সুরা ইউনুসের অনুগ্রহ ও রহমত বলতে কি কোরআন শরীফ বুঝায় নাকি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে

সুরা ইউনুসের  অনুগ্রহ ও রহমত বলতে কি কোরআন শরীফ বুঝায় নাকি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে
এক শ্রেণীর লোকেরা ফতওয়া দেয় মিলাদুন্নবী  ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  পালন করা ‘শিরক’-‘বিদ’আত’-‘বিধর্মীদের নীতি’ ইত্যাদি ইত্যাদি। খুব জানতে ইচ্ছা করে এদের মত ফতওয়াবাজেরা এই ক্ষেত্রে কি ফতওয়া দিবে! ! ! 
মীলাদুন্নবী বা রাসূল হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  এর দুনিয়ায় আগমনের ঈদ বা আনন্দ উৎসব করার দলীল পবিত্র কুর’আনের এই আয়াতটি
 قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَ بِرَحْمَتِهِ فَبِذَالِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَا خَىْرٌ مِمَّا ىَجْمَعُوْنَ 
  • অর্থাৎ- "হে রাসুল আপনি বলুন আল্লাহর “অনুগ্রহ” ও “রহমত” প্রাপ্তিতে তাঁদের মুমিনদের খুশি উদযাপন করা উচিত এবং এটা হবে তাদের অর্জিত সকল কর্মফলের চেয়েও শ্রেষ্ট"। [সুরা ঈউনূছ,আয়াত ৫৮] 
বিস্তারিত

মিলাদ-ক্বিয়াম সমস্ত নবি-রাসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুন্নত

মিলাদ-ক্বিয়াম সমস্ত নবি-রাসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুন্নত
এ পৃথিবীতে যত নেয়ামত রয়েছে বা এসেছে এর মধ্যে সবচেয়ে বড় নেয়ামত হচ্ছে রাসুলে করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম। আল্লাহর এ নেয়ামত ও নুগ্রহকে কেন্দ্র করে রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মীলাদ বা জন্ম তথা দুনিয়ায় শুভাগমনের কথা আলোচনা করেছেন স্বয়ং রাব্বুল আলামীন নিজে। এর পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ও আনন্দ করার নির্দিশও তিনি নিজে দিয়েছেন।
 যেমনঃ 
  • ১. নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট তোমাদের থেকে এমন একজন রাসূল এসেছেন যাঁর নিকট তোমাদের দুঃখ-কষ্ট দুঃসহ। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী এবং মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল ও দয়াময়। [সূরা তাওবা ১১৮] 
  • ২. হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম  মহান আল্লাহ তা’আলা এর দরবারে ফারিয়াদ জানান, “ওহে আল্লাহ পাক তাঁদের মধ্যে তাঁদের হতে এমন একজন রাসূল প্রেরণ করুন, যিনি আপনার বাণীসমূহ তাঁদেরকে পাঠ করে শুনাবেন এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দিয়ে পবিত্র করবেন। নিশ্চয়ই আপনিও অতিশয় পরাক্রমশালী ও মহাজ্ঞানী” [সূরা বাকারা ১২৯] 
বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুন্নবি দলিল একসাথে ----

ঈদে মিলাদুন্নবি দলিল একসাথে ----
ঈদে মিলাদুন্নবী -
১. আল্লাহ পাক কি বলেছেন ?- http://goo.gl/Y4IkyX
২. নবিজি কি পালন করেছেন ? - http://goo.gl/2d0R5L
৩. নবি-রাসুলগন কি পালন করেছেন ? - http://goo.gl/lKLXHb
৪. খোলাফায়ে রাশেদীন কি পালন করেছেন?- http://goo.gl/fOadcp
৫. ছাহাবাগন কি পালন করেছেন ? - http://goo.gl/0RSrln
৬. তাবেয়ী-তাবেতাবেঈন কি পালন করেছেন ? - http://goo.gl/VEUJc9
৭. ইমাম-মুজতাহিদগন কি পালন করেছেন ? - http://goo.gl/ZPBE02
৮. মক্কা-মদীনা শরীফে কি পালন হয়? - http://goo.gl/oRVXm9
৯. দেওবন্দী - কওমীদের গুরুরা কি বলেছে?- http://goo.gl/4VBr6t

তাহলে যারা তোতা পাখির মত মুখস্থ কথা বলে " ইহা বিদয়াত" তারা কি কোরান হাদীস -হাদিস -ইজমা ক্বিয়াসকে অস্বীকারকারী নয় ?
এমন ব্যক্তি মুসলমান থাকবে কি ?
বিস্তারিত

মিলাদ শরীফ শব্দের অর্থ কি ?

মিলাদ (ميلاد), 
মাওলেদ (مولد) এবং 
মাওলুদ (مولود) এ তিনটি শব্দের আভিধানিক অর্থ যথাক্রমে হল জন্মদিন, জন্মকাল ও জন্মস্থান প্রভৃতি।

  • সুপ্রসিদ্ধ আল মুনজিদ নামক আরবি অভিধানের ৯১৮ পৃষ্ঠায় রয়েছে, 
الميلاد –  وقت الولادة অর্থাৎ মিলাদ অর্থ জন্মসময়।
المولد – موضع الولادة  او وقتها মাওলেদ অর্থ জন্মস্থান অথবা জন্মসময়।
 المولود –  الولد الصغير মাওলুদ অর্থ ছোট শিশু।
বিস্তারিত

মক্কা শরীফের ফতোয়াদাতাগনের জবাব ও ফতোয়া ।

মক্কা শরীফের ফতোয়াদাতাগনের জবাব ও ফতোয়া ।

بسم الله الرحمن الرحيم

আল্লামা আব্দুর রহীম তুর্কমানী রহমতুল্লাহি আলাইহি ১২৮৮ হিজরী সনে মক্কা ও মদিনা এবং জেদ্দাহ ও হাদিদার উলামায়ে কেরামের দ্বারা মিলাদ ও কিয়াম সম্পর্কে একটি ফতোয়া লিখিয়ে হিন্দুস্তানে নিয়ে আসেন এবং নিজ গ্রন্থ ” রাওয়াতুন নাঈম ” -এর শেষাংশে ছেপে প্রকাশ করেন ।

প্রশ্নঃ আল্লাহ তায়ালা অসীম রহমত আপনার উপর বর্ষিত হোক । নিম্নে বর্নিত বিষয়ে আপনার অভিমত ও ফতোয়া কি ?

” মিলাদ শরীফ পাঠ করা – বিশেষ করে নবী করিম সাল্লাল্লাহয় আলাইহে ওয়াসাল্লামের পবিত্র জন্ম বৃত্তান্ত পাঠকালে কিয়াম করে সম্মান প্রদর্শন করা , মিলাদের জন্য দিন তারিখ নিদিষ্ট করা , মিলাদ মজলিস কে সাজানো , আতর গোলাপ ও খুশবু ব্যাভার করা। কুরআন শরীফ হতে সুরা ক্বেরাত পাঠ করা এবং মুসলমানদের জন্য খানাপিনা (তাবারুক) তৈরি করা – এই ভাবে অনুষ্ঠান করা জায়েয কিনা এবং অনুষ্ঠানকারীগন এতো সাওয়াবের অধিকারী হবেন কিনা ? বর্ণনা করে আল্লাহর পক্ষ হতে পুরস্কৃত হোন ।
বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুননবীতে শয়তান কেদেছিল -----

ঈদে মিলাদুননবীতে শয়তান কেদেছিল -----
ইবন কাসির এর আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ২য় খন্ড, ১৬৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছেঃ
ইবলিশ শয়তান জীবনে ৪ বার খুব বেশি কেঁদেছে-
 أن إبليس رن أربع رنات حين لعن وحين أهبط وحين ولد رسول الله صلى الله عليه وسلم وحين أنزلت الفاتحة
১. আল্লাহ যখন তাকে অভিশপ্ত হিসেবে ঘোষণা দিলেন,
২. যখন তাকে বেহেস্ত থেকে বিতাড়িত করা হল,
৩. নূর নবীজীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়াতে আগমনের সময় এবং
৪. সূরা ফাতিহা নাযিল হবার সময়

অর্থাৎ ইবলিশ ব্যতিত সকলে এ দিবস পালন করেছিল ।
যারা এ দিবসকে বিদয়াত বলে থাকে তারা ইবলিশের কায়িম মাকাম 
বিস্তারিত

ঈদের সংজ্ঞা কি ?

ঈদের সংজ্ঞা কি ?
এখন আমরা ঈদের সংজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করব
 ১. ঈদের সংজ্ঞা বর্ণনা করতে গিয়ে আরবী অভিধানের অন্যতম কিতাব ‘আল মুজামুল ওয়াসীত’ এর ৬৩৫ পৃষ্ঠায় আছে-

  • “ঈদ বলা হয় কোন দুশ্চিন্তা বা কোন রোগ অথবা কোন আকাংখ্যা বা এ ধরণের অন্যান্য বিষয় যা বারবার ফিরে আসে এবং এমন প্রত্যেক দিনকে ঈদের দিন বলা হয় যে দিন কোন সম্মানীত বা প্রিয়তম ব্যক্তির স্মরণে মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়”।
বিস্তারিত

ঈদ কি শুধু দুটিই?


পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধী সম্প্রদায়ের নেতারা বলে থাকে ইদুল ফিতর ও ইদুল আযহা ছাড়া আর কোনো ঈদ নেই। তারা নিজেদের এই মনগড়া মন্তব্য প্রমাণের জন্য এই হাদীসটি উল্লেখ করে- "সাহাবী আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু  থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলে কারীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদীনায় আসলেন তখন দেখলেন বছরের দুটি দিনে মদীনাবাসীরা আনন্দ-ফুর্তি করছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন এ দিন দুটো কি? তারা বলল যে আমরা ইসলামপূর্ব মুর্খতার যুগে এ দুদিন আনন্দ-ফুর্তি করতাম। রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ 'আল্লাহ তাআলা এ দুদিনের পরিবর্তে এর চেয়ে উত্তম দুটো দিন তোমাদের দিয়েছেন। তা হল ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতর'" ( আবু দাউদ)

 সুপ্রিয় পাঠকবৃন্দ, ভালমত লক্ষ করুন এখানে ইদুল ফিতর ও ইদুল আযহা কে দুটি ঈদের দিন হিসেবে বলা হয়েছে কিন্তু কোথাও কি বলা হয়েছে এই দুটি দিন ছাড়া আর কোনো ঈদ নেই? উত্তর হল না। যার কারণেই পবিত্র কুরআন ও আরও অসংখ্য হাদীসে আরও অনেক দিনকে ঈদ এর দিন হিসেবে উল্লেখ হয়েছে। পবিত্র কুরআনেঃ- সূরা মায়িদাহ এর ১১৪ নং আয়াতটির যারা আরবী পড়তে পারেন তারা আরবী পাঠের দিকে নজর দিন ভালমত।
বিস্তারিত

হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের ঈদে মিলাদুননবি পালন



মক্কা শরীফের অন্যতম প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা শিহাব উদ্দিন আহমদ ইবনে হাজার আল হায়তামী আশশাফী রহমতুল্লাহে আলাইহি (জন্ম- ৮৯৯ হিজরী, ওফাত- ৯৭৪ হিজরী) তাঁর সুবিখ্যাত “আন নেয়মাতুল কুবরা আলাল আলাম” কিতাবের মধ্যে নিম্নোক্ত হাদীস গুলো তিনি বর্ণনা করেন-
১। সর্বশ্রেষ্ট সাহবী ও ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন-
مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَمًا عَلَى قِرا ةَ مَوْ لِدِ النَّبىُ مَلَى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَنَرَفِيْقِى فىِ الجَنّةِ
অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষ্যে এক দিরহাম খরচ করবে সে জান্নাতে আমার সঙ্গী হবে”।
  • আন নেয়মাতুল কুবরা আলাল আলাম, পৃষ্ঠা নং-৭
বিস্তারিত

হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ মোহাদ্দিসে দেহলভী রহমতুল্লাহে আলাইহি ঈদে মিলাদুননবী পালন

হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ মোহাদ্দিসে দেহলভী রহমতুল্লাহে আলাইহি ঈদে মিলাদুননবী পালন
হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ মোহাদ্দিসে দেহলভী রহমতুল্লাহে আলাইহি তার রচিত “আদ দুররুস সামীন ফী মুবাশশারাতিন নবীয়্যিল আমীন” কিতাবের ৯ম পৃষ্ঠায় লিখেছেনঃ 

“আমার শ্রদ্ধেয় আব্বাজান আমাকে অবহিত করে বলেন, আমি প্রতি বছরই নবীকুল সর্দার ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মীলাদ উপলক্ষ্যে বিরাট খাবার আয়োজন করে আসছিলাম। অতঃপর এক বছর খাবারের আয়োজন করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। সুতরাং অল্প ভাজ্যকৃত চনা ব্যতীত আর কিছুই আমি জোগাড় করতে পারিনি। কাজেই সেগুলো উপস্থিত লোকদের মাঝে বন্টন করে দিলাম। অতঃপর আমি স্বপ্নে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাক্ষাত লাভ করে ধন্য হলাম। দেখলাম, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে ঐ চনাগুলো মওজুদ আছে। তখন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন অত্যন্ত আনন্দিত ও হাস্যোজ্জল”।


  • তথ্যসূত্রঃ ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন, পৃষ্ঠা নং-৮১, 
  • ফতুয়ায়ে রশীদিয়া, পৃষ্ঠা নং- ১৩৭, 
  • হাকিকতে মীলাদ, পৃষ্ঠা নং-২৮

 “ফয়ূযুল হারামাইন” কিতাবে শাহ ওয়ালী উল্লাহ মোহাদ্দিসে দেহলভী রহমাতুল্লাহে আলাইহি আরো বলেনঃ 
“আমি এর পূর্বে মক্কা মু’আযযামায় বেলাদত শরীফের বরকতময় ঘরে উপস্থিত ছিলাম। আর সেখানে লোকজন সমবেত হয়ে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর একত্রে দরুদ শরীফ পাঠা করছিলেন। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শুভাগমনের সময় সংঘটিত অলৌকিক ঘটনাবলী ও তার নবুয়ত প্রকাশের পূর্বে সংঘটিত ঘটনাবলী আলোচনা করছিলেন। তারপর আমি সেখানে এক মিশ্র নূরের ঝলক প্রত্যক্ষ করলাম। আমি বলতে পারিনি যে, এ নূরগুলো চর্মচক্ষে দেখেছিলাম এবং এটাও বলতে পারি না যে, এগুলো কেবল মাত্র অন্তর চক্ষুতে দেখেছিলাম। এ দুটোর মধ্যে প্রকৃত ব্যাপার কি ছিল, তা আল্লাহ পাকই ভাল জানেন। অতঃপর আমি গভীরভাবে চিন্তা করলাম এবং উপলব্ধি করতে পারলাম যে, এই নূর বা জ্যোতি ঐ সব ফিরিশতার, যারা এ ধরণের মজলিস ও উল্লেখযোগ্য (ধর্মীয়) স্থানসমূহে (জ্যোতি বিকিরণের জন্য) নিয়োজিত থাকেন। আমার অভিমত হল সেখানে ফিরিশতাদের নূর ও রহমতের নূরের সংমিশ্রণ ঘটেছে”।

  • ফয়ূযুল হারামাইন (আরবী-উর্দু), পৃষ্ঠা নং- ৮০-৮১


বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুননবি পালনে মুনাফিকদের অন্তরে অসহনীয় জ্বালা সৃষ্টি হয়

ঈদে মিলাদুননবি পালনে মুনাফিকদের অন্তরে অসহনীয় জ্বালা সৃষ্টি হয়
আল্লামা কুস্তোলানী রহমাতুল্লাহে আলাইহি স্বীয় মাওয়াহিব গ্রন্থে বলেন-
“প্রতিটি যুগে মুসলমানগণ নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বেলাদত শরীফের মাসে মাহফিলের আয়োজন করে আসছেন। উন্নত মানের খাবারের আয়োজন করেন, এর রাতগুলোতে বিভিন্ন ধরণের সাদক্বাহ- খায়রাত করেন, আনন্দ প্রকাশ করতে থাকেন, পুন্যময় কাজ বেশি পরিমাণে করেন এবং নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বেলাদত শরীফের আলোচনার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আসেন। ফলে আল্লাহর অসংখ্য বরকত ও ব্যাপক অনুগ্রহ প্রকাশ পায়। এর বিশেষত্বের এটাও পরীক্ষিত যে, নিঃসন্দেহে গোটা বছরই তারা নিরাপদে থাকে এবং তাদের উদ্দেশ্য দ্রুত সফল হয়ে থাকে”। (ইমাম কুস্তোলানী রহমতুল্লাহে আলাইহি দো’আ করে বলেন) অতএব, “ঐ ব্যক্তিকে আল্লাহ দয়া করুন, যে মীলাদুন্নবী মোবারক মাসের রাতগুলোকে ঈদ হিসেবে উদযাপন করে- এ লক্ষ্যে যেন মুনাফিকদের অন্তরে অসহনীয় জ্বালা সৃষ্টি হয়”।
  • শরহে জুলকানী, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা নং- ২৬১-২৬৩


বিস্তারিত

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্মদিনে ইবলিশই একমাত্র কেদেছিল ----

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্মদিনে ইবলিশই একমাত্র কেদেছিল ----
ইবন কাসির এর আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ২য় খন্ড, ১৬৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছেঃ
ইবলিশ শয়তান জীবনে ৪ বার খুব বেশি কেঁদেছে-
 أن إبليس رن أربع رنات حين لعن وحين أهبط وحين ولد رسول الله صلى الله عليه وسلم وحين أنزلت الفاتحة
১. আল্লাহ যখন তাকে অভিশপ্ত হিসেবে ঘোষণা দিলেন,
২. যখন তাকে বেহেস্ত থেকে বিতাড়িত করা হল,
৩. নূর নবীজীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়াতে আগমনের সময় এবং
৪. সূরা ফাতিহা নাযিল হবার সময়

তাহলে যারা এদিনকে বিদয়াত বলে ,বিরোধীতা করে তারা কি ইবলিশের কায়িম মাকাম নয় ? 
বিস্তারিত