ঈদে মীলাদুন নবী খ্রিস্টানদের থেকে নয়, বরং খ্রিস্টানরাই মুসলমানদের দেখে ক্রিসমাস চালু করেছে।

 ঈদে মীলাদুন নবী খ্রিস্টানদের থেকে নয়, বরং খ্রিস্টানরাই মুসলমানদের দেখে ক্রিসমাস চালু করেছে।
সাহাবীগণ ঈদে মীলাদুন্নবী পালন করাকে ফজিলতের কারণ হিসেব বর্ণনা করেছেন এ দলিল পাওয়া যায়। (সূত্র: ‘আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম’) এমনকি বড় বড় সব তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ীগণ ঈদে মীলাদুন নবী পালন করেছেন সেই দলিলও পাওয়া যায়।
হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু’র ছাত্র ইমাম হাসান বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছিলেন:
“আমার যদি উহুদ পর্বত পরিমাণ স্বর্ণ থাকতো, তবে আমি তা ঈদে মীলাদুন্নবীর জন্য খরচ করতাম” (বই-আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম)।
বিস্তারিত

খারিজী, ওহাবী, বিদয়াতীরাই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জন্ম তারিখ নিয়ে সন্দেহ পোষণ করে

খারিজী, ওহাবী, বিদয়াতীরাই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জন্ম তারিখ নিয়ে সন্দেহ পোষণ করে

যারা বলে “নবীজীর (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্ম তারিখ নিয়ে মতভেদ আছে, ১২ই রবিউল আউয়াল জন্মদিন এটা সবচেয়ে দুর্বল মত।” তাদের এ কথার সমর্থনে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর ছহীহ্ কোন দলীল-প্রমাণ নেই। তাই সম্পূর্ণ উদ্ভট ও মনগড়া কথা। কাজেই তা গ্রহণযোগ্য নয়।


আর “১২ই রবিউল আউয়াল আখিরী রসূল, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ-এর দিন এটাই সবচেয়ে ছহীহ্ ও মশহুর মত।”

যেমন, এ প্রসঙ্গে হাফিয আবূ বকর ইবনে আবী শায়বাহ ছহীহ্ সনদ সহকারে বর্ণনা করেছেন,
বিস্তারিত

কোন বিষয়ে মতভেদ থাকলে ইসলাম কি বলে ?

কোন বিষয়ে মতভেদ থাকলে ইসলাম কি বলে ?
কারণ, মহান আল্লাহ্ পাক তাঁর কালাম পাকে ইরশাদ করেছেন, “তোমরা সত্যবাদী হলে দলীল পেশ কর।” (সূরা নমল/৬৪)
অতএব, পবিত্র কুরআন শরীফ-সুন্নাহ্ শরীফ-এর দলীল সম্মত কথা হলো, মতভেদ সম্পর্কিত বিষয় পালন বা আমল করা অবশ্যই ঠিক।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ্ পাক ইরশাদ করেন, “হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহ্ পাককে ইতায়াত করো এবং রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ইতায়াত করো এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল-আমর তাঁদেরকে ইতায়াত করো। অতঃএব যখন কোন বিষয়ে উলিল-আমরগণের মাঝে ইখতিলাফ দেখতে পাবে তখন (সে বিষয়টি ফায়সালার জন্য) তোমরা আল্লাহ্ পাক ও রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দিকে প্রত্যাবর্তন করো। অর্থাৎ যে উলিল-আমরের কুরআন-সুন্নাহর দলীল বেশী হবে তাঁরটিই গ্রহণ করো।” (সূরা নিসা/৫৯)
বিস্তারিত

ঈদে মিলাদুন্নবি পালন কি “ইহুদী-খৃষ্টানদের কালচার” নাকি পুর্ব থেকেই প্রচলিত ?

ঈদে মিলাদুন্নবি পালন কি “ইহুদী-খৃষ্টানদের কালচার” নাকি পুর্ব থেকেই প্রচলিত ?
তাদের এ বক্তব্য সম্পূর্ণ পবিত্র কুরআন শরীফ-সুন্নাহ্ শরীফ-এর খিলাফ ও কুফরী। কারণ ইহুদী-খৃষ্টানরা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্মদিন কখনোই পালন করেনা। এটা পালন করেন একমাত্র তাঁরাই যারা খালিছ ভাবে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করেন।

“মাওয়াহিবুল্ লাদুন্নিয়া, যুরক্বানী, সীরাতে হালবিয়া, মাদারিজুন্ নুবুওয়াত” ইত্যাদি কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, “১২ই রবিউল আউয়াল তারিখে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর পবিত্র স্থানে উপস্থিত হয়ে মীলাদ শরীফ উদযাপনের নিয়ম প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে।”
বিস্তারিত

খাঞ্জা পাঠানো ঈদ হলে নবিজির আগমন দিবস ঈদ হবেনা কেন ?

খাঞ্জা পাঠানো ঈদ হলে নবিজির আগমন দিবস ঈদ হবেনা কেন ?


আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ সূরা ইউনূস-এর ৫৮ নম্বর আয়াত পাক-এ ইরশাদ ফরমান-

قل بفضل الله وبرحمته فبذلك فليفرحوا هو خير مما يجمعون .

অর্র্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় অনুগ্রহ ও রহমত হিসেবে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন। সে কারণে তারা যেনো খুশি প্রকাশ করে। এই খুশি প্রকাশ করাটা সেসব কিছু থেকে উত্তম, যা তারা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য সঞ্চয় করে।”
বিস্তারিত

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সারা আলমের জন্য রহমত

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সারা আলমের জন্য রহমত

আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ সূরা আল আম্বিয়া-এর ১০৭ নম্বর আয়াত পাক-এ ইরশাদ ফরমান-

وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ

অর্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি অবশ্যই আপনাকে সারা আলমের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।”

হে কায়িনাতবাসী! ঈমানদার বান্দা-উম্মাহ তো ইবলিসের মতো রহমতশূন্য গযবপ্রাপ্ত বিভ্রান্ত হতে পারে না। তাই রহমতুীল্লিল আলামীন হিসেবে যিনি প্রেরিত হয়েছেন তথা তাশরীফ এনেছেন উনার আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করতে তারা সদা উন্মুখ। কারণ দুনিয়ার যেকোনো মানুষই কোনো বিষয়ে রহমতপ্রাপ্ত হলেই সেটাতে ইচ্ছা-অনিচ্ছাই খুশি প্রকাশ করে। তাহলে যিনি সারা আলমের জন্য রহমত উনাকে পেয়ে, উনার মুবারক তাশরীফ-এ আমরা ঈমানদার বান্দা-উম্মাহ হিসেবে কেনো ঈদ তথা খুশি প্রকাশ করবো না?
বিস্তারিত

কুরআন শরীফে ঈদে মিলাদুননবী

কুরআন শরীফে ঈদে মিলাদুননবী



আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ সূরা ইবরাহীম-এর ৫ নম্বর আয়াত পাক-এ ইরশাদ ফরমান-

وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَى بِآيَاتِنَا أَنْ أَخْرِجْ قَوْمَكَ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ وَذَكِّرْهُمْ بِأَيَّامِ اللّهِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ

অর্থ: “আমি হযরত মুসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে আমার নিদর্শনাবলীসহ উনার ক্বওমের নিকট প্রেরণ করেছিলাম যে, আপনি আপনার ক্বওমকে অন্ধকার তথা গোমরাহী থেকে আলো বা হিদায়েতের পথে আনয়ন করেন এবং তাদেরকে আল্লাহ পাক উনার (নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ বিশেষ ঘটনা সংঘটিত হওয়ার) দিনসমূহ স্মরণ করান। নিশ্চয়ই এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল শোকরগোযার বান্দাদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।”
বিস্তারিত

হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিলাদত ও বিছাল শরীফ উভয়টিই কায়িনাতের জন্য খুশির কারণ

হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিলাদত ও বিছাল শরীফ উভয়টিই কায়িনাতের জন্য  খুশির কারণ
মূলত পবিত্র কুরআন শরীফ-এর মাঝেই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান, মর্যাদা বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে। উনাকে সর্বোচ্চ উপায়ে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করার জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ-এই বার বার তাগিদ এসেছে। এ কারণেই ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ উনার সুমহান বিলাদত শরীফ ও বিছাল শরীফ হওয়ার কারণে উম্মাহর প্রতিটি মু’মিন-মুসলমান আনন্দে উদ্বেলিত হয়, খুশি প্রকাশে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কেননা এ দিন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা প্রত্যেকের জন্যই ফরযে আইন। আর এর থেকে গাফিল ও বিরত থাকে একমাত্র ইবলিস শয়তান! যারা এই মহান ঈদ তথা খুশি প্রকাশে নিষেধ করে বা বিরত থাকে তারা কি পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে একটি দলীলও পেশ করতে পারবে যে, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে বা উনার স্মরণে খুশি প্রকাশ করা যাবেনা? অথচ আনন্দ, খুশি ও শুকরিয়া আদায় করার জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ-এর অসংখ্য আয়াত শরীফ-এ বলা হয়েছে। যেমন-
বিস্তারিত

বুখারী শারীফের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাখ্যাকার আল্লামা ইবন হাজর আসকলানি রহমতুল্লাহি আলাইহি এর নামে বানোয়াট উক্তি প্রচার করল জুনায়েদ বাবু নগরী

বুখারী শারীফের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাখ্যাকার আল্লামা ইবন হাজর আসকলানি রহমতুল্লাহি আলাইহি এর নামে বানোয়াট উক্তি প্রচার করল জুনায়েদ বাবু নগরী

দেওবন্দী/কাওমী/হেফাজতিদের গুরু জুনায়েদ বাবু নগরী তার মিলাদ বিরোধী লিখায় সহীহ বুখারী শারীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘ফাতহুল বারী’ এর লেখক আল্লামা ইবন হাজর আসকলানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি কে একজন মিলাদ বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করতে গিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে লিখে - 
  • আল্লামা হাফেজ ইব্নে হাজার আসক্বালানী শাফী (রাহ্.)কে প্রশ্ন করা হয়, মীলাদ অনুষ্ঠান কি বিদ্আত? না শরীয়তে এর কোন ভিত্তি আছে? জবাবে তিনি বলেন, “মীলাদ অনুষ্ঠান মলতঃ বিদ্আত। তিন পবিত্র যুগের সালফে সালিহীনের আমলে এর অস্তিত্ব ছিল না।” (হিওয়ার মাআল মালিকী-১৭৭ পৃষ্ঠা)।
বিস্তারিত

সহস্রাব্দের মুজাদ্দিদ আলফে সানী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি এর নামে বানোয়াট উক্তি প্রচার করল জুনায়েদ বাবু নগরী

 সহস্রাব্দের মুজাদ্দিদ আলফে সানী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি এর নামে বানোয়াট উক্তি প্রচার করল জুনায়েদ বাবু নগরী

দেওবন্দী/কাওমী/হেফাজতিদের গুরু জুনায়েদ বাবু নগরী তার মিলাদ বিরোধী লিখায় উপমহাদেশের মুজাদ্দিদ আলফে সানী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি কে একজন মিলাদ বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করতে গিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে লিখে-

  • ইমামুল হিন্দ হযরত শায়েখ আহ্মদ সরহিন্দী মুজাদ্দিদে আল্ফে সানী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি যাঁকে মীলাদ সমর্থক আলেমগণও মুজাদ্দিদ বলে স্বীকার করেন,তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়,মীলাদ মাহ্ফিল অনাচার মুক্ত হলেও তাতে দোষের কিছু আছে কি? তিনি বলেন, “আমি মনে করি,যতক্ষণ পর্যন্ত এর দরজা সম্পূর্ণ বন্ধ হবে না,স্বার্থপর লোকেরা এর থেকে বিরত থাকবে না।যদি এর কিঞ্চিৎ জায়েয হওয়ার ফাত্ওয়া দেওয়া হয়,,তবে জানি না ব্যাপারটি ক্রমশঃ কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।” 
বিস্তারিত

কওমী দেওবন্দিদের গুরুদের গুরু মুহাজিরে মক্কী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ

কওমী দেওবন্দিদের গুরুদের গুরু মুহাজিরে মক্কী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ
বর্তমান দেওবন্দীরা বাদশাহ আবু সাঈদ মুজাফফার রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং আবু খাত্তাব উমর ইবনে দিহইয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে মিথ্যাচার করলে কি হবে? তাদের অতীতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য আলেম মাওলানা হাফিজ মুহাম্মদ আব্দুল হক এলাহাবাদী মুহাজিরে মক্কী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন,
“রাজ রাজাদের মধ্যে আরবলের(বর্তমান ইরাকের একটি অঞ্চল) আবু সাঈদ কাওকারী ইবন যয়নুদ্দিন সর্বপ্রথম মিলাদ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। তিনি মহান ও প্রসিদ্ধ দানশীল রাজা ছিলেন। হাফিজ ইমাম ইবন কাসির রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর ‘তারিখ’ গ্রন্থে লিখেছেন, আরবলের মহান রাজা রবিউল আউওয়াল মাসে মিলাদুন্নবী
বিস্তারিত

ওহাবী/সালাফীরা যাকে মেনে থাকে সেই ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ

ওহাবী/সালাফীরা যাকে মেনে থাকে সেই ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ
ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি, যাকে সালাফী / ওহাবীরা তাফসীর ও ইতিহাস শাস্ত্রে সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা করে থাকে, তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ইসলামের মুজাহিদ সুলতান গাযী সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর ভগ্নিপতি শাহ মালিক আল-মুযাফফর রহমতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। অথচ সালাফীরাই ইবনে কাসীরের কথাকে বিকৃত করে এই মর্মে মিথ্যে ছড়িয়েছে যে মুযাফফর শাহ একজন ফাসেক, নিষ্ঠুর ও বেদআতী শাসক ছিলেন (নাউজুবিল্লাহ)।
প্রকৃতপক্ষে ইবনে কাসীর লিখেন:
  • অর্থ: “বাদশা হযরত মুজাফফরুদ্দীন ইবনে যাইনুদ্দীন আবু সাঈদ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি দানশীল ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের অন্যতম ছিলেন। সাথে সাথে তিনি সম্মানিত বাদশাও ছিলেন। উনার বহু পূন্যময় কাজের আলামত এখনও বিদ্যমান রয়েছে।”
[সূত্রঃ- আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১৩ তম, খন্ড ১৩৬ পৃষ্ঠা]
  • অর্থ: আরবলের বাদশা হযরত মালিক মুজাফফরুদ্দীন ইবনে যাইনুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি প্রতি বছর পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে তিন লক্ষ দিনার ব্যায় করতেন।”
বিস্তারিত