কোর্ট টাই বিদয়াত

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ

১. “যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাথে সামঞ্জস্য রাখল সে তাদের অন্তর্ভুক্ত”।
আবু দাউদঃ ৩৫১৪
২. “যে কোন কওমের সাথে সামঞ্জস্য রাখল, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত”।
আবু দাউদঃ ৩৫১৪, আহমদঃ ৫১০৬,
ইকতিদাউস সিরাতুল মুস্তাকিমঃ ১/২৪০,
ফাতহুল বারিঃ ১১/৪৪৩
বিস্তারিত

আপনি কি জান্নাতি নাকি জাহান্নামি হতে চান ?


বিস্তারিত

জাকির এর পিস টিভি বিদয়াত বনাম ঈদে মিলাদুন্নবী

“প্রত্যেক বিদয়াতই গোমরাহী, আর প্রত্যেক গোমরাহ লোকই জাহান্নামে যাবে।”
তাহলে বিদয়াতি ,জাহান্নামী জোকার নালায়েক ও তার অনুসারীদের ঈদে মিলাদুন্নবিকে বিদয়াত বলা কি গ্রহনযোগ্য হতে পারে , যেখানে তারা নিজেরাই বিদয়াতি ?
"আল্লাহর কাছে কতইনা নিকৃষ্ট তারা যারা লোকদেরকে এমন কথা বলে যা নিজেই আমল
করেনা।"





বিস্তারিত

ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে বীরযোদ্ধা হযরত সা্লাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি’র জয়লাভের মূল কারণ ছিলো ঈদে মীলাদুন নবী পালন ?

ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে বীরযোদ্ধা হযরত সা্লাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি’র জয়লাভের মূল কারণ ছিলো ঈদে মীলাদুন নবী পালন ?
সাহাবীগণ ঈদে মীলাদুন নবী পালন করতেন (https://goo.gl/i8UX7a)
ইমাম মুজতাহিদগণ ঈদে মীলাদুন নবী পালন করতেন (https://goo.gl/iTtzaa)
এবং মুসলিম মিল্লাতে ঈদে মীলাদুন নবী পালন হয়ে আসছিলো (https://goo.gl/N6aQLJ)
কিন্তু এ অনুষ্ঠানগুলো উনারা করতেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে, পারিবারিকভাবে কিংবা জামাতবদ্ধ হয়ে। কিন্তু খিলাফত বা সালতানাতের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হতো না। অথচ বর্তমানে প্রায় প্রত্যেক মুসলিম দেশেই ঈদে মীলাদুন নবী সরকারিভাবে চালু আছে।
এই চালুর বিষয়টি কিভাবে হলো ?? আসুন ইতিহাসটা জেনে নেই-
বিস্তারিত

সুরা ইউনুস এর ৫৮ নং আয়াত শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবি পালন করার ১০ টি তাগিদ ----

সুরা ইউনুস এর ৫৮ নং আয়াত শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবি পালন করার ১০ টি তাগিদ ----

قُلْ بِفَضْلِ اللّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْيَفْرَحُواْ هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ.
"বল, আল্লাহর দয়া ও মেহেরবাণীতে। সুতরাং এরই প্রতি তাদের সন্তুষ্ট থাকা উচিৎ। এটিই উত্তম সে সমুদয় থেকে যা সঞ্চয় করছ। [সুরা ইউনুস: ৫৮]
ঈদে মিলাদুন্নবি পালনে উপরের বর্নিত আয়াতের হুকুম যেই ভাষায় প্রয়োগ করা হয়েছে ,পবিত্র কোরআনের অন্য কোথাও এমনিভাবে জোর তাগিদের সাথে হুকুম আসেনি ।একটূ ফিকির করলে এই আয়াতে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনে কমপক্ষে ১০ টি তাগিদ রয়েছে -
১ ) قُلْ - قُلْ (কুল ) শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে কোন কথা শুরু করা হলে ,ইহাই এক প্রকারের জোর তাগিদ । যার উদ্ধেশ্য এই যে আপাদ-মস্তক নিমগ্ন হয়ে যাও ।
বিস্তারিত

মীলাদ শরীফ কি? মীলাদ শরীফ ও ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মধ্যে কি সম্পর্ক?

 মীলাদ শরীফ কি? মীলাদ শরীফ ও ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মধ্যে কি সম্পর্ক?
 মীলাদ শরীফ কি? মীলাদ শরীফ ও ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মধ্যে কি সম্পর্ক?

জবাবঃ স্মরণীয় যে, মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ-এর মূল উদ্দেশ্য হলো সংক্ষেপে  হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছানা-ছিফত ও বিলাদত শরীফ সম্পর্কে আলোচনা করা এবং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা।

এক কথায় মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বলতে কুরআন শরীফ তিলাওয়াত ও  হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  ছানা-ছিফত, তা’রীফ, প্রশংসা, উনার মু’জিযা বর্ণনা, বিলাদত শরীফ-এর আলোচনা, না’ত, শে’র, কাছীদা শরীফ পাঠ ও উনার প্রতি ছলাত ও সালাম প্রেরণ করা ইত্যাদি পাঠ করা হয়।যেমন-

১) মীলাদ শরীফ-এর প্রথমেই কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা হয়।

২) অতঃপর হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উপর ছলাত পাঠ করা হয়। কারণ ছলাত পাঠ করা আল্লাহ পাক এবং উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদেরই নির্দেশ।

৩) অতঃপর  হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উপর দাঁড়িয়েসালাম পেশকরা হয়।

মূলত মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্মানার্থে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার জন্যই মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয়।
বিস্তারিত

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতে কি বুঝায়?

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতে কি বুঝায়?
জবাবঃ মূলত ‘ঈদ’ অর্থ হচ্ছে খুশি বা আনন্দ প্রকাশ করা। আর ‘মীলাদ’ ও ‘নবী’ দুটি শব্দ একত্রে মিলে ‘মীলাদুন নবী’ বলা হয়। ‘মীলাদ’-এর তিনটি শব্দ রয়েছে- ميلادমীলাদ, مولدমাওলিদ ও مولودমাওলূদ। ميلاد‘মীলাদ’ অর্থ জন্মের সময়, مولد ‘মাওলিদ’ অর্থ জন্মের স্থান, مولود ‘মাওলূদ’ অর্থ সদ্যপ্রসূত সন্তান। আর النبى ‘নবী’ শব্দ দ্বারা নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

অর্থাৎ আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থে ميلاد النبى ‘মীলাদুন নবী’ বলতে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- বিলাদত শরীফকে বুঝানো হয়ে থাকে। আর পারিভাষিক বা ব্যবহারিক অর্থে ميلاد النبى ‘মীলাদুন নবী’ বলতে  হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে উনার ছানা-ছিফত বর্ণনা করা, উনার প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা, উনার পুতঃপবিত্র জীবনী মুবারকের সামগ্রীক বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করাকে বুঝানো হয়।

আর সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ,  ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতে প্রাণপ্রিয় নবীজি, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিলাদত শরীফ উনার জন্য খুশি প্রকাশ করা, শুকরিয়া আদায় করাকে বোঝায়। এখন এ খুশি প্রকাশ করা বিভিন্ন রকম হতে পারে। যে কোন নেক আমলের মাধ্যমেই এ খুশি প্রকাশ করা যেতে পারে। তবে সবচেয়ে উত্তম হল- হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পবিত্র শান মুবারকে ছলাত শরীফ, সালাম শরীফ পেশ করা, মীলাদ শরীফ পাঠ করা।
বিস্তারিত

যেভাবে এক বছরে মুসলমানদের জন্য ঈদের সংখ্যা সর্বমোট ১৭৭ বা ১৭৮ দিন

যেভাবে এক বছরে মুসলমানদের জন্য ঈদের সংখ্যা সর্বমোট ১৭৭ বা ১৭৮ দিন

ভূমিকাঃ
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, (হে আমার হাবীব!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা। অর্থাৎ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর অর্থাৎ কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা।
ইসলামী শরীয়তে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা ছাড়াও আরো অনেক ঈদ রয়েছে।
যারা বলে, ‘দুই ঈদ ব্যতীত আর কোনো ঈদ নেই’- তারা কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ অস্বীকারকারী। 

আর যারা কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ অস্বীকারকারী তারা শরীয়তের দৃষ্টিতে কাফিরের অন্তর্ভুক্ত।
বিস্তারিত

সম্পূর্ণ বিজাতীয় সংস্করণে বাজি ফুটিয়ে, কালিমার অবমাননার মাধ্যমে (নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক) সৌদি আরব ন্যাশনাল ডে পালন করল।

সম্পূর্ণ বিজাতীয় সংস্করণে বাজি ফুটিয়ে, কালিমার অবমাননার মাধ্যমে (নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক) সৌদি আরব ন্যাশনাল ডে পালন করল।

সৌদি আরবের জন্মদিন বা ন্যাশলান ডে হচ্ছে ২৩শে সেপ্টেম্বর। ১৯৩২ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর সৌদি রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। এদিন উপলক্ষে সউদী আরব সরকার ব্যাপক অানন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। রাষ্ট্রীয়ভাবে এ দিনটি অতি অতি গুরুত্বের সাথে আনন্দ উদ্দিপনার সাথে পালন হয়। জনগণও এ দিন রাস্তায় নেমে আসে। সবাই এক সাথে আনন্দ উদ্দিপনা করে।
এ সম্পর্কে ভিডিওগুলো দেখতে পারেন:
বিস্তারিত

কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথিত নামধারী হাদীস বিশারদ খন্দকার আ.ন.ম আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তির আরেকটি মিথ্যাচার

কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথিত নামধারী হাদীস বিশারদ খন্দকার আ.ন.ম আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তির আরেকটি মিথ্যাচার

আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর তার বইতে লিখেছে
‘‘ইবন আববাস বলেন, একদিন তিনি নিজ বাড়িতে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জন্মের ঘটনাবলি বর্ণনা করছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ আগমন করেন এবং বলেন: তোমাদের জন্য আমার শাফাআত পাওনা হলো।’’ (জালিয়াত লক্ষ্য করে নি যে, ইবন আববাসের বয়স ৮ বৎসর পূর্ণ হওয়ার আগেই রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ইন্তেকাল হয়। তিনি কি ৫/৬ বৎসর বয়সে ছেলেমেয়েদের হাদীস শুনাচ্ছিলেন!)///
তথ্যসূত্র- ওহাবী/আহলে হাদীসদের ওয়েবসাইট
http://www.hadithbd.com/showqa.php?b=37&s=393
বিস্তারিত

কানা শয়তান সউদি গ্রান্ড মুফতের কাছে ঈদে মিলাদুননবি বিদয়াত হয়, আর ওহাবী ইহুদি সরকারের সব হারাম জায়েয ?

কানা শয়তান সউদি গ্রান্ড মুফতের কাছে ঈদে মিলাদুননবি বিদয়াত হয়, আর ওহাবী ইহুদি সরকারের সব হারাম জায়েয ?
কানা বাজ শয়তানীর পরম উদাহরন সৃষ্টি করে একের পর এক ইসলামের হালাল বিষয়কে হারাম ফতোয়া সেয়।

  • এই কানা শয়তান ঈদে মিলাদুননবিকে বিদয়াত বলে http://goo.gl/eKhySY কিন্তু এই কানা শয়তান যখন সারা বিশ্বে কাফিরেরা মুসলিম নির্যাতন করছে তাদের বিপক্ষে কিছু বলেনা। উলটা এই কানা শয়তান কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদকে হারাম ফতোয়া দেয়।

http://goo.gl/mxohRo
বিস্তারিত

ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয হওয়ার প্রমাণ

ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয হওয়ার প্রমাণ
ঊছুলে ফিক্বাহর সমস্ত কিতাবেই উল্লেখ আছে যে, الامر للوجوب
অর্থাৎ আদেশসূচক বাক্য দ্বারা সাধারণত ফরয-ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়ে থাকে। যেমন কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, اقيموا الصلوة অর্থাৎ “তোমরা নামায আদায় করো।” কুরআন শরীফ-এর এ নির্দেশসূচক বাক্য দ্বারাই নামায ফরয সাব্যস্ত হয়েছে। অনুরূপ হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, واعفوا للحى অর্থাৎ “তোমরা (পুরুষরা) দাড়ি লম্বা করো।” হাদীছ শরীফ-এর এ নির্দেশসূচক বাক্য দ্বারাই কমপক্ষে এক মুষ্ঠি পরিমাণ দাড়ি রাখা ফরয-ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়েছে। ঠিক একইভাবে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা অর্থাৎ ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ সোমবার শরীফ-এ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ করা তথা খুশি প্রকাশ করা বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। কেননা এ ব্যাপারে কুরআন শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা ইউনূস-এর ৫৮ নম্বর আয়াত শরীফ-এ বান্দা-বান্দী ও উম্মতদেরকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে লাভ করার কারণে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করতে সরাসরি নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি ইরশাদ করেন,
বিস্তারিত