অজপাড়া গায়ের বৃদ্ধ হাবীবুজ্জামান ক্ষেপে উঠেছে। সারাজীবন নিজ গ্রামের গন্ডীর বাইরে তার যাওয়া হয়নি। ছেলের পুনঃপুনঃ আমন্ত্রণে অবশেষে তাকে শহরে যেতে হয়েছিল। সেখানে জনৈক আলিমের ওয়াজে শোনা ‘ক্ষমা করা মহান আল্লাহ্ পাক-এর সুন্নত, মহান আল্লাহ্ পাক-এর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত, হযরত ছাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের সুন্নত, হযরত আউলিয়া-ই-কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণের সুন্নত’ এই বক্তব্য বৃদ্ধ হাবীবুজ্জামানকে রীতিমত ক্ষুদ্ধ করে তুলেছে। শহরে এটে উঠতে না পেরে স্বগ্রামে গিয়ে সে রীতিমত হট্টগোল পাকিয়ে তুলেছে। “হেই মিঞারা বুঝলেননি, শহরের আলিমরা আলিম না। হেরা গোমরাহ্, হেরা বেদাতী, কুফুরী আরম্ভ করিচ্ছে। সারাজীবন আমরা হুনলাম সুন্নত, সুন্নত আল্লাহ্ পাক-এর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত। আর হেরা এখন নতুন বেদাতী শুরু করিচ্ছে। বলিচ্ছে, আল্লাহ্ পাক-এর সুন্নত, ছাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের সুন্নত, আউলিয়া-ই-কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণের সুন্নত।
বিস্তারিত

মিলাদুন্নবীর পক্ষে ইবনে তাইমিয়া ও আবদুল ওহাব নজিদীর মত

মিলাদুন্নবীর পক্ষে ইবনে তাইমিয়া ও আবদুল ওহাব নজিদীর মত


বর্তমানে যারা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্ননবীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদের জিজ্ঞাসা করলে তারাই স্বীকার করবে তাদের একমাত্র পছন্দনীয় ইমাম হচ্ছে ইবনে তাইমিয়া ও আব্দুল ওহাব নজদী। এরা ইমামে আযম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে সকল ইমাম মুস্তাহিদ আওলিয়ায়ে কিরামের বিরোধীতা করলেও ইবনে তাইমিয়া ও আব্দুল ওহাব নজদীর কোন বিরোধীতা করে না। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে তাদের কোন ফতোয়া যদি নিজেদের মন মত না হয় তবে সেটা সযত্নে গোপন করে রাখে। কিন্তু সত্য কি গোপন রাখা যায়?
ওহাবীদের গুরু ইবনে তাইমিয়া (১২৬৩খৃঃ - ১৩২৮খৃঃ) তার কিতাব “ইক্তিদায়ে সিরাতে মুস্তাকীম” এ লিখেছে,
বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুন্নবি বিদয়াত হলে যা বর্জন করবেন !

ঈদে মিলাদুন্নবি বিদয়াত হলে যা বর্জন করবেন !

আজকাল কিছু জাহেল ,অজ্ঞ ,মুর্খ লোক সকল বিদয়াতকেই (নতুন উদ্ভাবিত পদ্ধতি) গোমরাহী বলে থাকে এবং দলীল হিসাবে তারা নিম্নোক্ত হাদীস শরীফখানা পেশ করে থাকে - “প্রত্যেক বিদয়াতই গোমরাহী, আর প্রত্যেক গোমরাহ লোকই জাহান্নামে যাবে।”
কিন্তু তারা এ হাদীস বলেনা - “যে কেউ দ্বীন ইসলামে উত্তম কোন পদ্ধতি উদ্ভাবন করবে (যা শরীয়ত সম্মত), তার জন্য সে সাওয়াব পাবে এবং তারপরে যারা এ পদ্ধতির অনুসরণ করবে, তার সাওয়াবও সে পাবে |” (মুসলিম শরীফ)
যদি নতুন উদ্ভাবিত সব কিছুই বিদয়াত হত তাহলে এ হাদীসের কি ব্যাখ্যা ?
বিস্তারিত

মীলাদুন্নবী পালনের বিরোধীতাকারীদের পরিচয়

মীলাদুন্নবী পালনের বিরোধীতাকারীদের পরিচয়

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ওলীদ বিন মুগীরা পাগল বলে অপবাদ দিয়েছিল। এতে তার প্রতি অসন্তু'ষ্ট হয়ে আল্লাহ পাক এই আয়াত শরীফ-এ আপন হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, এর মর্যাদা ও মর্তবা প্রকাশ করেছেন। অতঃপর ওলীদ বিন মুগীরার স্বভাব সম্পৃক্ত দোষ এবং আভ্যন্তরীণ কলঙ্ক ও গলদ বিশ্ববাসীর অবহিতির জন্য আল্লাহ পাক স্থায়ী দৃষ্টান্ত হিসেবে এভাবে পাক কুরআন-এ অন্তর্ভুক্ত করেছেন: “(হে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি তার কথায় কর্ণপাত করবেন না। সে (ওলীদ বিন মুগীরা)

বিস্তারিত

জুমুয়ার দিন ঈদের দিন হলে সোমবার নয় কেন ?

জুমুয়ার দিন ঈদের দিন হলে সোমবার নয় কেন ?

"জুম’আর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন।" [ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮] 

"জুম’আর দিনটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনের চেয়েও শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনটি আল্লাহর কাছে অতি মর্যাদা সম্পন্ন।" [মুসনাদে আহমদঃ৩/৪৩০; ইবন মাজাহঃ১০৮৪] 

ان من افضل ايامكم يوم الجمعة فيه خلق ادم وفيه قبض 

বিস্তারিত

কওমি দেওবন্দীদের গুরুদের নিকট বিলাদত ১২ রবিউল আউওয়াল

কওমি দেওবন্দীদের গুরুদের নিকট বিলাদত ১২ রবিউল আউওয়াল

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসলে দেওবন্দী ওহাবীরা অপপ্রচার চালায় হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের তারিখ ১২ ই রবিউল আউয়াল শরীফ নয়। তারা তাদের পক্ষের দলীল দেয়ার জন্য মিশরের নাস্তিক মাহমুদ পাশার দলীল দেয়।

বিস্তারিত

এরাই আবার ঈদে মিলাদুননবীকে বিদয়াত বলে !

এরাই আবার ঈদে মিলাদুননবীকে বিদয়াত বলে !
শাইখুল হাদীছ আজিজুল হক ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে ‘আল কোরআনের দৃষ্টিতে মহিলাদের পর্দা’ শীর্ষক একটি বই লিখেছিল। সেই বইতে লেখা হয়:
“.... রং বেরংয়ের পোশাক, লিপিস্টিক লাগানো, পুরুষের সাথে অবৈধ মেলামেশা, থিয়েটার নাটক করা, সভা সমিতি করা, রাজনৈতিক আসরে নামা, প্রকাশ্যে সভা সমিতিতে বক্তৃতা দেয়া আর বেশ্যাবৃত্তি করা। শুধু পেশাদারী বেশ্যা নয় অপেশাদার বেশ্যাবৃত্তি করা। .....”
বিস্তারিত

সীরাত গ্রন্থে ১২ রবিউল আউওয়াল

বিশ্ববিখ্যাত সীরাতের কিতাব ‘সীরাতে ইবনে হিশাম’ এ উল্লেখ আছে-
ولد رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الاثنين لاثنتى عشرة ليلة خلت من شهر ربيع الاول عام الفيل
অর্থ: রাসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমুল ফীল বা হস্তী বৎসরের ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম বা সোমবার শরীফে বিলাদত (জন্ম) শরীফ লাভ করেন। সুবহানাল্লাহ!!
দলীল:
সীরাতে ইবনে হিশাম, ১ম খন্ড, ১৮৩ পৃষ্ঠা, বৈরুত (লেবানন) ছাপা।
অতএব, যারা বলে “১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্মদিন নয়” তারা মিথ্যাবাদী এবং সেই সাথে যারা বলে “১২ই রবীউল আউয়াল শরীফের ব্যাপারে কোন দলীল নাই” তারাও মিথ্যাবাদী ও নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুশমন।
বিস্তারিত

যারা বলে ২ ঈদ ব্যতিত আর কোন ঈদ নেই তারা হাদীস শরীফ অস্বীকারকারী

যারা বলে ২ ঈদ ব্যতিত আর কোন ঈদ নেই তারা  হাদীস শরীফ অস্বীকারকারী
অনেকেই ঈদে মিলাদুননবীর বিরোধীতা করতে যেয়ে বলে থাকে মুসলমানের ঈদ ২ টি। আর কোন ঈদ নেই।
অথচ সহি হাদীসে বর্নিত মুসলমানের জন্য জুমুয়ার দিন ও ঈদের দিন-

১ . "জুম’আর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন।"
[ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮]
২. "জুম’আর দিনটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনের চেয়েও শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনটি আল্লাহর কাছে অতি মর্যাদা সম্পন্ন।"
[মুসনাদে আহমদঃ৩/৪৩০; ইবন মাজাহঃ১০৮৪]
ان من افضل ايامكم يوم الجمعة فيه خلق ادم وفيه قبض
৩. অর্থ : তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে উত্তম দিন হচ্ছে, জুমুয়ার দিন। এদিনে আদম আলাইহিস সালাম পয়দা হয়েছেন এবং এদিনেই তিনি বিছাল বা ইন্তেকাল লাভ করেন!
[সহীহ নাসায়ী শরীফ -জুমুয়ার অধ্যায়]
৪. অতপর এই জুমুয়ার দিন ঈদের দিনকেই ঘোষনা করে ইরশাদ হয়-
ان هذا يوم جعله الله عيدا
অর্থ :এ জুমুয়ার দিন হচ্ছে এমন একটি দিন, যেদিনকে আল্লাহ পাক ঈদের দিন সাব্যস্ত করেছেন!"
[সুনানে ইবনে মাজাহ শরীফ; মুসনাদে আহমদ শরীফ; মিশকাত শরীফ - জুমুয়ার অধ্যায়]

তাহলে যারা বলে ২ ঈদ ব্যতিত আর কোন ঈদ নেই তারা কি হাদীস শরীফ অস্বীকারকারী নয় ?
তারা কি নবিবিদ্বেষি নয় ?
বিস্তারিত

ইবনে তাইমিয়া ও ইবনে আব্দুল ওহাব নজদীর ঈদে মিলাদ পালন

ইবনে তাইমিয়া ও ইবনে আব্দুল ওহাব নজদীর ঈদে মিলাদ পালন
বর্তমানে যারা পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু অালাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদের অধিকাংশেরই পছন্দনীয় ইমাম হচ্ছে ইবনে তাইমিয়া ও ইবনে আব্দুল ওহাব নজদী।
এরা ইমামে আযম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে সকল ইমাম মুজতাহিদ ও আওলিয়ায়ে কিরামের বিরোধীতা করলেও ইবনে তাইমিয়া ও ইবনে আব্দুল ওহাব নজদীর কোন বিরোধীতা করে না। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, ইবনে তাইমিয়া ও ইবনে আব্দুল ওহাব নজদীর এই অনুসারীগণের কাছে তাদের মুরুব্বীর দেয়া কোন ফতোয়া যদি নিজেদের মন মত না হয় তবে সেটা সযত্নে গোপন করতেও তারা দিধা করে না । কিন্তু সত্য কি গোপন রাখা যায়?
বিস্তারিত

জুমুয়ার দিন ঈদের দিন হলে সোমবার নয় কেন ?

জুমুয়ার দিন ঈদের দিন হলে সোমবার নয় কেন ?
"জুম’আর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন।"
[ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮]
"জুম’আর দিনটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনের চেয়েও শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনটি আল্লাহর কাছে অতি মর্যাদা সম্পন্ন।"
[মুসনাদে আহমদঃ৩/৪৩০; ইবন মাজাহঃ১০৮৪]
ان من افضل ايامكم يوم الجمعة فيه خلق ادم وفيه قبض
অর্থ : তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে উত্তম দিন হচ্ছে, জুমুয়ার দিন। এদিনে আদম আলাইহিস সালাম পয়দা হয়েছেন এবং এদিনেই তিনি বিছাল বা ইন্তেকাল লাভ করেন!
[সহীহ নাসায়ী শরীফ -জুমুয়ার অধ্যায়]
অতপর এই জুমুয়ার দিন ঈদের দিনকেই ঘোষনা করে ইরশাদ হয়-
ان هذا يوم جعله الله عيدا
অর্থ :এ জুমুয়ার দিন হচ্ছে এমন একটি দিন, যেদিনকে আল্লাহ পাক ঈদের দিন সাব্যস্ত করেছেন!"
[সুনানে ইবনে মাজাহ শরীফ; মুসনাদে আহমদ শরীফ; মিশকাত শরীফ - জুমুয়ার অধ্যায়]
বিস্তারিত

বেহেশতী জেওরে মিলাদের দলিল

বেহেশতী জেওরে মিলাদের দলিল
আজকে আপনাদের মীলাদ শরীফের এমন এক দলীল দেখাবো যে অনেকে হয়তো অবাকই হয়ে যাবেন। বিশেষ করে দেওবন্দী কওমী গ্রুপের লোক যারা তারা এই দলীল দেখার পরও মীলাদ শরীফের বিরোধীতা কিভাবে করে সেটাও দেখার মত একটা বিষয় হবে।
তো আসুন দেখা যাক দেওবন্দীদের অন্যতম মুরুব্বী আশরাফ আলী থানবীর বেহেশতী জেওর এর ৬ষ্ঠ খন্ডের “সীরাতে পাক” অধ্যায় থেকে বিষয়টা তুলে ধরা যাক:

“রসূলের জীবনী আলোচনার মজলিসকে কেহ সীরাতে পাকের মজলিস বলে। কেহ মওলুদ শরীফ বয়ানের মাহফিল বলে, কেহ মাহফিলে মীলাদ বলে। আসল উদ্দেশ্য একই ভাষা ভিন্ন। ইহা অত্যান্ত জরুরী।
বিস্তারিত