ইন্তিকাল দিবসে আনন্দ প্রকাশ করার বিধান নিয়ে কিছু কথা

ইন্তিকাল দিবসে আনন্দ প্রকাশ করার বিধান নিয়ে কিছু কথা
ইন্তিকাল দিবসে আনন্দ প্রকাশ করা কি অন্যায় ? শরিয়ত কি বলে ?
উক্ত বক্তব্য কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর সম্পূর্ণ খিলাফ, যা কাট্টা কুফরী। কেননা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণের বিলাদত শরীফ, বিছাল শরীফ, পুনরুত্থান প্রত্যেকটিই রহমত, বরকত ও সাকীনার কারণ এবং ঈদ বা খুশি প্রকাশের কারণ।
বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুননবীতে শয়তান কেদেছিল

ঈদে মিলাদুননবীতে শয়তান কেদেছিল

ইবন কাসির এর আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ২য় খন্ড, ১৬৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছেঃ
ইবলিশ শয়তান জীবনে ৪ বার খুব বেশি কেঁদেছে-
أن إبليس رن أربع رنات حين لعن وحين أهبط وحين ولد رسول الله صلى الله عليه وسلم وحين أنزلت الفاتحة
১. আল্লাহ যখন তাকে অভিশপ্ত হিসেবে ঘোষণা দিলেন,
২. যখন তাকে বেহেস্ত থেকে বিতাড়িত করা হল,
৩. নূর নবীজীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়াতে আগমনের সময় এবং
৪. সূরা ফাতিহা নাযিল হবার সময়
অর্থাৎ ইবলিশ ব্যতিত সকলে এ দিবস পালন করেছিল ।
যারা এ দিবসকে বিদয়াত বলে থাকে তারা ইবলিশের কায়িম মাকাম
বিস্তারিত

মীলাদুন্নবী পালনের বিরোধীতাকারী কারা !

মীলাদুন্নবী পালনের বিরোধীতাকারী কারা !
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অধিষ্ঠান ও পবিত্রতা বর্ণনার মাধ্যমে আল্লাহ পাক বিদ্বেষ পোষণকারীদের মন্দ স্বভাব ও জঘন্য দোষ এভাবে বর্ণনা করেছেন: “আপনার প্রতিপালকের অনুগ্রহে আপনি উন্মাদ নন। আর আপনার জন্য অবশ্যই রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার এবং আপনি অবশ্যই মহানতম চরিত্রের অধিকারী।” (সূরা ক্বলম : আয়াত শরীফ ২-৪)।
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ওলীদ বিন মুগীরা পাগল বলে অপবাদ দিয়েছিল। এতে তার প্রতি অসন্তু'ষ্ট হয়ে আল্লাহ পাক এই আয়াত শরীফ-এ আপন হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, এর মর্যাদা ও মর্তবা প্রকাশ করেছেন। অতঃপর ওলীদ বিন মুগীরার স্বভাব সম্পৃক্ত দোষ এবং আভ্যন্তরীণ কলঙ্ক ও গলদ বিশ্ববাসীর অবহিতির জন্য আল্লাহ পাক স্থায়ী দৃষ্টান্ত হিসেবে এভাবে পাক কুরআন-এ অন্তর্ভুক্ত করেছেন: “(হে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি তার কথায় কর্ণপাত করবেন না। সে (ওলীদ বিন মুগীরা)
১.মিথ্যে শপথকারী,
২.অপমানিত,
বিস্তারিত

ইবনে কাশীর এর নিকট ঈদে মিলাদুননবী

ইবনে কাশীর এর নিকট ঈদে মিলাদুননবী
হযরত ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি রচিত ‘যিকরে মাওলিদে রসূল’ কিতাবে ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
সালাফীদের কাছে খুবই সমাদৃত আলেম হযরত ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি রচিত ‘যিকরে মাওলিদে রসূল’ কিতাবে উনি ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ব্যাপক দলীল পেশ করেছেন। লা মাযহাবীরা কি ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহিরও বিরোধীতা করবে?
বইটির আরবী এবং ইংরেজী পিডিএফ দেয়া হলোঃ
১) আরবীঃ https://goo.gl/mkDeA1
২) ইংরেজীঃ https://goo.gl/9fCFZI
বিস্তারিত

মীলাদুন্নবীর বিরোধীতাকারীদের জবাব

মীলাদুন্নবীর বিরোধীতাকারীদের জবাব
এক শ্রেণীর লোক রয়েছে যারা বলে ঈদে মীলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাকি শিরক ও বিদাত (নাউযুবিল্লাহ) । তাদের এ বক্তেব্যে কলিজা কাটা খন্ডনমূলক জবাব
ইসলামে বর্ণনা রয়েছে আমাদের নবীজির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা আল্লাহ পাকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা। আল্লাহ পাক বলেন, আমি আমার রসূলকে সৃষ্টি না করলে কোন কিছুই সৃষ্টি করতাম না। সুতরাং স্পষ্টভাবে প্রতিয়মান হয় আমাদের নবীজির প্রতি আনুগত্যতাই প্রকৃত ঈমানদারের লক্ষণ। কথায় বলে মাথা এবং এবং পা এক জিনিস না । যেমন: শেষ্ঠতম সৃষ্টি ও স্বাভাবিক সৃষ্টি দুটি ভিন্ন বিষয়। সুতরাং সাধারণ জনগণ বিশেষ মহাজনের দিকে রুজু থাকবে এটাই বিশেষ ব্যক্তিত্বের লক্ষণ। নবীজি এবং উম্মতের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও অনেক উর্ধের। আর এই বিষয়টি প্রমাণ করে আল্লাহ পাকের কুদরতি বিষয়। এখন প্রশ্ন হল,নবীজির প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা উম্মতের কাজ। আর যার সাথে ছলাত-সালাম তাঁর স্থান আল্লাহর পরেই। কেউ কেউ বলে নবীজিকে নূর বললে,হাযির-নাযির বললে, ইলমে গাইমের অধিকারী বললে নাকি আল্লাহ পাককে খাট করা হয় (নাউযুবিল্লাহ)।
বিস্তারিত

হাদীস শরীফকে জাল বলার পরিণতি

হাদীস শরীফকে জাল বলার পরিণতি
বর্তমানে এক শ্রেনীর মানুষের আর্বিভাব হয়েছে, এদের বিন্দুমাত্র যোগ্যতা না থাকার পরও বিভিন্ন হাদীস শরীফ সমূহকে জাল, মওযু ,মুনকার ইত্যাদি বলে থাকে। অথচ এধরনের কথা বলার পরিনাম কত ভয়াবহ হতে পারে সেটা কল্পনারও বাইরে। এ বিষয়ে একটা মশহুর ঘটনা রয়েছে।
হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে,
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من احتجم يوم الا ربعاء ويوم السبت فاصابه برص.
অর্থঃ- হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি বুধবার ও শনিবার শিঙ্গা লাগাবে, তার শ্বেতকুষ্ঠ রোগ হবে।”

হাদীস শরীফে আরো বর্ণিত রয়েছে,
النهى عن قص الاظفار يوم الاربع فانه يورث البرص.
অর্থঃ- “বুধবার দিনে নখসমূহ কাটা যাবেনা, নিশ্চয়ই ওটা শ্বেতকুষ্ঠ হওয়ার কারণ।”
বিস্তারিত

নবীজি নিজেই নিজের মীলাদুন্নবী পালন করেছেন

নবীজি নিজেই নিজের মীলাদুন্নবী পালন করেছেন

নবীজী নিজেই মীলাদুন্নবী নিয়মিত পালন করেছেন। এবং শুকরিয়া স্বরূপ রোজা রেখেছেন। হযরত আবু কাতাদা আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে সোমবারে রোযা রাখার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলো, তখন নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন যে, এদিন আমি বিলাদত (জন্ম) শরীফ লাভ করেছি, আর এদিনই আমার উপর ওহী বা কুরআন শরীফ নাজিল হয়েছে।”
[দলীলঃ সহীহ মুসলিম,হাদীছ শরীফ নং-২৮০৭,সুনানে আবু দাউদ, হাদীছ শরীফ নং-২৪২৮,সুনানে বায়হাকী [কুবরা], হাদীছ শরীফ নং-৮২১৭,সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীছ শরীফ নং-২১১৭, মুসনাদে আবি আওয়ানা, হাদীছ শরীফ নং-২৯২৬,মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ শরীফ নং-২২৫৫০]
বিস্তারিত

কিছু বেদাত আছে, যেগুলো জানা দরকার

কিছু বেদাত আছে, যেগুলো জানা দরকার
এক)) “নাওয়াইতুয়ান উসাল্লিয়া লিল্লাহে…….”পড়ে নামাজের নিয়ত, এটি নবীজীর আমলে ছিলো না। হযরতের যামানার কয়েকশ বছর পর এটির প্রচলন হয়।।এটি  বেদাত।
দুই)) মাদরাসা মক্তবে ছাত্র পড়িয়ে বেতনভাতা , এটা  নবীজীর জামানায় ছিলো না l এটি  বেদাত।
তিন)) রাসুল (স) সবসময় একটি তরকারি দিয়ে আহার করতেন, অল্প খেতেন। একাধিক তরকারি দিয়ে গলা পর্যন্ত খাবার  l  এটি  বেদাত।
চার)) বর্তমানে মাদরাসা বা মসজিদের জন্য যে বিরাটাকার দালান নির্মিত হচ্ছে, এবং বিভিন্ন উপকরণ দ্বারা সজ্জিত করা হচ্ছে, নবীজীর  জামানায় এমনটি ছিলো না। এটি  বেদাত।
পাঁচ)) রাসুল (স) এর জামানার বহু বছর পরে কুরআন শরীফে জের, জবর, পেশ সংযোজিত l জের,জবর,পেশ ওয়ালা কুরআন lএটি  বেদাত।
বিস্তারিত

ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর বিরোধীদের সংঘটিত বেদআত

ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর বিরোধীদের সংঘটিত বেদআত


বেদআত নং – ১/ 
আল্লাহতা’লার আদিষ্ট ও হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম - এর চর্চাকৃত একমাত্র মুসলিম সমাবেশ হলো হজ্জ্ব। ইসলামে অন্য কোনো আন্তর্জাতিক সমাবেশ নেই। এমতাবস্থায় তাবলীগের নামে বিশ্বব্যাপী মুসলিম সমাবেশের পক্ষে কুরঅান-হাদীসের দলিল কোথায় খুঁজে পাবেন? পাকিস্তান ও বাংলাদেশে বার্ষিক তাবলীগী এজতেমা’য় এমন কি হজ্জ্বের চেয়েও বেশি মুসলমান যোগ দেয়। এটি কি বেদআত নয়? 

বেদআত নং – ২/ 
পাকিস্তানে ১৯৭০-এর দশকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো কা’বা শরীফের ইমামকে পাকিস্তান সফরে অামন্ত্রণ করেন। ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ঘোর বিরোধী ওই সৌদি ইমাম পাকিস্তান এলে মুসলমান সর্বসাধারণ সমস্ত মসজিদ ত্যাগ করে তার ইমামতিতে বড় স্টেডিয়ামে জুম’আর নামায পড়েন। ইসলামে কি এমন ধর্মীয় সমাবেশের কোনো পূর্ব-নজির আছে?  মুসলমানদের ইতিহাসে এরকম ঘটনা কখনোই ঘটেনি যে মুসলমান সাধারণ নিজেদের মসজিদগুলো ত্যাগ করে স্রেফ সৌদি আরব থেকে আগত হওয়ার কারণে কোনো ইমামের পেছনে নামায আদায় করেছিলেন। এটি নিঃসন্দেহে এক বড় বেদআত। কেন তাহলে কা’বা শরীফের ইমাম ও তার ইমামতিতে নামায আদায়কারী মুসূল্লীদের বিরুদ্ধে কোনো ফতোওয়া জারি করা হয়নি?
বিস্তারিত

মিলাদ মাহফিলে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপস্থিত হন

মিলাদ মাহফিলে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপস্থিত হন
হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্নিত, রাসুল (সলল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেন, মি’রাজের রাত্রে আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম এর এক বিরাট জামাতকে দেখেছি, মুসা(আঃ) কে তাঁর কবরে নামাজ পড়তে দেখেছি।তাকে দেখতে মধ্য আকৃতির চুল কোকরানো সানওয়া দেশের লোকের মত।আমি ঈসা আলাইহিস সালাম কে দন্ডায়মান অবস্থায় নামাজ পড়তে দেখেছি, তিনি ওরওয়া ইবনে মাসউস(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর) মত।তার পরে সময় আসল আমি সকল নবী আলাইহিমুস সালাম এর ইমামতি করলাম।”
★ মুসলীমঃ৪/১৮৪৫পৃঃ,হাদিসঃ২৩৭৫
★মুসনাদে আহমদঃ৩/১৪৮পৃঃ
★দালায়েলুন নবুয়ত লিল বায়হাকীঃ২/৩৮৭পৃঃ
★ফয়জুল কাদীরঃ৫/৫১৯পৃঃ (ইমাম মানাবী)
ইত্যাদি…………..
বিস্তারিত

ঈদ-ই-মীলাদুন্ নবীর বিরোধীতাকারীরাই লাহাবী সন্তান

ঈদ-ই-মীলাদুন্ নবীর বিরোধীতাকারীরাই লাহাবী সন্তান

ঈদ-ই-মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের মত খোদায়ী ঈদ, মুত্তালিবী ঈদ, রসূল প্রেমিকদের ঈদ, সকল ঈদের ঈদ সে বিষয়টিকে মূল্যায়ণ না দিয়ে বাতিল ফিরকারা উল্লেখ করছে যে, " জন্মদিন পালন করা খৃষ্টানদের রীতি। অথচ এর পিছনে যে কোন ভিত্তি নেই যা তারাও জানে তাদের গুরু শয়তানও জানে।"

“Encyclopedia Americana”- তে উল্লেখ আছে, BIRTHDAYS, anniversaries of the day of birth. The practice of markaing an individual’s exact reckoning of time by a fix Calendar.
The custom of observing birthday’s, althangh an ancient one and at present very popular in many countries is, far from being universal.
বিস্তারিত

ইন্তিকাল দিবসে আনন্দ প্রকাশ এবং শরীয়তের ফায়সালা

ইন্তিকাল দিবসে আনন্দ প্রকাশ এবং শরীয়তের ফায়সালা


উক্ত বক্তব্য কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর সম্পূর্ণ খিলাফ, যা কাট্টা কুফরী। কেননা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণের বিলাদত শরীফ, বিছাল শরীফ, পুনরুত্থান প্রত্যেকটিই রহমত, বরকত ও সাকীনার কারণ এবং ঈদ বা খুশি প্রকাশের কারণ।
যেমন, হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার ব্যাপারে কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে- ‘উনার প্রতি সালাম (শান্তি), যে দিন তিনি বিলাদত শরীফ লাভ করেছেন এবং যেদিন তিনি বিছাল শরীফ লাভ করবেন এবং যেদিন তিনি পুনরুত্থিত হবেন।’ (সূরা মারইয়াম-১৫)
অনুরূপ হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম সম্পর্কে উনার নিজের বক্তব্য কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে- ‘আমার প্রতি সালাম যেদিন আমি বিলাদত শরীফ লাভ করি, যে দিন আমি বিছাল শরীফ লাভ করি এবং যেদিন পুনরুত্থিত হবো।’ (সূরা মারইয়াম -৩৩)
আর হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে- আল্লাহ পাক- উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- ‘আমার হায়াত-মউত সব অবস্থাই তোমাদের জন্য কল্যাণ বা খায়ের-বরকতের কারণ।’ (কানযুল উম্মাল)
বিস্তারিত