আজ থেকে প্রায় ১৩০০ বছর পুর্বে আব্বাসীয় খিলাফতে ঈদে মিলাদে হাবিবী পালন হত।

আজ থেকে প্রায় ১৩০০ বছর পুর্বে আব্বাসীয় খিলাফতে ঈদে মিলাদে হাবিবী পালন হত।
আব্বাসীয় খিলাফতের খলীফা হারুন অর রশীদের আম্মা আল খায়যুরান(মৃত্যু ১৭২ হিজরি ২য় শতক /৭৮৯ খৃষ্টাব্দ - ৮ম শতক)হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত মুবারকের স্থানে ইবাদত বন্দেগী করার জন্য উন্মুক্ত করে দেন।যেখানে মুসলমানগণ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন করতেন। 
সুত্রঃ 
১. Encyclopaedia of Islam, Second Edition. Brill Online Reference Works 
২. Mawlid or Mawlud", Encyclopedia of Islam
The basic earliest accounts for the observance of Mawlid can be found in 8th-century Mecca, when the house in which Muhammad was born was transformed into a place of prayer by Al-Khayzuran (mother of Harun al-Rashid, the fifth and most famous Abbasid caliph)
Source: "Mawlid  or Mawlud"., Encyclopedia of Islam, Second Edition. Brill Online Reference Works.
বিস্তারিত

আজ থেকে প্রায় ১২০০ বছর পুর্বেও ঈদে মিলাদে হাবীবি পালিত হত।

আজ থেকে প্রায় ১২০০ বছর পুর্বেও ঈদে মিলাদে হাবীবি পালিত হত।
হিজরি ৩য় শতকের মক্কা শরীফের মুসলিম ইতিহাসবিদ আল আজরাকী ( মৃত্যু ২১৯ হিঃ/৮৩৪ খৃঃ) উনার "আল মক্কাহ"ভলি ২ , ১৬০ পৃঃ উল্লেখ করেন " হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেখানে বিলাদতি শান প্রকাশ করেন সেখানে নামাজ আদায় হত"
কোরআনের স্কলার আল নাক্কাস (২৬৬-৩৫১ হি)  উনার "আল ফাসি শিফা আল গারাম" ভলি ১ পৃ ১৯৯ উল্লেখ করেন " প্রতি সোমবার হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মস্থানে দুপুরে দোয়া করা হত"। 

যারা বলে থাকে ঈদে মিলাদে হাবীবি নতুন আমল, ইহা বিদয়াত তারা এর কি জবাব দিবে? 
https://goo.gl/eeAzlI
বিস্তারিত

বাদশাহ মুজাফরের পুর্ব থেকেই ঈদে মিলাদে হাবীবির প্রচলন ছিল ।

বাদশাহ মুজাফরের পুর্ব থেকেই ঈদে মিলাদে হাবীবির প্রচলন ছিল ।
১. আজ থেকে প্রায় ৯০০ বছর পুর্বে ওমর বিন মুল্লা মুহম্মদ মউসুলি রহমতুল্লাহি আলাইহি ঈদে মিলাদে হাবীবি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিবসকে নিয়মিতভাবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে জারী রাখার প্রচলন চালু করেন । উনার অনুসরনে ইসলামের অমর সিপাহসালার সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর বোনজামাই আরবলের বাদশাহ মালিক আবু সাঈদ মুজাফফর আল দীন (১১৫৪- ১২৩২ খৃঃ) রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবি অনুষ্ঠান পালন প্রচলন করেন ।(তাঁরা রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথম করেছেন কিন্তু তাঁর পুর্ব থেকেও ঈদে মিলাদুন্নবি পালন হত ) ইবনে খালকান আরবালি শাফেয়ী উক্ত অনুষ্ঠানের সাক্ষী। 
বিস্তারিত

দেওবন্দীদের আরেক নির্ভরযোগ্য আলেম মালানা সমসুল হক ফরিদপুরী

দেওবন্দীদের আরেক নির্ভরযোগ্য আলেম মালানা সমসুল হক ফরিদপুরী
দেওবন্দীদের আরেক নির্ভরযোগ্য আলেম মালানা সমসুল হক ফরিদপুরী তাসাউফ তত্ত্ব কিতাবের ৩৫ পৃষ্টা – ৪৭ পৃষ্টা পর্যন্ত শুধুই মিলাদের অসংখ বাব নিয়ে এসেছে এবং ৪১ পৃষ্টায় উল্লেখ করে ” হুজুর পুর নূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শানে যে কাসিদা পড়া হয় তাতে মহব্বত বাড়ে আর ওই মহব্বতের জোরে যদি কেউ মিলাদের কিয়ামে দাড়িয়ে যায় তাহলে তাকে বিদাত বলা যাবেনা। আর হুজুর পুর নূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে বসে বসে সালাম দেওয়া হুজুরের শানে বড়ই বেয়াদবী ।”
বিস্তারিত

দেওবন্দীদের দাদা ওস্তাদ মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহির দৃষ্টিতে ঈদে মিলাদে হাবীবি

দেওবন্দীদের দাদা ওস্তাদ মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহির দৃষ্টিতে ঈদে মিলাদে হাবীবি
সমস্থ দেওবন্দী আলেমদের দাদা ওস্তাদ হাজী এম্দাদুল্লাহ মহাজির মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি যাকে ছাড়া দেওবন্দীদের কোনো অস্তিত্ব থাকেনা সেই উনি উনার ফায়্সালায়ে হাফতে মাসায়ালা কিতাবের ৫ পৃষ্ঠায় বলেন ,
ﻣﻮﻟﻮﺩ ﺷﺮﻳﻒ ﻛﻮ ﺫﺭﻳﻌﻪ ﺑﺮﻛﻠﺖ ﺳﻤﺠﻪ ﻛﺮ ﻫﺮ ﺳﺎﻝ ﻣﻨﻌﻘﺪ

ﻛﺮﺗﺎﻫﻮﻥ ﺍﻭﺭﻗﻴﺎﻡ ﻛﮯ ﻭﻗﺖ ﺑﮯ ﺣﺪ ﻟﻄﻒ ﻭﻟﺬﺕ ﭘﺎﺗﺎﻫﻮﯼ
» ফকিরের ( আমার ) মত এই যে , আমি মৌলুদ শরীফের মাহফিলে শরিক হই । আর ইহাকে বরকতের কারণ মনে করিয়া প্রত্যেক বৎসর অনুষ্ঠান করিয়া থাকি এবং কিয়াম করার সময় খুবই স্বাদ ও আনন্দ উপভোগ করি ।”
হাজী এম্দাদুল্লাহ মহাজির মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শামায়েলে এমদাদীয়া কিতাবের ৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন , ” আমাদের অনেক দেওবন্দী আলেমগনই মিলাদ শরীফের বিরোধিতা করছে । কিন্তু আমি মিলাদ কিয়াম শরিফ জায়েজপন্থী আলেমগণের পক্ষেই গেলাম ।যেহেতু মিলাদ কিয়াম জায়েজ হওয়ার পক্ষে অনেক দলিলই মজুদ আছে তাহলে কেন এতো বাড়াবাড়ি । আমাদের জন্য তো মক্কা মদিনার অনুকরনই যথেষ্ট । আর যদি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিলাদ শরীফের মাহফিলে হাজির হন এমন বিশ্বাস রাখা হয় তাতে অসুবিধার কিছু নেই । অতএব মিলাদের মাহফিলে হুজুর পুর নূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পক্ষে হাজির হওয়া অসম্ভব নয় ।”
বিস্তারিত

সৃষ্টির শুরুই হয়েছে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের জন্য।

সৃষ্টির শুরুই হয়েছে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের জন্য।

১. এ সম্পর্কে হাদীছে কুদসী শরীফ-এ উল্লেখ করা হয়েছে,
كنت كنزا مخفيا فاحببت ان اعرف فخلقت الخلق لاعرف.
অর্থ: “আমি গুপ্ত ছিলাম। আমার মুহব্বত হলো যে, আমি জাহির হই। তখন আমি আমার (রুবুবিয়্যত) জাহির করার জন্যই সৃষ্টি করলাম মাখলূকাত (আমার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে)।”

দলীল -
আল মাকাসিদুল হাসানা/ ৮৩৮,
কাশফূল খিফা/২০১৩,
আসনাল মুত্বালিব/১১১০,
তমীযুত তীব/১০৪৫,
আসরারুল মারফুআ/৩৩৫,
তানযিয়াতুশ শরীয়াহ ১/১৪৮,
আদ্দুরারুল মুন্তাছিরা/৩৩০,
আত তাযকিরা ফি আহাদীসিল মুশতাহিরা/১৩৬,
সিররুল আসরার, কানযুল উম্মাল)
বিস্তারিত

দেওবন্দী আলেমদের ঈদে মিলাদে হাবীবির পক্ষে রায়


আজ থেকে ১০০ বছর আগে দেওবন্দীদের কেন্দ্রীয় আলিমগণও পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতো এবং এ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করলে বিনা হিসেবে জান্নাতে যাওয়ার কারণ বলে ফতওয়া দিয়েছে। এসব দুর্লভ দলিলসমূহ একত্রে একটি বইতে পাওয়া যায়। বইটির নাম “আল মুহান্নাদ আলাল মুফান্নাদ”। বইটির লেখক দেওবন্দের র্শীষস্থানীয় আলিম এবং আবু দাউদ শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘বাজলূল মাজহুদ কী হল্লি আবু দাউদ’র লেখক মাওলানা খলীল আহমাদ শাহরানপুরী।
হারামাইন শরীফাইনের আলেমগণ দেওবন্দেরে উলামায়ে কেরামের এর নিকট ২৬ টি প্রশ্ন সম্বলিত একটি চিঠি পাঠালেন। বিশুদ্ধ আরবীতে উক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর প্রদান করে  মাওলানা খলীল আহমাদ সাহারানপুরী। খলীল আহমাদ সাহারানপুরী এই উত্তরের উপর তৎকালীন দেওবন্দের সমস্ত উলামায়ে কেরাম সত্যায়ন ও সাক্ষ্যর করে। যেমন, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, আশরাফ আলী থানবী, উসওয়াতুস সুলাহা হযরত মাওলানা শাহ আব্দুর রহীম রাইপুরী রহ, বাকিয়্যাতুস সালাফ হযরত মাওলানা হাফেজ মুহাম্মাদ আহমাদ সাহেব,  কিফায়াতুল্লাহ । এছাড়াও দেওবন্দী উলামায়ে কেরামের সত্যায়নের পাশাপাশি হিজায, মিশর, শাম ও আরবের বিখ্যাত আলেমগণের সত্যায়ণ রয়েছে এই পুস্তকের উপর। খলীল আহমাদ সাহারানপুরী  এর পুস্তকটি ১৩২৫ হি: সনে প্রকাশিত হয়। এই পুস্তকের নাম ছিলো আল-মুহান্নাদ আলাল মুফান্নাদ। এ পুস্তকে উক্ত প্রশ্নগুলোর আলোকে বিশুদ্ধ আক্বীদা-বিশ্বাস বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই পুস্তক সংক্ষিপ্ত হলেও এখানে দেওবন্দী আক্বিদার মৌলিক বিষয়গুলো খুবই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। 
বিস্তারিত

সকল দেওবন্দী ওহাবীদের প্রধান মুরুব্বীদের ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামপালনের পক্ষে ফতোয়া

সকল দেওবন্দী ওহাবীদের প্রধান মুরুব্বীদের ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামপালনের পক্ষে ফতোয়া

সকল দেওবন্দী ওহাবীদের প্রধান মুরুব্বীদের ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামপালনের পক্ষে ফতোয়া
দেওবন্দী, তাবলীগি দের চাইতে বড় ভন্ড মুনাফিক দুনিয়ায় আছে কিনা সন্দেহ আছে। আমারা যে আমল গুলো করলে তারা শিরক- বিদয়াতের গরম ফতোয়া দেয়, সে কাজগুলো তাদের মুরুব্বীরা করলো সম্পূর্ণ নিশ্চুপ থাকে।
সকল নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আশেকগনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, উনারা মীলাদ শরীফ এবং ক্বিয়াম শরীফ করে থাকেন। অথচ দেওবন্দী – তাবলীগি- কওমী খারেজীরা এইটাকে সরাসরি বিদয়াত/ কুফরী/ শিরিক ফতোয়া দিয়ে থাকে।
অথচ, এই দেওবন্দী তাবলীগি দের মুরুব্বীরা এই মীলাদ শরীফ এবং ক্বিয়াম শরীফকে জায়েজ বলেই ফতোয়া প্রদান করেছে এবং পালনও করেছে ।
আসুন তাদের কিতাব থেকেই দলীল প্রদান করি —
আশরাফ আলী থানবী , রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী, সহ সকল উলামায়ে দেওবন্দীদের পীর শায়েখে আরব ওয়াল আযম ,হাজী এমদাদুল্লাহ মুহাজির মক্কী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর কিতাবে বর্ননা করেন –>
বিস্তারিত

আশরাফ আলী থানবী এর কুফরী

আশরাফ আলী থানবী এর কুফরী

(১) আল্লাহ মিথ্যা বলতে পারেন। নাঊযুবিল্লাহ! (রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া ১ম খণ্ড: পৃষ্ঠা-১৯, রশিদ আহমদ গাংগুহী, তালিফাত রশিদিয়া, কিতাবুল আক্বাঈদ অধ্যায়, পৃষ্ঠা-৯৮, খলীল আহমদ আম্বেঢী, তাজকিরাতুল খলীল, পৃষ্ঠা ১৩৫, মেহমুদ হাসান, আল-জিহাদুল মুগিল, পৃষ্ঠা ৪১)

(২) আল্লাহ তাঁর বান্দা ভবিষ্যতে কি করবে তা আগে থেকে বলতে পারেন না। বান্দা কর্মসম্পাদনের পর আল্লাহ তা জানতে পারেন। নাঊযুবিল্লাহ! (হুসাইন আলী, তাফসীরে বুঘাতুল হাইরান, পৃষ্ঠা ১৫৭-১৫৮)

৩. হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জ্ঞানের চেয়ে শয়তান ও হযরত আযরাঈল আলাইহিস্‌ সালাম-উনার  জ্ঞান বেশি। নাঊযুবিল্লাহ! (খলীল আহমদ আম্বেঢী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা-৫১)
বিস্তারিত

৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নয়, বরং ‘১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে বোনাস’ দিতে হবে।

৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নয়, বরং ‘১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে বোনাস’ দিতে হবে।
==========================

সম্প্রতি (১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ) খবরে এসেছে পহেলা বৈশাখে ‘বাংলা নববর্ষ ভাতা’ নামে একটি উৎসব ভাতা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সরকারি চাকরিজীবীদেরকে তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ হিসেবে এই বোনাস দেয়া হবে। (সূত্র: দৈনিক সকালের খবর, ১০.০৯.২০১৫)

বিস্তারিত

যারা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধীতা করে তারা কাট্রা কাফির আবু লাহাব হতেও নিকৃষ্ট ।

যারা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধীতা করে তারা কাট্রা কাফির আবু লাহাব হতেও নিকৃষ্ট ।

আমরা কাট্টা কাফির চির জাহান্নামী আবু লাহাব এর নাম সবাই জানি । দীর্ঘ এক যুগ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দেওয়ার কোশেশ করেছিল । যার সম্পর্কে স্বয়ং আল্লাহ পাক সুরা লাহাব শরীফ নাযিল করেছিলেন ।যে আবু লাহাবের বংশ আজ বিলীন। অথচ সেই আবু লাহাব জাহান্নামে থেকেও প্রতি সোমবার শরিফে জান্নাতি আরাম পায় ।ইহা কি করে সম্ভব হল ?
ঐতিহাসিক আল্লামা হযরত ইয়াকুব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার তারিখে ইয়াকুবী ১ম খন্ড ৩৬২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে ” নুরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন ‘আমি আবু লাহাবকে দেখেছি জাহান্নামের আগুনে নিমজ্জিত থেকে চিৎকার করে বলছে পানি দাও! পানি দাও! অতঃপর তার আঙ্গুলের গিরা দিয়ে পানি পান করানো হচ্ছে। নুরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব কিছু জানা সত্বেও উম্মতকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য জিজ্ঞাসা করলেন’ কি কারণে এ পানি পাচ্ছ ? আবু লাহাব বলল’ আপনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশী প্রকাশ করে হযরত সুয়াইবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনাকে মুক্ত করার কারণে এই ফায়দা পাচ্ছি। কেননা তিনি আপনাকে দুধ পান করিয়েছিলেন”
বিস্তারিত

শিরনী বিতরণ , মিলাদের কিয়াম অবশ্যই ভালো কাজের অন্তর্ভুক্ত -থানবী

শিরনী বিতরণ , মিলাদের কিয়াম অবশ্যই ভালো কাজের অন্তর্ভুক্ত -থানবী
বর্তমানের দেওবন্দীরা যে সত্যিকারের মুর্খ , পাগল আর বাতিলপন্থী ওহাবী তা তাদের আকীদাগত কার্যকলাপ আর
পাইকারী ফতুয়াবাজি থেকে সহজেই অনুধাবন করা যায় | তাদের যদি নুন্যতম কোরআন হাদিসের জ্ঞান আর তাদের
পূর্বসুরী দেওবন্দীদের কিতাব সম্পর্কে সামান্য ধারণা থাকতো তাহলে এরা মিলাদ কিয়ামের বিপক্ষে পাইকারীভাবে শিরক , বেদাত ও কুফরের ফতুয়াবাজি করতো না আর তাদের পূর্বসুরী মুরব্বীদেরকেও কাফের বানিয়ে বাতিলের খাতায় ফেলতো না | মিলাদ কিয়ামের পক্ষে দেওবন্দী আলেমদের কিতাব হতে কিছু দলিল প্রমান অতি সংক্ষেপে আপনাদের খেদমতে পেশ করছি আর বর্তমান দেওবন্দীদের মুখোশ উন্মোচন করছি |
সমস্থ দেওবন্দী আলেমদের দাদা ওস্তাদ হাজী এম্দাদুল্লাহ মহাজির মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি যাকে ছাড়া দেওবন্দীদের কোনো অস্তিত্ব থাকেনা সেই উনি উনার ফায়্সালায়ে হাফতে মাসায়ালা কিতাবের ৫ পৃষ্ঠায় বলেন ,
ﻣﻮﻟﻮﺩ ﺷﺮﻳﻒ ﻛﻮ ﺫﺭﻳﻌﻪ ﺑﺮﻛﻠﺖ ﺳﻤﺠﻪ ﻛﺮ ﻫﺮ ﺳﺎﻝ ﻣﻨﻌﻘﺪ
বিস্তারিত