি রহমতুল্লাহি আলাইহি ( ৩৭০-৪৮০হি):  
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  আসহাবুল ফিল ঘটনার ৫০ দিন পর ১২  রবিউল আউওয়াল শরীফ দুনিয়ায় আগমন করেন  ( আইলাম ঊন নবুয়া, ১৯২) 
৫. ইমাম আল হাফিজ আবু উল ফাতাহ আল আন্দুলাসী রহমতুল্লাহি আলাইহি (৬৭১-৭৩৪ হি):  হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমূল ফীলের ১২ রবিউল আউওয়াল শরীফ দুনিয়ায় আগমন করেন  (আয়ুন আল আসর, ভলি ১, পেজ ৩৩) 
৬. আল্লামা ইবনে খালদুন রহমতুল্লাহি আলাইহি ( ৭৩২- ৮০৮ হি): 
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমূল ফীলের ১২ রবিউল আউওয়াল শরীফ দুনিয়ায় আগমন করেন। যা ছিল কিসরা নওশেরওয়ান  এর ৪০ তম বছর ( আত তারিখ ,ভলি ২, পেজ ৩৯৪ ) 
৭. মুহম্মদ আস সাদিক ইব্রাহীম আরজুন রহমতুল্লাহি আলাইহি:  
বিভিন্ন সুত্র থেকে ইহাই প্রতিষ্ঠিত সত্য যে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমূল ফীলে , কিসরা ণওশেরওয়ান রাজত্বকালীন ১২ রবিউল আউওয়াল শরীফ দুনিয়ায় আগমন করেন  ( মুহম্মদ রাসুলুল্লাহ , ভলি ১ , পেজ ১০২) 
৮.শায়েখ আবদুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি (৯৫০- ১০৫২হি):  
যে সিরাতবীদ এবং ইতিহাসবিদগণ এই মত প্রকাশ করেন যে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমূল ফীলে দুনিয়ায় আগমন করেন।ইহাই প্রতিষ্ঠিত সত্য যে সে মাস ছিল রবিউল আউওয়াল এবং তারিখ ছিল ১২। সকল স্কলারগণ ইহাতেই মত প্রকাশ করেছেন।( মাদারেজুন নবুয়াহ, ভলি ২, পেজ ১৪ )
৯. সালাফী নবাব সাদিক হাসান খান ভোপালী বলে” হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন মক্কা শরীফে ফজর বেলায় ,সোমবার ,১২ রবিউল আউওয়াল শরীফে হয়। (আস সুমামাতুল আনবারিয়া ফি মাওলিদ খায়ের আল বারিয়া, পৃ ৭) 
১০. ওহাবী সালাফীরা যাকে গুরু মানে সে ইবনে কাশীর রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন “ ইবনে আবী সাইবাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘মুসান্নাফে’ হযরত আফফান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ননা করেন যে “হযরত যাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হস্তী বছরের ১২ রবিউল আউওয়াল সোমবারে শরীফে দুনিয়ায় আগমন করেন”।( সিরাতুননবী , ভলি ১, পেজ ১৯৯ )  
১১. ইমাম কুস্তলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন “হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ১২ রবিউল আউওয়াল শরীফ দুনিয়ায় আগমন করেন এবং মক্কা শরীফের মুসলমানগণ এই দিনে জন্মস্থান প্রত্যক্ষ করতে যেতেন”। (আল লাদুন্যিয়া, ভলি ১্পে‌ জ ৮৮) 

বিস্তারিত

ঈদে মীলাদুন নবীতে ছলাত, খুতবা নেই কেন? অবান্তর প্রশ্নের জবাব-

ঈদে মীলাদুন নবীতে ছলাত, খুতবা নেই কেন? অবান্তর প্রশ্নের জবাব-
ঈদে মীলাদুন নবী’ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো, তবে এখানে ছলাত থাকতো, খুতবা থাকতো। এর জবাব- 

ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার জাহিল উলামায়ে সূ’রা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, ‘ঈদে মীলাদুন নবী’ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো, তবে এখানে ছলাত থাকতো, খুতবা থাকতো। ছলাত ডবল হতো, খুতবা ডবল হতো। কিন্তু এখানে ছলাত, খুতবা নেই।’ নাঊযুবিল্লাহ!

এর জাওয়াব হলো:- পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ অর্থাৎ সকল ঈদের সেরা ঈদ সেহেতু এ ঈদে এমন ছলাত রয়েছে যেই ছলাত শুধু ডবলই নয় বরং দায়িমী ছলাত। এ ছলাত শুরু হয়েছে সৃষ্টির শুরু থেকে এবং এটা জারী থাকবে অনন্তকাল ধরে। কারণ এ ছলাত স্বয়ং আল্লাহ পাক পড়েন। সুবহানাল্লাহ!
বিস্তারিত

এক নজরে সৃষ্টির শুরু থেকে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের ইতিহাস

এক নজরে সৃষ্টির শুরু থেকে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের ইতিহাস
১.  সৃষ্টির শুরুই হয়েছে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের জন্য। https://goo.gl/YXxtkf
২. মহান আল্লাহ পাক স্বয়ং নিজেই সর্বপ্রথম মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করেন https://goo.gl/QhKGhP
০৩. সমস্ত নবী রাসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন https://goo.gl/oguRBS
৪. হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন।https://goo.gl/nTem2r
৫. হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন  https://goo.gl/YK3hPm
৬. হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন https://goo.gl/POavDX
বিস্তারিত